মীর জাফর, নবাবের সেনাপতি, ব্রিটিশদের সঙ্গে গোপনে চুক্তি করেন এবং যুদ্ধের সময় তার বাহিনীকে নিষ্ক্রিয় রাখেন। এই বিশ্বাসঘাতকতা নবাবের পরাজয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
নারীদের মধ্যে ইন্টারনেট ব্যবহারের হার এখনও পুরুষদের তুলনায় অনেক কম, এবং প্রযুক্তি ব্যবহারে তাঁদের সামাজিক প্রতিবন্ধকতাও রয়েছে।
প্রলাপস লাম্বার ইন্টারভার্টিব্রাল ডিস্ক (PLID)— সংক্ষেপে পি এল আইডি—একটি পরিচিত মেরুদণ্ডজনিত সমস্যা। এটি তখন ঘটে, যখন কোমরের হাড়ের (কশেরুকা) মাঝখানের নরম ডিস্ক স্বাভাবিক স্থানচ্যুতি হয়ে পাশের স্নায়ুর ওপর চাপ সৃষ্টি করে। ফলে দেখা দেয় কোমর ব্যথা, সায়াটিকা এবং পেশীর দুর্বলতাসহ একাধিক সমস্যা।
সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে নিরাপদ তথ্য বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। এর মাধ্যমে নাগরিকরা তাদের ডিজিটাল পরিচয়, কর প্রদান, ব্যাংকিং কার্যক্রম ও অন্যান্য সেবাগুলো নিরাপদে নিতে পারেন।
সকালের শুরুতে খালি পেটে সঠিক খাবার খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খালি পেটে খাওয়ার জন্য এমন কিছু খাবার নির্বাচন করা উচিত, যা শরীরে শক্তি যোগাবে, পুষ্টি সরবরাহ করবে, এবং হজমের জন্য সহায়ক হবে। নিচে খালি পেটে খাওয়ার জন্য কিছু উপযুক্ত খাবার সম্পর্কে আলোচনা করা হলো:
এভাবে ক্রমশ প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হয় জনগণের সরাসরি সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করতে। ইউনিয়ন পরিষদে চালু হয় ডিজিটাল সেন্টার—যেখান থেকে জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদ, জমির কাগজ, আবেদনপত্র, ছবি প্রিন্টিংসহ নানা সেবা পাওয়া যায় সহজে।
মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস যেমন বিকাশ, নগদ, উপায়—এসব ছড়িয়ে পড়েছে। তারপর এলো জাতীয় বিল ও সার্ভিস এগ্রিগেটর একপে (EkPay)। এই এক প্ল্যাটফর্ম থেকে সরকারি বিল, ফি সবকিছু পরিশোধ করা যায়: বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, টেলিফোন, ইন্টারনেট, স্কুল-কলেজের ফি, ভূমি উন্নয়ন কর—সব।
গ্রামে বা শহরে, যার হাতে স্মার্টফোন অথবা যার কাছে কম্পিউটার আছে—সবার জন্য সেবা এখন উন্মুক্ত। যাদের নেই, তারা ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার বা তথ্যকেন্দ্রের মাধ্যমে সহায়তা নিতে পারেন।
সানজানা মোবাইলটা হাতে নিয়ে দেখাতে দেখাতে বলল, ‘অ্যাপোস্টিল হলো এমন একটা সার্টিফিকেট, যেটা দিয়ে আমার দলিল আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পাবে। কোনো দূতাবাসে দৌড়ঝাঁপ করতে হবে না।
সবুজ গম্বুজ তলে সবুজ ঝালরে গোলকের মায়াবী নিশানা ঢেউ তোলে বারবার মনের গহীনে
খরচ হতো অনেক। ঢাকায় আসাযাওয়া ও থাকার খরচ জোগাড় করে যাত্রা শুরু করতে হতো। রিয়াদ বললো, “আমরা তো এখন অনলাইনে ফরম পূরণ করি। মোবাইল দিয়েই জমা দিয়ে দিই।
যখন কেউ লক্ষ্য করেন যে দূরের কিছু ঝাপসা দেখছেন, বা পড়ার সময় লেখার ওপর চোখ ফেললে বারবার চোখে পানি আসছে কিংবা আলোর তীব্রতা চোখে সহ্য হয় না—তখনই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
মোবাইল ভেরিফিকেশন করতে গিয়ে কয়েকবার চেষ্টা করতে হয়েছে। ফর্ম পূরণের সময় ঠিকানা মিলে না যাওয়ায় সংশোধন করতে হয়েছে।
ফরম পূরণ করে তিনি আপলোড করেন জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্ম সনদ, বিয়ের সনদ, ছবি ও ইউটিলিটি বিল। ছবি ছিল নির্ধারিত সাইজে (৪০×৫০ মিমি, JPEG ফরম্যাট, ৩০০ কেবি’র মধ্যে)। ছবি আপলোডে কিছু সমস্যা হলে হেল্পলাইনের পরামর্শে ঠিক করেন।
ওয়েবসাইটে ফি এবং প্রক্রিয়াকরণের সময় দুইজনের কারও চোখই এড়ায় না স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা তথ্য- সাধারণ প্রসেসিংয়ে ২১ থেকে ৩০ দিন এবং এক্সপ্রেস প্রসেসিংয়ে ৭ থেকে ১০ দিন।
কয়েক মিনিটের মধ্যেই রহিমা তার মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ, বিচারকের নাম, মামলার অবস্থা জানতে পারলেন ওই তরুণের মাধ্যমে।