
ক্রীড়া ডেস্ক

লক্ষ্যটা ছিল আগের ম্যাচের চেয়েও কম। তবে নাটকীয়তায় আগের ম্যাচকেও ছাড়িয়ে গেল সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচটি। আগের ম্যাচে শেষ পর্যন্ত নুরুল হাসান সোহানের সঙ্গী হয়ে ব্যাট হাতে ম্যাচ জেতাতে হয়েছিল লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেনকে। এ ম্যাচেও সোহানের সঙ্গী হতে হলো আরেক বোলারকে, এবার তিনি পেসার শরিফুল। তার ক্যামিওতেই শেষ পর্যন্ত ৫ বল হাতে রেখে ম্যাচ জিতল বাংলাদেশ।
এ জয়ের মাধ্যমে ৩ ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজও এক ম্যাচ হাতে রেখেই জিতল বাংলাদেশ। ব্যাটিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্যামিওর আগে বল হাতেও ৪ ওভারে মাত্র ১৩ রান দিয়ে একটি উইকেট নিয়ে দুর্দান্ত ছিলেন শরিফুল। ম্যাচসেরার পুরস্কারও উঠেছে তারই হাতে।
শুক্রবার (৩ অক্টোবর) সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহতে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ-আফগানিস্তান। সিরিজে টিকে থাকতে এ ম্যাচে জয়ের বিকল্প ছিল না রশিদ খানদের। টসে হেরে বাংলাদেশ বোলিং বেছে নিলে তাদের শুরুটা খারাপও হয়নি। উদ্বোধনী জুটিতেই আসে ৫৫ রান। তবে রানের গতি ছিল কিছুটা মন্থর।
১৯ বলে ২৩ রান করা সেদিকউল্লাহ অটল অষ্টম ওভারের পঞ্চম বলে রিশাদ হোসেনের বলে ক্যাচ তুলে আউট হলে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। দলীয় ৭১ রানের মাথায় আরেক ওপেনার ইব্রাহিম জাদরানকে একাদশ ওভারের তৃতীয় বলে ফেরান নাসুম আহমেদ। ৩৭ বলে ৩৮ রান করে তিনিই আফগান ইনিংসের সর্বোচ্চ স্কোরার।
পরের ওভারেই ওয়াফিউল্লাহ তারাখিলকে ফেরান রিশাদ। তিনি করেন ৪ বলে ১ রান। চতুর্দশ ওভারে ৯ বলে ১৪ রান করা দারবিশ রসুলকে ফেরান নাসুম। ৩-এ ব্যাটিংয়ে নামা রহমানুল্লাহ গুরবাজ অনেকটা সময় ক্রিজে ছিলেন। ২২ বলে ৩০ রান করার পর সপ্তদশ ওভারে শরিফুলের শিকার হন তিনি।
এরপর আজমতউল্লাহ ওমরজাই আর মোহাম্মদ নবির জুটি ভাঙতে পারেননি বাংলাদেশি বোলাররা। ২২ বলে ২৯ রানের জুটি গড়ে তারা দলের রান দেড় শর কাছাকাছি নিয়ে যান। ১৭ বলে ১৯ রানে অপরাজিত ছিলেন ওমরজাই, ১২ বলে ২০ করে অপরাজিত ছিলেন নবি।
বাংলাদেশের পক্ষে দুটি করে উইকেট নেন নাসুম আহমেদ ও রিশাদ হোসেন। নাসুম ৪ ওভারে ২৫ রান দিলেও রিশাদ ছিলেন খরুচে, ৪ ওভারে দেন ৪৫ রান। শরিফুল একটি উইকেট পেলেও ৪ ওভারে রান দেন মাত্র ১৩। অন্যদিকে মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন ৪ ওভারে ২২ রান দিয়েও উইকেটের দেখা পাননি। উইকেট পাননি মোস্তাফিজও, তিনি ৪ ওভারে দেন ৪০ রান।
১৪৮ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা একদমই ভালো হয়নি বাংলাদেশের। আগের ম্যাচে দুই ওপেনার অর্ধশত রান তুলে নিলেও এ দিন ব্যর্থ দুজনেই। তানজিদ হাসান ৭ বলে ২ আর পারভেজ হোসেন ইমন ৫ বলে ২ করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। ৩-এ নামা সাইফ হাসানও খুব বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারেননি। ১৪ বলে ১৮ রান করে আউট হন তিনি।
২৪ রানেই ৩ উইকেট হারানো বাংলাদেশকে টেনে তোলার কাজটি করেন ক্যাপ্টেন জাকের আলী ও শামীম হোসেন। তাদের দুজনের ৩৭ বলে ৫৬ রানের জুটি বাংলাদেশকে জয়ের পথে এগিয়ে দেয়। এই জুটি ভাঙলে অবশ্য ফের বাংলাদেশের ভঙ্গুর মিডল ওভারে মড়ক লাগে।
দলীয় ৮০ রানের মাথায় জাকের আউট হয়ে যান ২৫ বলে ৩২ রান করে। ১০২ রানের মাথায় শামীম আউট হন ২২ বলে ৩৩ রান করে। এরপর ১২২ রানের মাথায় নাসুম আহমেদ (১১ বলে ১০ রান), ১২৭ রানের মাথায় সাইফুদ্দিন (২ বলে ৪ রান) আর ১২৯ রানের মাথায় রিশাদকে (২ বলে ২ রান) আউট করে ম্যাচে ফেরে আফগানিস্তান। ৮ উইকেট হারানো বাংলাদেশের তখনো জয়ের জন্য প্রয়োজন ১৯ রান।
স্নায়ুর চাপ অবশ্য শেষ পর্যন্ত ধরে রাখতে পেরেছেন নুরুল হাসান সোহান আর শরিফুল। মাত্র ৮ বলেই ২১ রানের জুটি গড়ে তারা জয় নিশ্চিত করেন বাংলাদেশের। আগের ম্যাচের মতোই সোহান ২১ বলে ৩১ রানের কার্যকর একটি ইনিংস খেলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন দলের জয়ে। শরিফুলের ৬ বলে অপরাজিত ১১ রানের ক্যামিওর কথা তো বলাই বাহুল্য।
এই দুজনের দৃঢ়তাতেই শেষ পর্যন্ত ওমরজাইয়ের ২৩ রানের ৪ উইকেট আর রশিদ খানের ২৯ রানে ২ উইকেটের দুর্দান্ত বোলিং কাজে আসেনি। ৪ ওভারে ১৮ রান দিয়ে ১ উইকেট নেওয়া মুজিব উর রহমানের বোলিংও দলকে জয় এনে দিতে পারেনি।

লক্ষ্যটা ছিল আগের ম্যাচের চেয়েও কম। তবে নাটকীয়তায় আগের ম্যাচকেও ছাড়িয়ে গেল সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচটি। আগের ম্যাচে শেষ পর্যন্ত নুরুল হাসান সোহানের সঙ্গী হয়ে ব্যাট হাতে ম্যাচ জেতাতে হয়েছিল লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেনকে। এ ম্যাচেও সোহানের সঙ্গী হতে হলো আরেক বোলারকে, এবার তিনি পেসার শরিফুল। তার ক্যামিওতেই শেষ পর্যন্ত ৫ বল হাতে রেখে ম্যাচ জিতল বাংলাদেশ।
এ জয়ের মাধ্যমে ৩ ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজও এক ম্যাচ হাতে রেখেই জিতল বাংলাদেশ। ব্যাটিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্যামিওর আগে বল হাতেও ৪ ওভারে মাত্র ১৩ রান দিয়ে একটি উইকেট নিয়ে দুর্দান্ত ছিলেন শরিফুল। ম্যাচসেরার পুরস্কারও উঠেছে তারই হাতে।
শুক্রবার (৩ অক্টোবর) সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহতে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ-আফগানিস্তান। সিরিজে টিকে থাকতে এ ম্যাচে জয়ের বিকল্প ছিল না রশিদ খানদের। টসে হেরে বাংলাদেশ বোলিং বেছে নিলে তাদের শুরুটা খারাপও হয়নি। উদ্বোধনী জুটিতেই আসে ৫৫ রান। তবে রানের গতি ছিল কিছুটা মন্থর।
১৯ বলে ২৩ রান করা সেদিকউল্লাহ অটল অষ্টম ওভারের পঞ্চম বলে রিশাদ হোসেনের বলে ক্যাচ তুলে আউট হলে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। দলীয় ৭১ রানের মাথায় আরেক ওপেনার ইব্রাহিম জাদরানকে একাদশ ওভারের তৃতীয় বলে ফেরান নাসুম আহমেদ। ৩৭ বলে ৩৮ রান করে তিনিই আফগান ইনিংসের সর্বোচ্চ স্কোরার।
পরের ওভারেই ওয়াফিউল্লাহ তারাখিলকে ফেরান রিশাদ। তিনি করেন ৪ বলে ১ রান। চতুর্দশ ওভারে ৯ বলে ১৪ রান করা দারবিশ রসুলকে ফেরান নাসুম। ৩-এ ব্যাটিংয়ে নামা রহমানুল্লাহ গুরবাজ অনেকটা সময় ক্রিজে ছিলেন। ২২ বলে ৩০ রান করার পর সপ্তদশ ওভারে শরিফুলের শিকার হন তিনি।
এরপর আজমতউল্লাহ ওমরজাই আর মোহাম্মদ নবির জুটি ভাঙতে পারেননি বাংলাদেশি বোলাররা। ২২ বলে ২৯ রানের জুটি গড়ে তারা দলের রান দেড় শর কাছাকাছি নিয়ে যান। ১৭ বলে ১৯ রানে অপরাজিত ছিলেন ওমরজাই, ১২ বলে ২০ করে অপরাজিত ছিলেন নবি।
বাংলাদেশের পক্ষে দুটি করে উইকেট নেন নাসুম আহমেদ ও রিশাদ হোসেন। নাসুম ৪ ওভারে ২৫ রান দিলেও রিশাদ ছিলেন খরুচে, ৪ ওভারে দেন ৪৫ রান। শরিফুল একটি উইকেট পেলেও ৪ ওভারে রান দেন মাত্র ১৩। অন্যদিকে মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন ৪ ওভারে ২২ রান দিয়েও উইকেটের দেখা পাননি। উইকেট পাননি মোস্তাফিজও, তিনি ৪ ওভারে দেন ৪০ রান।
১৪৮ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা একদমই ভালো হয়নি বাংলাদেশের। আগের ম্যাচে দুই ওপেনার অর্ধশত রান তুলে নিলেও এ দিন ব্যর্থ দুজনেই। তানজিদ হাসান ৭ বলে ২ আর পারভেজ হোসেন ইমন ৫ বলে ২ করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। ৩-এ নামা সাইফ হাসানও খুব বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারেননি। ১৪ বলে ১৮ রান করে আউট হন তিনি।
২৪ রানেই ৩ উইকেট হারানো বাংলাদেশকে টেনে তোলার কাজটি করেন ক্যাপ্টেন জাকের আলী ও শামীম হোসেন। তাদের দুজনের ৩৭ বলে ৫৬ রানের জুটি বাংলাদেশকে জয়ের পথে এগিয়ে দেয়। এই জুটি ভাঙলে অবশ্য ফের বাংলাদেশের ভঙ্গুর মিডল ওভারে মড়ক লাগে।
দলীয় ৮০ রানের মাথায় জাকের আউট হয়ে যান ২৫ বলে ৩২ রান করে। ১০২ রানের মাথায় শামীম আউট হন ২২ বলে ৩৩ রান করে। এরপর ১২২ রানের মাথায় নাসুম আহমেদ (১১ বলে ১০ রান), ১২৭ রানের মাথায় সাইফুদ্দিন (২ বলে ৪ রান) আর ১২৯ রানের মাথায় রিশাদকে (২ বলে ২ রান) আউট করে ম্যাচে ফেরে আফগানিস্তান। ৮ উইকেট হারানো বাংলাদেশের তখনো জয়ের জন্য প্রয়োজন ১৯ রান।
স্নায়ুর চাপ অবশ্য শেষ পর্যন্ত ধরে রাখতে পেরেছেন নুরুল হাসান সোহান আর শরিফুল। মাত্র ৮ বলেই ২১ রানের জুটি গড়ে তারা জয় নিশ্চিত করেন বাংলাদেশের। আগের ম্যাচের মতোই সোহান ২১ বলে ৩১ রানের কার্যকর একটি ইনিংস খেলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন দলের জয়ে। শরিফুলের ৬ বলে অপরাজিত ১১ রানের ক্যামিওর কথা তো বলাই বাহুল্য।
এই দুজনের দৃঢ়তাতেই শেষ পর্যন্ত ওমরজাইয়ের ২৩ রানের ৪ উইকেট আর রশিদ খানের ২৯ রানে ২ উইকেটের দুর্দান্ত বোলিং কাজে আসেনি। ৪ ওভারে ১৮ রান দিয়ে ১ উইকেট নেওয়া মুজিব উর রহমানের বোলিংও দলকে জয় এনে দিতে পারেনি।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের এই অনন্য সাফল্য আগামীতেও অব্যাহত থাকবে এবং তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলায় অনুপ্রাণিত করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।
৮ দিন আগে
ঘরের মাঠে সফরকারীদের স্রেফ উড়িয়ে দিয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে দাপুটে হোয়াইটওয়াশের স্বাদ নিল টাইগাররা। চট্টগ্রামের প্রথম টেস্টে জয়ের পর সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামেও দাপট ধরে রেখে ব্যাক-টু-ব্যাক হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবিয়েছে পাকিস্তানকে।
৮ দিন আগে
চতুর্থ মৌসুমে এসে শেষ পর্যন্ত পারলেন আর্তেতা, পারল আর্সেনাল। দীর্ঘ ২২ মৌসুম পর অবশেষে কাটল শিরোপা খরা। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের নতুন চ্যাম্পিয়ন আর্সেনাল। এটি তাদের ১৪তম লিগ শিরোপা।
৯ দিন আগে
শেষ দুই ওভার রিজওয়ান আর সাজিদ আলী নির্বিঘ্নে কাটিয়ে দিলে ৭ উইকেটে ৩১৬ রান নিয়ে দিন শেষ করেছে পাকিস্তান। জয়ের জন্য তাদের প্রয়োজন এখনো ১২১ রান। পাকিস্তানকে ব্যাক-টু-ব্যাক সিরিজে হোয়াইট ওয়াশ করতে বাংলাদেশের প্রয়োজন আর ৩ উইকেট।
৯ দিন আগে