
ক্রীড়া ডেস্ক

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য পাকিস্তানকে অনুরোধ করেছে শ্রীলংকা। ওই ম্যাচ না হলে শ্রীলংকার পর্যটন খাতে বড় ধাক্কা আসতে পারে বলে আশঙ্কা করছে দেশটি।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) শ্রীলংকার ক্রিকেট বোর্ড শ্রীলংকা ক্রিকেটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) অ্যাশলে ডি সিলভা বলেন, ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচের জন্য সব নিরাপত্তা ব্যবস্থা, হোটেল বুকিং ও টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। আমরা পাকিস্তানকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছি।
বার্তা সংস্থা এপির খবরে বলা হয়েছে, বছর ছয়েক আগে বড় ধরনের আর্থিক সংকটের মুখে পড়েছিল শ্রীলংকা। রীতিমতো দেউলিয়া হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা থেকে বছর দুয়েক হলো ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে দেশটি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এ ক্ষেত্রে তাদের জন্য বড় ধরনের সহায়ক হবে বলে ধারণা করা হচ্ছিল। বিশেষ করে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ঘিরে বাড়তি উত্তেজনা থাকায় এ ম্যাচটিকে পাখির চোখ করেছিল তারা।
এর মধ্যে নিরাপত্তার কারণে ম্যাচ ভারতের বদলে শ্রীলংকায় স্থানান্তরের দাবি জানিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) স্বাধীন মূল্যায়নে ভারতে বাংলাদেশের জন্য কোনো নিরাপত্তা সমস্যা পায়নি। ফলে বাংলাদেশ ভারতে গিয়ে না খেলার বিষয়ে অনড় থাকলে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়া হয় বিশ্বকাপ থেকে। বাংলাদেশের বদলে এখন বিশ্বকাপ খেলবে স্কটল্যান্ড।
আইসিসির এ সিদ্ধান্তের পর ভারতের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে না বলে ঘোষণা দেয় পাকিস্তান। বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার পর বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানাতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান খোদ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শোহবাজ শরিফ।
পাকিস্তানের অভিযোগ, সাম্প্রতিক টুর্নামেন্টগুলোতে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিরপেক্ষ মাঠে খেলার সুযোগ দিলেও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে আইসিসির নীতিতে দ্বৈততা রয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের সুসম্পর্কের কথা উল্লেখ করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে চিঠি দিয়েছে শ্রীলংকা ক্রিকেট। ২০০৯ সালে লাহোরে শ্রীলংকা দলের বাসে সন্ত্রাসী হামলার পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরিয়ে আনতে শ্রীলংকাই প্রথম পাকিস্তান সফর করেছিল।

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য পাকিস্তানকে অনুরোধ করেছে শ্রীলংকা। ওই ম্যাচ না হলে শ্রীলংকার পর্যটন খাতে বড় ধাক্কা আসতে পারে বলে আশঙ্কা করছে দেশটি।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) শ্রীলংকার ক্রিকেট বোর্ড শ্রীলংকা ক্রিকেটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) অ্যাশলে ডি সিলভা বলেন, ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচের জন্য সব নিরাপত্তা ব্যবস্থা, হোটেল বুকিং ও টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। আমরা পাকিস্তানকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছি।
বার্তা সংস্থা এপির খবরে বলা হয়েছে, বছর ছয়েক আগে বড় ধরনের আর্থিক সংকটের মুখে পড়েছিল শ্রীলংকা। রীতিমতো দেউলিয়া হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা থেকে বছর দুয়েক হলো ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে দেশটি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এ ক্ষেত্রে তাদের জন্য বড় ধরনের সহায়ক হবে বলে ধারণা করা হচ্ছিল। বিশেষ করে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ঘিরে বাড়তি উত্তেজনা থাকায় এ ম্যাচটিকে পাখির চোখ করেছিল তারা।
এর মধ্যে নিরাপত্তার কারণে ম্যাচ ভারতের বদলে শ্রীলংকায় স্থানান্তরের দাবি জানিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) স্বাধীন মূল্যায়নে ভারতে বাংলাদেশের জন্য কোনো নিরাপত্তা সমস্যা পায়নি। ফলে বাংলাদেশ ভারতে গিয়ে না খেলার বিষয়ে অনড় থাকলে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়া হয় বিশ্বকাপ থেকে। বাংলাদেশের বদলে এখন বিশ্বকাপ খেলবে স্কটল্যান্ড।
আইসিসির এ সিদ্ধান্তের পর ভারতের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে না বলে ঘোষণা দেয় পাকিস্তান। বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার পর বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানাতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান খোদ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শোহবাজ শরিফ।
পাকিস্তানের অভিযোগ, সাম্প্রতিক টুর্নামেন্টগুলোতে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিরপেক্ষ মাঠে খেলার সুযোগ দিলেও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে আইসিসির নীতিতে দ্বৈততা রয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের সুসম্পর্কের কথা উল্লেখ করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে চিঠি দিয়েছে শ্রীলংকা ক্রিকেট। ২০০৯ সালে লাহোরে শ্রীলংকা দলের বাসে সন্ত্রাসী হামলার পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরিয়ে আনতে শ্রীলংকাই প্রথম পাকিস্তান সফর করেছিল।

বিশ্বকাপের পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের ঢাকায় এসে বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আগামী ৬ অক্টোবর ম্যাচটি আয়োজনের বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়াল।
৫ দিন আগে
ডারউইনে দাপুটে জয়ের পর ম্যাকাইয়ে এসে ব্যাটিংয়ে পুরোপুরি ভেঙে পড়ল বাংলাদেশ। দুই ইনিংস মিলিয়েও অস্ট্রেলিয়ার করা ২১০ রান টপকাতে পারেনি নাজমুল হোসেন শান্তর দল। গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায় স্বাগতিকদের কাছে ইনিংস ও ৫১ রানে হেরে ১-১ সমতায় দুই টেস্টের সিরিজ শেষ করেছে বাংলাদেশ।
৬ দিন আগে
রোববার (২৩ আগস্ট) ম্যাকাই টেস্টের দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশন চলাকালে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৫৫ রান। উইকেটে মুশফিকুর রহিম রয়েছেন ৪৭ বলে ১২ রান করে। মাত্রই নেমেছেন লিটন দাস। এখনো বাংলাদেশ পিছিয়ে রয়েছে ৯১ রানে। অর্থাৎ ইনিংস পরাজয় এড়াতেই বাংলাদেশের এখনো প্রয়োজন ৯১ রান।
৬ দিন আগে
স্টিভেন স্মিথ ও ক্যামেরন গ্রিনের জুটিতে কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। শেষ পর্যন্ত ১০১ রানের লিড নিয়ে দিন শেষ করেছে অজিরা, হাতে রয়েছে মাত্র ২ উইকেট। বাংলাদেশের হয়ে একাই ছয় উইকেট নিয়েছেন শরীফুল ইসলাম। এর আগে মিচেল স্টার্কের বিধ্বংসী বোলিংয়ে মাত্র ৬৪ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস।
৭ দিন আগে