তারেক রহমানের পর মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ ভারতীয় দূতের

কূটনৈতিক প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ১১ আগস্ট ২০২৬, ২২: ৩৯
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পরদিন মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। ছবি: সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পরদিন মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের পরদিনই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। ভারতের কূটনৈতিক সূত্র এ সাক্ষাতের তথ্য নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কই ছিল এ সাক্ষাতে আলোচনার মূল বিষয়।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন দীনেশ ত্রিবেদী। রাতে ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাস তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ সাক্ষাতের ছবি প্রকাশ করে। তবে সাক্ষাতে আলোচনার বিষয়বস্তু কী ছিল, সে বিষয়ে দূতাবাস কিছু জানায়নি।

এর আগে সোমবার (১০ আগস্ট) সকালেই ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন দীনেশ ত্রিবেদী। ঢাকায় ভারতীয় দূত হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন।

এ ছাড়া সোমবারই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও আগের দিন রোববার পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে ভারতীয় দূতের বৈঠক হয়। এসব বৈঠকে শেখ হাসিনার পাশাপাশি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদীর হত্যাকারীকে ভারতে থেকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।

সোমবার প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর এক ব্রিফিংয়ে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘গণতন্ত্রে ইস্যু থাকবেই। ইস্যু না থাকলে তো সেটা গণতন্ত্র নয়। দুই দেশেরই বিভিন্ন ইস্যু থাকবে, তবে মানুষের চাওয়া একটাই— ভালো সম্পর্ক। সম্পর্ক ভালো হলে তা দুই দেশের জন্যই উইন-উইন পরিস্থিতি তৈরি করবে।’

ভারতীয় দূত আরও বলেন, দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ক, প্রতিবেশী হিসেবে অবস্থান ও অভিন্ন ইতিহাস পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তারা শুধু সীমান্তই ভাগ করে নেয় না, স্বপ্নও ভাগ করে নেয়। তাই আগামী দিনগুলো ভালো হবে। যেসব ইস্যু রয়েছে, সেগুলো সমাধান করতে হবে। আমি আত্মবিশ্বাসী, সব ভালো হবে।

নিজ দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানেরও ভূঁয়সী প্রশংসা করেন ত্রিবেদী। দুজনকেই তিনি জনগণের নেতা বলে অভিহিত করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে বৈঠকে দুই দেশের নিরাপত্তা ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে উষ্ণ পরিবেশে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা দীনেশ ত্রিবেদী চলতি বছরের জুনে বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নেন। তার নিয়োগটি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ এ কারণে যে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম বাংলাদেশে ভারতীয় দূত হিসেবে একজন রাজনৈতিক নেতাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement