এই পদ্ধতির কিছু সীমাবদ্ধতাও আছে। সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা হলো—এতে অনেক সময় জোট সরকার গঠনে দীর্ঘ সময় লাগে।
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর থেকেই ইরানের ওপর আরোপিত হয় অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক নিষেধাজ্ঞা।
হৃদরোগ বা হার্ট অ্যাটাক হঠাৎ করেই হয় বলে অনেকে মনে করেন, কিন্তু বাস্তবে অনেক সময় আগেভাগে কিছু সংকেত দেয় শরীর, যা যদি আমরা বুঝতে পারি, তাহলে অনেক বড় বিপদ থেকে নিজেদের রক্ষা করা সম্ভব।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আমেরিকান কবি ক্যার্ল স্যান্ডবার্গ তাঁর গ্রাস (Grass) কবিতায় ইতিহাসের বিখ্যাত যুদ্ধক্ষেত্রগুলোর কথা বলেন—ওয়াটারলু, গেটিসবার্গ, ভারডান।
বিশ্বসাহিত্যে এমন অসংখ্য উপন্যাস রয়েছে, যেগুলো যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লেখা হলেও তা শুধুই রাজনীতি বা কৌশলের গল্প নয়, বরং মানুষের গল্প।
হামাসের জন্ম হয়েছিল ইসরায়েলি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের ডাক হিসেবে। কিন্তু একে শুধু প্রতিরোধ বললে ভুল হবে। এটি ছিল ধর্ম, রাজনীতি আর সামাজিক সেবার এক অনন্য মিশেল।
আরাকান আর্মি গঠিত হয় ২০০৯ সালে। তখন রাখাইন রাজ্যের কিছু তরুণ শিক্ষিত যুবক নিজেদের জনগণের প্রতি অবিচার আর অবহেলার বিরুদ্ধে কিছু একটা করতে চাচ্ছিলেন।
সবকিছু শুরু হয় উনিশ শতকের শেষ দিকে ইউরোপে ‘জায়নবাদ’ নামক একটি রাজনৈতিক আন্দোলনের সূচনার মধ্য দিয়ে। এই আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল ইহুদি জনগণের জন্য একটি স্বতন্ত্র রাষ্ট্র গঠন করা।
মোসাদ্দেক ছিলেন এক সত্যিকার গণতান্ত্রিক নেতা। ১৯৫১ সালে তিনি যখন প্রধানমন্ত্রী হন, তখন তিনি তেল শিল্পকে জাতীয়করণ করেন। কারণ তাঁর বিশ্বাস ছিল, ইরানের জনগণের সম্পদ শুধুমাত্র ইরানিদেরই কাজে লাগা উচিত।
হিরো আলমের আত্মহত্যা চেষ্টার খবর রিয়ামনি জানতে পেরে বগুড়ার দিকে রওনা দেন। যাওয়ার পথে তিনি বলেন, ‘সকালে এ ঘটনা শোনার পরে আমি রাওনা দিয়েছি বগুড়ায় উদ্দেশ্য। এখনো এ ঘটনার বিস্তারিত আমি জানি না। তবে শুনেছি রাতে তার বন্ধু নাট্যকার জাহিদ হাসান সাগরের বাসায় ছিল। অচেতন অবস্থায় ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
শাহ আধুনিকতা ও উন্নয়নের পক্ষপাতী ছিলেন। তিনি চান ইরান যেন একটি পশ্চিমা ধাঁচের উন্নত ও শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত হয়। এ উদ্দেশ্যে তিনি চালু করেন "হোয়াইট রেভল্যুশন" নামে এক সিরিজ সংস্কার কর্মসূচি।
কিউবিয়ান বিপ্লব কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং এটি দীর্ঘদিনের সামাজিক অবিচার, বৈষম্য ও বিদেশি নিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধে একটি সংগঠিত ক্ষোভের ফল।
যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীনতা অর্জনের পর থেকে অসংখ্য যুদ্ধে জড়িয়েছে। কখনও তারা সরাসরি অন্য কোনো রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে, আবার কখনও তৃতীয় কোন দেশে সামরিক হস্তক্ষেপ চালিয়েছে
ছবিতে দেখা যায়, সবুজে ঘেরা প্রাকৃতিক পরিবেশ, গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি-আর এমন সময় সুইমিংপুলে তাদের আদুরে এক মুহূর্ত!
এই ঘোষণার পর পশ্চিমা বিশ্বে যেন আগুন ধরে গেল। ব্রিটেন ও ফ্রান্স মনে করল, তাদের অর্থনৈতিক ও সামরিক স্বার্থে আঘাত এসেছে। আর ইসরায়েল, যে তখন মিশরের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান দ্বন্দ্বে জড়িয়েছিল, এই সুযোগকে ব্যবহার করতে চাইল মিশরকে দুর্বল করে দিতে।