
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই জয় দিয়ে শুরু করল পাকিস্তান। নেদারল্যান্ডসের দেওয়া ১৪৮ রানের জবাবে ফাহিম আশরাফের দারুণ ফিনিশিংয়ে ৩ বল ও ৩ উইকেট হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে সালমান আলি আগার দল।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস গ্রাউন্ডে টসে জিতে ডাচদের ব্যাটিংয়ে পাঠান পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আলী আগা। পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ১৯.৫ ওভারে ১৪৭ রানেই অল-আউট হয়ে যায় নেদারল্যান্ডস।
ডাচদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডস। এছাড়া বাস ডে লেডে ৩০ এবং কলিন আকারম্যান ২০ রান যোগ করেন। পাকিস্তানের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন সালমান মির্জা, মাত্র ২৪ রান খরচায় তুলে নেন ৩টি উইকেট। এছাড়া আবরার আহমেদ, সাইম আইয়ুব এবং মোহাম্মদ নওয়াজ প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট শিকার করেন।
১৪৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তানের শুরুটা ইতিবাচক ছিল। ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ৩১ বলে ৪৭ রানের একটি ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। সাইম আইয়ুব করেন ২৪ রান। কিন্তু এরপরই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে পাকিস্তান।
ফর্মহীনতায় ভুগতে থাকা বাবর আজম ১৮ বলে মাত্র ১৫ রান করে ফেরেন। দ্রুত সাজঘরে ফেরেন উসমান খান, শাদাব খান ও মোহাম্মদ নওয়াজও।
জয়ের জন্য শেষ দুই ওভারে পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ২৯ রান। এই কঠিন মুহূর্তে ত্রাতা হিসেবে অবতীর্ণ হন ফাহিম আশরাফ। ১৯তম ওভারের প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকিয়ে চাপ কমান তিনি। এরপরের বলে ক্যাচ তুলে দিয়েও বেঁচে যান ডাচ ফিল্ডারের ভুলে। সেই জীবন পাওয়ার পর আর পেছন ফিরে তাকাননি ফাহিম।
পরপর দুটি ছক্কা ও দুটি চারে দলের জয় নিশ্চিত করেই মাঠ ছাড়েন এই অলরাউন্ডার। মাত্র ১১ বলে ২৯ রানের অপরাজিত বিধ্বংসী ইনিংস খেলে তিনিই হয়েছেন দলের জয়ের নায়ক।

২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই জয় দিয়ে শুরু করল পাকিস্তান। নেদারল্যান্ডসের দেওয়া ১৪৮ রানের জবাবে ফাহিম আশরাফের দারুণ ফিনিশিংয়ে ৩ বল ও ৩ উইকেট হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে সালমান আলি আগার দল।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস গ্রাউন্ডে টসে জিতে ডাচদের ব্যাটিংয়ে পাঠান পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আলী আগা। পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ১৯.৫ ওভারে ১৪৭ রানেই অল-আউট হয়ে যায় নেদারল্যান্ডস।
ডাচদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডস। এছাড়া বাস ডে লেডে ৩০ এবং কলিন আকারম্যান ২০ রান যোগ করেন। পাকিস্তানের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন সালমান মির্জা, মাত্র ২৪ রান খরচায় তুলে নেন ৩টি উইকেট। এছাড়া আবরার আহমেদ, সাইম আইয়ুব এবং মোহাম্মদ নওয়াজ প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট শিকার করেন।
১৪৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তানের শুরুটা ইতিবাচক ছিল। ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ৩১ বলে ৪৭ রানের একটি ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। সাইম আইয়ুব করেন ২৪ রান। কিন্তু এরপরই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে পাকিস্তান।
ফর্মহীনতায় ভুগতে থাকা বাবর আজম ১৮ বলে মাত্র ১৫ রান করে ফেরেন। দ্রুত সাজঘরে ফেরেন উসমান খান, শাদাব খান ও মোহাম্মদ নওয়াজও।
জয়ের জন্য শেষ দুই ওভারে পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ২৯ রান। এই কঠিন মুহূর্তে ত্রাতা হিসেবে অবতীর্ণ হন ফাহিম আশরাফ। ১৯তম ওভারের প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকিয়ে চাপ কমান তিনি। এরপরের বলে ক্যাচ তুলে দিয়েও বেঁচে যান ডাচ ফিল্ডারের ভুলে। সেই জীবন পাওয়ার পর আর পেছন ফিরে তাকাননি ফাহিম।
পরপর দুটি ছক্কা ও দুটি চারে দলের জয় নিশ্চিত করেই মাঠ ছাড়েন এই অলরাউন্ডার। মাত্র ১১ বলে ২৯ রানের অপরাজিত বিধ্বংসী ইনিংস খেলে তিনিই হয়েছেন দলের জয়ের নায়ক।

শৈশব থেকেই জয়িতার স্বভাব ছিল একটু আলাদা। চ্যালেঞ্জ নিতে ভালোবাসতেন, নতুন কিছু করতে আগ্রহী ছিলেন। তার নামের সঙ্গে যেন তার ব্যক্তিত্বের অদ্ভুত মিল- জয়িতা, অর্থাৎ যিনি জয় করতে জানেন। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে জয়ী হওয়ার এক অদম্য প্রত্যয় তাকে এগিয়ে নিয়ে গেছে আজকের অবস্থানে।
৩ দিন আগে
সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচে জয়ের কোনো বিকল্প ছিল না। এমন ‘ডু অর ডাই’ লড়াইয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে নিউজিল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে ১-১ সমতা ফেরাল স্বাগতিকরা। ৮৭ বল হাতে রেখে পাওয়া এই জয়ে আগামী বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচটি কার্যত অলিখিত ফাইনালে পরিণত হয়েছে।
৪ দিন আগে
এ ম্যাচে দলে এসেছে একটি পরিবর্তন। আগের ম্যাচে মিডল অর্ডারে নেমে ম্যাচের গতির সঙ্গে বেমানান ব্যাটিং করা আফিফ হোসেনকে বাদ দেওয়া হয়েছে একাদশ থেকে। তার জায়গায় ফিরছেন সৌম্য সরকার।
৫ দিন আগে
দেশ-বিদেশের ফাইটিং স্টারদের ফাইট দেখতে দর্শকদের গুঞ্জরণে মুখরিত হয়ে ছিল জুলকান ইনডোর অ্যারেনা। এই প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তানভীর বসুন্ধরা গ্রুপের (টিবিজি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আহমেদ ইব্রাহিম সোবহান।
৬ দিন আগে