সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, নির্বাচনে আমি অনেক অনিয়ম দেখেছি, যা প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। আমার মতামতের সুরাহা না করেই ভোট গণনা শুরু হয়। এ অবস্থায় নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন সম্ভব নয়।
জাকসু নির্বাচনকে নিয়ে গত তিনদিন নানা নাটকীয় পরিবেশ তৈরি হয়। ওই দিন সকাল থেকে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠে নির্বাচন নিয়ে। বিকেলে নির্বাচন বয়কট করেছেন ছাত্রদলসহ চারটি প্যানেল। নির্বাচনে লেভেল প্লেইং ফিল্ড না থাকা ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে একজন নির্বাচন কমিশনারসহ বিএনপিপন্থি চার শিক্ষক পদত্যাগ করেছেন।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনের হল সংসদের ভোট গণনা শেষ হয়েছে। এখন চলছে কেন্দ্রীয় সংসদের ভোট গণনা।
ভিপি পদে ৯ ও জিএস পদে ৮ জন প্রার্থী ছিলেন। ছাত্রীদের ১০টি আবাসিক হলে ১৫০টি পদের মধ্যে ৫৯টিতে কোনো প্রার্থী ছিলেন না। একজন করে প্রার্থী ছিলেন ৬৭টি পদে। সে হিসেবে মাত্র ২৪টি পদে ভোট নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১টি হলের মধ্যে ২টি হলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন।
অনশনকারীদের দাবির বিষয়ে আলোচনা করতে এবং তাদের দেখতে আসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার, উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খানসহ অন্যান্য শিক্ষকরা। এসময় শিক্ষার্থীরা তাদের সাত দফা দাবি মেনে নিতে উপাচার্যকে অনুরোধ করেন। পরে রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর)
সংবাদ সম্মেলনে এ শিক্ষক বলেন, আমার সহকর্মীর (চারুকলার শিক্ষক জান্নাতুল ফেরদৌস) মৃত্যুর জন্য প্রশাসন দায়ী। যদি মেশিনে ভোট গণনা হতো হয়তো আমরা আমাদের সহকর্মীকে হারাতাম না। গত তিনদিন ধরে আমরা অমানুষিক পরিশ্রম করে যাচ্ছি। আমাদের কি পরিবার নেই? শারীরিক মানসিক ক্লান্তি নেই?
ঢাবি উপাচার্য বলেন, ডাকসু নির্বাচন শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি ছিল। শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে অংশীজনদের সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ নির্বাচন আয়োজন করে। একে আমরা ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের প্রতি ও এর মূল্যবোধের প্রতি সম্মান জানানোর একটি সুযোগ হিসেবে দেখি।
তানজিলা হোসাইন বৈশাখী অভিযোগ করে বলেন, তাজউদ্দীন হলে আমাদের ঢুকতে দেয়নি। তালিকায় ভোটারদের ছবি নেই, ২১ নং হলে মব সৃষ্টি করা হয়েছে। জাহানারা ইমাম হলে স্বতন্ত্র প্রার্থীর গায়ে হাত তোলা হয়েছে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে ছাত্রদল সমর্থিত সহ-সভাপতি (ভিপি) প্রার্থী মো. শেখ সাদী হাসান অভিযোগ করে বলেন, জামায়াতে ইসলামীর একটি অখ্যাত প্রতিষ্ঠান থেকে সরবরাহকৃত ব্যালট পেপার দিয়ে জাকসু নির্বাচন হচ্ছে। তিনি এতে কারচুপির আশঙ্কাও করছেন।
নির্বাচন উপলক্ষে ক্যাম্পাসের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য ১৫০০ পুলিশ, সাত প্লাটুন বিজিবি ও ৫ প্লাটুন আনসার ক্যাম্পাসের পরিসীমায় মোতায়েন থাকবে। এছাড়াও ক্যাম্পাসে যে কোনো অপ্রীতিকর ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা মোকাবিলায় আনসার এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ক্যাম্পাসে এবং ক্যাম্পাসের বাইরে অবস্থান কর
আবিদুল বলেন, ক্ষুদ্র জীবনে আমি এতদূর আসব কোনোদিন ভাবিনি। নির্বাচনের আগের রাতে খালেদ মুহিউদ্দিন ভাই আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, ৫ বছর পর নিজেকে কোথায় দেখতে চাই? আমি কোনো সদুত্তর দিতে পারিনি। আমি আসলে কোনোদিনই জানতাম না নিজেকে কোথায় দেখতে হবে, কোথায় দেখা উচিত। একের পর এক আন্দোলন-সংগ্রাম এসেছে, নিজেকে রাজপ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে সদস্য পদে সর্বাধিক ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন সাবিকুন নাহার তামান্না। তিনি ছাত্রশিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট প্যানেল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
ঢাবি শিক্ষার্থীদের এ রায়কে সম্মান জানিয়েছেন ছাত্রদল নেতা হামিম বলেছেন, শিক্ষার্থীরা যদি মনে করেন এটাই তাদের রায়, তবে সেটিকে তিনি সম্মান জানান।
ফলাফল ঘোষণার পর ফেসবুকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় সানজিদা তন্বি লিখেছেন, ‘‘আলহামদুলিল্লাহ... নির্বাচনী কঠিন যাত্রায় যারা আন্তরিকভাবে আমাকে হেল্প করেছো/করেছেন, তাদেরকে ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করব না। আর যারা ভোট দিয়েছেন, আমার ওপর আস্থা রেখেছেন; তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। আমি আপনাদের আস্থা রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা কর
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে ‘সম্প্রীতির ঐক্য’ প্যানেল থেকে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদপ্রার্থী ও ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি অমর্ত্য রায়ের প্রার্থিতা বাতিলকে ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও নির্বাচন কমিশনকে অবরুদ্ধ করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে অনন্যা বলেন, ‘আমি ১৯৭১ ও ২০২৪-এর পক্ষে, নারী-পুরুষ সমতার পক্ষে এবং সর্বোপরি সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক জাহাঙ্গীরনগরের পক্ষে সম্মিলিত ঐক্যের ডাক দিচ্ছি এবং এ সম্মিলিত ঐক্যের স্বার্থে আমি আমার নির্বাচনী প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিচ্ছি। আমি অঙ্গীকার করছি, যে সাপোর্ট, ভালোবাসা ও বিশ্বাস আমি
অধ্যাপক এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ‘আমার অফিসে নাকি মির্জা আব্বাস এসেছে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জন্য। আমি বলতে চাই, যে অভিযোগ করেছে তার বিরুদ্ধে মামলা করা উচিত এবং সে সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা বলেছে আমার সম্পর্কে।’