শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে এইচএসসি ও সমমানের স্থগিত পরীক্ষাগুলো বাতিল করেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। এ পরীক্ষাগুলো আর না হওয়ায় কীভাবে ফলাফল তৈরি ও প্রকাশ করা হবে, তা নিয়ে জানতে উদগ্রীব পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
দেশের সব কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে র্যাগিংয়ের ঠেকাতে ‘অ্যান্টি র্যাগিং কমিটি’ গঠন ও র্যাগিং বন্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে বুধবার (২১ আগস্ট) বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ
দেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় চলমান এইচএসসি ও সমমানের স্থগিত সব পরীক্ষা বাতিল করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এছাড়া ফলাফল কীভাবে ঘোষণা করা হবে, সে সিদ্ধান্ত পরে নেওয়া হবে। এবার সেই পরীক্ষা ফেরাতে আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন নটর ডেম কলেজের শিক্ষার্থীরা। তারা চান, পরীক্ষা নেওয়া হোক।
মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তরিকুল ইসলামের আদালতে মামলাটি করেন নিহত কলেজ ছাত্রের মা কুলছুমা আক্তার। এ সময় আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে সূত্রাপুর থানা পুলিশকে অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) উপাচার্য ও প্রক্টরের পদত্যাগের পর সহকারী প্রক্টর এবং হল প্রভোস্টসহ আরও ১৭ জন দায়িত্ব ছেড়েছেন।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে এইচএসসি ও সমমানের স্থগিত পরীক্ষাগুলো বাতিল করা হয়েছে। এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল কীভাবে দেওয়া হবে, সে সিদ্ধান্ত পরে হবে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার আজ মঙ্গলবার এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “বাকি পরীক্ষাগুলো আর হবে না। ফলাফল কীভাবে দেওয়া হবে সে স
দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এখন থেকে নতুন শপথ বাক্য পাঠ করাতে হবে। দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং পিটিআইয়ের প্রাত্যহিক সমাবেশকালে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর নতুন শপথবাক্য পাঠের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এইচএসসি ও সমমানের স্থগিত পরীক্ষাগুলো নতুন সময়সূচি অনুযায়ী আগামী ১১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরুর পরিকল্পনা করেছিল শিক্ষা বোর্ডগুলো। কিন্তু পরীক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে এই সময়সূচি বাতিল হতে পারে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পরীক্ষার্থীরা চান, ইতিমধ্যে যে কয়টি বিষয়ের পরীক্ষা হয়েছে, তার ভিত্তিতে পরীক্ষার ফল প্রকাশ কর
বিএসপিইউএ সভাপতি অধ্যাপক সোবহানী উচ্চশিক্ষায় গুণগত মানোন্নয়নে বিশেষ করে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈষম্য দূরীকরণে তাদের দাবি পেশ করেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের শিক্ষা ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা অর্থনীতিবিদ ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি বা অভিভাবক নিরুদ্দেশ। এই দেশে এই মুহূর্তে ৫৬ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৪০টির বেশি ভিসিসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নিরুদ্দেশ।
দ্বিতীয় মেয়াদে নিয়োগ পাওয়ার মাত্র দেড় মাসের মাথায় পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. সত্য প্রসাদ মজুমদার। রোববার (১৮ আগস্ট) দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এ পদত্যাগপত্র পাঠান তিনি। পদত্যাগপত্রে তিনি ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়েছেন।
সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলেছে আজ রোববার। একই দিনে খুলেছে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। গত ১৫ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক নির্দেশনায় ১৮ আগস্ট থেকে বিশ্ববিদ্যালয়সহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার কথা জানানো হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর, দক্ষিণ, শহিদ ফরহাদ ও ইন্টারন্যাশনাল ইত্যাদি হলে এ অভিযান চালানো হয়। এ সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঢাকা কলেজের অন্যতম সমন্বয়ক রাকিব হোসেন বলেন, যেহেতু আগামী ২০ তারিখ থেকে আমাদের হলগুলোতে সিট বরাদ্দ দেবে, তাই আমরা হলগুলো ক্লিন করার চেষ্টা করছি।
জানা গেছে, ২০২২ সালের ২৩ ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত দ্বিতীয় মেয়াদে ড. আজাদকে প্রক্টর পদে পুনঃনিয়োগ দেন তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম। পরে ২৯ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী আরও এক বছরের জন্য তাকে নিয়োগ দেন উপাচার্য। এদিকে এ বছরের ৩০ মার্চ এক বছরের জন্য অধ্যাপক ড. বাকী বিল্লাহকে
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে যবিপ্রবির বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব একাডেমিক ভবনের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল (মার্চ টু প্রশাসনিক ভবন) শুরু করে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে সমাবেশ করেন আন্দোলনকারীরা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তারা বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে স্বৈরাচার সরকারের পতন করলেও পরবর্তীতে নানা ধরনের সমন্বয়হীনতা দেখা দিয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে সমন্বয়করা জবাবদিহিতা করছে না এবং নানা ধরনের সাফাই দিচ্ছেন যা অনেকাংশেই একপাক্ষিক। প্রথম থেকেই যেসব সমন্বয়হীনতা ও অপরাজনীত
অফিস আদেশে বলা হয়, গত ১৪ আগষ্ট অনুষ্ঠিত ডিন কাউন্সিলের জরুরি সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ে সকল রাজনৈতিক সংগঠন এবং এর কার্যক্রমকে নিষিদ্ধ করা হলো। কোন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী কোন ধরনের রাজনৈতিক সংগঠন ও এর কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ততা থাকলে তার বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযা