
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মাঠের খেলা থেকে সের্হিও বুসকেতস বিদায় নিলেও লিওনেল মেসির সঙ্গে তার গড়ে যাওয়া রসায়ন এখন ইতিহাসের পাতায়। আইএফএফএইচএস-এর সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, পেশাদার ফুটবলে সতীর্থ হিসেবে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন এই দুই তারকা। বার্সেলোনা থেকে ইন্টার মায়ামি—দীর্ঘ দুই দশকের পথচলায় তারা একসঙ্গে খেলেছেন মোট ৬৫৩টি ম্যাচ, যা ফুটবল বিশ্বে এক অনন্য নজির।
লিওনেল মেসি ও সের্হিও বুসকেতস—দুজনের বন্ধুত্ব ও বোঝাপড়ার গল্পটা শুরু হয়েছিল ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনায়। পরে সেই জুটি আবারও গর্জে ওঠে ইন্টার মিয়ামিতে। ফ্লোরিডার ক্লাবটিতেও তারা একসঙ্গে দারুণ সাফল্য উপভোগ করেন।
২০২৫ মৌসুম শেষে মেজর লিগ সকার (এমএলএস) থেকে অবসর নেন বুসকেতস। তবে বিদায়ের আগে মেসির সঙ্গে মিলেই গড়েন এক অনন্য রেকর্ড। ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব ফুটবল হিস্ট্রি অ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিকস (আইএফএফএইচএস)-এর সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, পেশাদার ফুটবলে এই দুই তারকা একসঙ্গে খেলেছেন মোট ৬৫৩টি ম্যাচ—যা বিশ্বরেকর্ড। ধারণা করা হচ্ছে, অদূর ভবিষ্যতে এই কীর্তি ছোঁয়া কঠিনই হবে।
৬৫৩ ম্যাচের মধ্যে ৫৬৯টি তারা খেলেছেন বার্সেলোনার জার্সিতে, আর ৮৪টি ম্যাচ ইন্টার মায়ামির হয়ে। তাদের একসঙ্গে পথচলা শুরু হয় ২০০৮ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর, বুসকেতসের অভিষেক ম্যাচে। সেই ম্যাচে মেসির পাশাপাশি ছিলেন জেরার্ড পিকে।
এই তালিকার দ্বিতীয় স্থানেও রয়েছে বুসকেতসের নাম। পিকের সঙ্গে তিনি খেলেছেন মোট ৬২০টি ম্যাচ—এর মধ্যে ৫৩৩টি বার্সেলোনার হয়ে এবং ৮৭টি স্পেন জাতীয় দলের জার্সিতে।
৬০০-র বেশি ম্যাচ একসঙ্গে খেলার নজির পেশাদার ফুটবলে খুব কমই দেখা যায়। সম্প্রতি ম্যানুয়েল নয়্যার ও থমাস মুলার এই তালিকায় যুক্ত হয়েছেন। জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে তারা একসঙ্গে খেলেছেন ৬১১টি ম্যাচ।
বর্তমানে মেসি ও বুসকেতস ভিন্ন পরিস্থিতিতে থাকলেও দুজনই এখনো ফুটবলে সক্রিয়। ভবিষ্যতে আবার কোনো ক্লাবে একসঙ্গে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না, যদিও তা খুবই ক্ষীণ। আপাতত তাদের গড়া ৬৫৩ ম্যাচের রেকর্ড দীর্ঘদিন অক্ষত থাকবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, এই পরিসংখ্যানে শুধুমাত্র শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ গণনা করা হয়েছে, যেখানে দুজনই মাঠে নেমেছিলেন।

মাঠের খেলা থেকে সের্হিও বুসকেতস বিদায় নিলেও লিওনেল মেসির সঙ্গে তার গড়ে যাওয়া রসায়ন এখন ইতিহাসের পাতায়। আইএফএফএইচএস-এর সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, পেশাদার ফুটবলে সতীর্থ হিসেবে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন এই দুই তারকা। বার্সেলোনা থেকে ইন্টার মায়ামি—দীর্ঘ দুই দশকের পথচলায় তারা একসঙ্গে খেলেছেন মোট ৬৫৩টি ম্যাচ, যা ফুটবল বিশ্বে এক অনন্য নজির।
লিওনেল মেসি ও সের্হিও বুসকেতস—দুজনের বন্ধুত্ব ও বোঝাপড়ার গল্পটা শুরু হয়েছিল ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনায়। পরে সেই জুটি আবারও গর্জে ওঠে ইন্টার মিয়ামিতে। ফ্লোরিডার ক্লাবটিতেও তারা একসঙ্গে দারুণ সাফল্য উপভোগ করেন।
২০২৫ মৌসুম শেষে মেজর লিগ সকার (এমএলএস) থেকে অবসর নেন বুসকেতস। তবে বিদায়ের আগে মেসির সঙ্গে মিলেই গড়েন এক অনন্য রেকর্ড। ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব ফুটবল হিস্ট্রি অ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিকস (আইএফএফএইচএস)-এর সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, পেশাদার ফুটবলে এই দুই তারকা একসঙ্গে খেলেছেন মোট ৬৫৩টি ম্যাচ—যা বিশ্বরেকর্ড। ধারণা করা হচ্ছে, অদূর ভবিষ্যতে এই কীর্তি ছোঁয়া কঠিনই হবে।
৬৫৩ ম্যাচের মধ্যে ৫৬৯টি তারা খেলেছেন বার্সেলোনার জার্সিতে, আর ৮৪টি ম্যাচ ইন্টার মায়ামির হয়ে। তাদের একসঙ্গে পথচলা শুরু হয় ২০০৮ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর, বুসকেতসের অভিষেক ম্যাচে। সেই ম্যাচে মেসির পাশাপাশি ছিলেন জেরার্ড পিকে।
এই তালিকার দ্বিতীয় স্থানেও রয়েছে বুসকেতসের নাম। পিকের সঙ্গে তিনি খেলেছেন মোট ৬২০টি ম্যাচ—এর মধ্যে ৫৩৩টি বার্সেলোনার হয়ে এবং ৮৭টি স্পেন জাতীয় দলের জার্সিতে।
৬০০-র বেশি ম্যাচ একসঙ্গে খেলার নজির পেশাদার ফুটবলে খুব কমই দেখা যায়। সম্প্রতি ম্যানুয়েল নয়্যার ও থমাস মুলার এই তালিকায় যুক্ত হয়েছেন। জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে তারা একসঙ্গে খেলেছেন ৬১১টি ম্যাচ।
বর্তমানে মেসি ও বুসকেতস ভিন্ন পরিস্থিতিতে থাকলেও দুজনই এখনো ফুটবলে সক্রিয়। ভবিষ্যতে আবার কোনো ক্লাবে একসঙ্গে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না, যদিও তা খুবই ক্ষীণ। আপাতত তাদের গড়া ৬৫৩ ম্যাচের রেকর্ড দীর্ঘদিন অক্ষত থাকবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, এই পরিসংখ্যানে শুধুমাত্র শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ গণনা করা হয়েছে, যেখানে দুজনই মাঠে নেমেছিলেন।

শনিবার মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে দীর্ঘ ৯ ঘণ্টার ম্যারাথন বোর্ড সভা শেষে একে একে পদত্যাগপত্র জমা দেন তারা। নির্বাচন নিয়ে অনিয়মের তদন্ত এবং ক্লাবগুলোর বয়কটের মুখে এই গণ-পদত্যাগ দেশের ক্রিকেট অঙ্গনে নতুন করে নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে।
১০ দিন আগে
সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। গতকাল মালদ্বীপে ভারতকে হারিয়ে আবারও শিরোপা জিতেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। সাফজয়ী দল আজ (৪ এপ্রিল) দেশে ফিরছে। তাদের ছাদখোলা বাসে সংবর্ধনা দেওয়া হবে হাতিরঝিলে।
১১ দিন আগে
শুক্রবার মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে বাংলাদেশ ও ভারত মুখোমুখি হয়। নির্ধারিত সময়ে সমতা থাকার পর ট্রাইবেকারে বাংলাদেশ ৪-৩ গোলে ভারতকে হারিয়ে শিরোপা জেতে।
১১ দিন আগে
সাফ অনূর্ধ্ব-২০ টুর্নামেন্টের ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ। এই গৌরবজনক বিজয়ে বাংলাদেশ দলকে প্রাণঢালা অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন।
১১ দিন আগে