
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

রুদ্ধশ্বাস নাটকীয়তায় ভরা এক ম্যাচে মূল খেলা টাই হওয়ার পর দুই দফা সুপার ওভারের লড়াই শেষে আফগানিস্তানকে হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। টানা দ্বিতীয় জয় পেল প্রোটিয়ারা, আর টানা দ্বিতীয় হার আফগানদের।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) আহমেদাবাদে ‘ডি’ গ্রুপের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার ৬ উইকেটে ১৮৭ রানের জবাব দিতে নেমে আফগানিস্তান ২ বল বাকি থাকতে ১৮৭ রানে অলআউট হয়ে যায়। এরপর সুপার ওভারে আফগানিস্তান বিনা উইকেটে ১৭ রান করার পর দক্ষিণ আফ্রিকা ১ উইকেটে ১৭ রান করে। দ্বিতীয় সুপার ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকা আগে ব্যাট করে বিনা উইকেটে ২৩ রান করে।
আফগানিস্তান জবাব দিতে নেমে প্রথম বল ২ বলে কোনো রান না নিয়ে মোহাম্মদ নবীর উইকেট হারায়। কেশভ মহারাজের পরের তিন বলে রহমতউল্লাহ গুরবাজ টানা ছক্কা মেরে শেষ বলে জয়ের জন্য সমীকরণ সেই ছক্কায় নামিয়ে আনেন।
শেষ বল মহারাজ ওয়াইড করলে জয়ের জন্য ৫, সেই ছক্কারই প্রয়োজন পড়ে আফগানিস্তানের। কারণ দৌড়ে ৫ রান নেওয়া সম্ভব নয়। ওয়াইড হওয়ার ফলে আফগানিস্তানের সামনে ম্যাচ আবার টাই করার সুযোগ চলে আসে যদি বাউন্ডারি মারতে পারে। কিন্তু এবার গুরবাজ আউটই হয়ে যান মিলার ক্যাচ ধরলে। এর মাধ্যমে শেষ হয় রুদ্ধশ্বাস এক ম্যাচ। ‘ডি’ গ্রুপের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার এটি ছিল টানা দ্বিতীয় জয়। বিপরীতে আফগানিস্তানের ছিল টানা দ্বিতীয় হার।
আহমেদাবাদে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা ৬ উইকেটে ১৮৭ রান করে। রিকলটন ২৮ বলে ৪ ছক্কা ও ৫ চারে ৬১, ডি কক ৪১ বলে ৩ ছক্কা ও ৫ চারে ৫৯ রান করেন। আজমতউল্লাহ ওমরজাই ৪১ রানে ৩টি ও রশিদ খান ২৮ রানে ২টি উইকেট নেন।
জবাব দিতে নেমে ওপেনার রহমতউল্লাহ গুরবাজের ৪২ বলে ৭ ছক্কা ও ৪ চারে ৮৯ রানের ইনিংসে ভর করে আফগানিস্তান জয়ের পথেই ছিল। শেষ ওভারে তাদের প্রয়োজন পড়ে ১২ রানের। হাতে শেষ উইকেট। ক্রিজে নুর আহমেদ ও ফজলহক ফারুকী।
রাবাদার করা সেই ওভারের প্রথম দুই বল ছিল নো ও ওয়াইড। তৃতীয় বলে কোনো রান না হলেও চতুর্থ বলে নুর আহমেদ ছক্কা মেরে ব্যবধান ৬ রানে নামিয়ে আনেন। চতুর্থ বলে আবার কোনো রান হয়নি। পঞ্চম বলটি নো হয়। আফগানিস্তান ৩ রান সংগ্রহ করে। রান সমান হয়ে যায়। ফলে শেষ ২ বলে প্রয়োজন পড়ে ১ রানের। কিন্তু ফজলহক ফারুকী রানআউট হয়ে গেলে ম্যাচ টাই হয়ে যায়। আগের ম্যাচে হ্যাটট্রিক করা ম্যাচসেরা এনগিডি ২৬ রানে নেন ৩ উইকেট। এরপর আসে সেই রুদ্ধশ্বাস ভরা প্রথম ও দ্বিতীয় সুপার ওভার।

রুদ্ধশ্বাস নাটকীয়তায় ভরা এক ম্যাচে মূল খেলা টাই হওয়ার পর দুই দফা সুপার ওভারের লড়াই শেষে আফগানিস্তানকে হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। টানা দ্বিতীয় জয় পেল প্রোটিয়ারা, আর টানা দ্বিতীয় হার আফগানদের।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) আহমেদাবাদে ‘ডি’ গ্রুপের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার ৬ উইকেটে ১৮৭ রানের জবাব দিতে নেমে আফগানিস্তান ২ বল বাকি থাকতে ১৮৭ রানে অলআউট হয়ে যায়। এরপর সুপার ওভারে আফগানিস্তান বিনা উইকেটে ১৭ রান করার পর দক্ষিণ আফ্রিকা ১ উইকেটে ১৭ রান করে। দ্বিতীয় সুপার ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকা আগে ব্যাট করে বিনা উইকেটে ২৩ রান করে।
আফগানিস্তান জবাব দিতে নেমে প্রথম বল ২ বলে কোনো রান না নিয়ে মোহাম্মদ নবীর উইকেট হারায়। কেশভ মহারাজের পরের তিন বলে রহমতউল্লাহ গুরবাজ টানা ছক্কা মেরে শেষ বলে জয়ের জন্য সমীকরণ সেই ছক্কায় নামিয়ে আনেন।
শেষ বল মহারাজ ওয়াইড করলে জয়ের জন্য ৫, সেই ছক্কারই প্রয়োজন পড়ে আফগানিস্তানের। কারণ দৌড়ে ৫ রান নেওয়া সম্ভব নয়। ওয়াইড হওয়ার ফলে আফগানিস্তানের সামনে ম্যাচ আবার টাই করার সুযোগ চলে আসে যদি বাউন্ডারি মারতে পারে। কিন্তু এবার গুরবাজ আউটই হয়ে যান মিলার ক্যাচ ধরলে। এর মাধ্যমে শেষ হয় রুদ্ধশ্বাস এক ম্যাচ। ‘ডি’ গ্রুপের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার এটি ছিল টানা দ্বিতীয় জয়। বিপরীতে আফগানিস্তানের ছিল টানা দ্বিতীয় হার।
আহমেদাবাদে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা ৬ উইকেটে ১৮৭ রান করে। রিকলটন ২৮ বলে ৪ ছক্কা ও ৫ চারে ৬১, ডি কক ৪১ বলে ৩ ছক্কা ও ৫ চারে ৫৯ রান করেন। আজমতউল্লাহ ওমরজাই ৪১ রানে ৩টি ও রশিদ খান ২৮ রানে ২টি উইকেট নেন।
জবাব দিতে নেমে ওপেনার রহমতউল্লাহ গুরবাজের ৪২ বলে ৭ ছক্কা ও ৪ চারে ৮৯ রানের ইনিংসে ভর করে আফগানিস্তান জয়ের পথেই ছিল। শেষ ওভারে তাদের প্রয়োজন পড়ে ১২ রানের। হাতে শেষ উইকেট। ক্রিজে নুর আহমেদ ও ফজলহক ফারুকী।
রাবাদার করা সেই ওভারের প্রথম দুই বল ছিল নো ও ওয়াইড। তৃতীয় বলে কোনো রান না হলেও চতুর্থ বলে নুর আহমেদ ছক্কা মেরে ব্যবধান ৬ রানে নামিয়ে আনেন। চতুর্থ বলে আবার কোনো রান হয়নি। পঞ্চম বলটি নো হয়। আফগানিস্তান ৩ রান সংগ্রহ করে। রান সমান হয়ে যায়। ফলে শেষ ২ বলে প্রয়োজন পড়ে ১ রানের। কিন্তু ফজলহক ফারুকী রানআউট হয়ে গেলে ম্যাচ টাই হয়ে যায়। আগের ম্যাচে হ্যাটট্রিক করা ম্যাচসেরা এনগিডি ২৬ রানে নেন ৩ উইকেট। এরপর আসে সেই রুদ্ধশ্বাস ভরা প্রথম ও দ্বিতীয় সুপার ওভার।

ফিফার সবশেষ আপডেট অনুযায়ী, পুরুষ ফুটবল দলগুলোর মধ্যে র্যাংকিংয়ে শীর্ষস্থানে রয়েছে কিলিয়ান এমবাপ্পের ফ্রান্স। দ্বিতীয় স্থান লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনার। অন্যদিকে তৃতীয় স্থানে রয়েছে লামিনা ইয়ামালের স্পেন। আর হ্যারি কেইনের ইংল্যান্ড রয়েছে চতুর্থ স্থানে। সে হিসাবে র্যাংকিংয়ের প্রথম ও তৃতীয় দল মুখোমুখি হ
২ দিন আগে
মেসির কর্নার থেকে হেড করে দলকে এগিয়ে নিলেন ম্যাক আলিস্টার। এরপর পুরো ম্যাচে মেসি যেন ঘুরলেন নিজের ছায়া হয়ে। আর্জেন্টিনাকেও মনে হলো অনেকটাই ছন্নছাড়া। এর মধ্যে সমতায় ফিরল সুইজারল্যান্ড। এক সুইস ফুটবলার লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লেন। শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত ৩০ মিনিটের খেলায় গিয়ে শেষ ৮ মিনিটে হুলিয়ান আলভারেজ আ
২ দিন আগে
ম্যাচের মাত্র ১০ মিনিটেই মেসির দারুণ এক কর্নারে হেড করে লিড এনে দিয়েছিলেন ম্যাক আলিস্টার। এরপর আর আক্রমণে সমন্বয় ধরে রাখতে পারেনি আর্জেন্টিনা। উলটো ৬৭ মিনিটে পালটা আক্রমণ থেকে গোল খেয়ে বসে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। সমতায় ফেরার পর সুইজারল্যান্ডের ব্রিল এমবোলো লাল কার্ড খেয়ে মাঠ ছাড়েন। কিন্তু ৯০ মিনিটের খেলা
২ দিন আগে
প্রথমার্ধের ৪৫ মিনিট শেষে ইনজুরি টাইমে একবার, আরেকবার ৯০ মিনিটের খেলা শেষে অতিরিক্ত সময়ে— বেলিংহামের দুই গোলেই স্বপ্ন ভেঙেছে নরওয়ের। শেষ আটে এসে থেমেছে বিশ্বকাপের স্বপ্নযাত্রা। ইংল্যান্ড পৌঁছে গেছে সেমিফাইনালে। অবশ্য ইংল্যান্ডের প্রথম গোলের আগে বল তারে লেগে দিক পরিবর্তন হওয়া আর নরওয়ের একটি গোল বাতিল
২ দিন আগে