
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

রুটি—একটি সাধারণ শব্দ, একটি সাধারণ খাবার। কিন্তু এর পেছনে রয়েছে হাজার বছরের ইতিহাস, নানা সংস্কৃতি ও ধর্মের গল্প। মানুষের প্রতিদিনের জীবন থেকে শুরু করে ধর্মীয় আচার, কিংবদন্তি, এমনকি অলৌকিক ঘটনা পর্যন্ত—সবখানে রুটির এক বিস্ময়কর উপস্থিতি। এই লেখায় আমরা খুঁজে দেখব রুটির সেই বিস্তৃত ও বৈচিত্র্যময় ইতিহাস।
বাইবেলে যিশু খ্রিস্ট বলেছিলেন, “মানুষ শুধু রুটিতে বাঁচবে না, খোদার মুখ থেকে যে বাক্য নির্গত হয়, তাতে বাঁচবে।” এই বাক্যে শুধু খাবারের প্রয়োজনই বোঝানো হয়নি, বরং দেখানো হয়েছে রুটি যেমন দেহের খাবার, তেমনি বিশ্বাস ও আধ্যাত্মিকতা আত্মার খাবার। রুটি তাই শুধু আমাদের ক্ষুধা মেটানোর উপকরণ নয়, বরং বিশ্বাস, উৎসর্গ ও আচার-অনুষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক।
খ্রিস্টধর্মে রুটির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। যিশু তাঁর শেষ নৈশভোজ বা “লাস্ট সাপার”-এ খামিরবিহীন রুটি ভেঙে তাঁর শিষ্যদের দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “এই রুটি আমার দেহ।” সেই থেকে খ্রিস্টানদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে রুটির ব্যবহার শুরু হয়। অনেক গির্জায় এখনো খামিরবিহীন রুটি ব্যবহৃত হয়, যেমন—লাতিন, আর্মেনীয়, মারোনাইট এবং অ্যাংলিকান গির্জাগুলো। আবার গ্রিক, কপটিক বা সেন্ট থমাস খ্রিস্টানরা খামিরযুক্ত রুটি ব্যবহার করেন।
এই রুটিগুলোর আকার-প্রকৃতিও আলাদা। রোমান ক্যাথলিক গির্জায় রুটি হয় পাতলা, বৃত্তাকার, তাতে যিশুর ক্রুশবিদ্ধ ছবির খোদাই থাকে। অন্যদিকে, সেন্ট থমাস খ্রিস্টানদের রুটি হয় বড় ও বৃত্তাকার, যার মাঝখানে একটি বড় ক্রস এবং চারপাশে ছোট ছোট ক্রসের চিহ্ন থাকে। এর উদ্দেশ্য, রুটির প্রতিটি টুকরোতেই যেন পবিত্রতার প্রতীক থাকে।
রুটির আকার শুধু নান্দনিকতা নয়, এর পেছনেও আছে ধর্মীয় ব্যাখ্যা। প্রাচ্যের কিছু গির্জায় রুটি বর্গাকার করে বানানো হয়। এতে একটি ক্রস ও শিলালিপি খোদাই করা থাকে। এই বর্গাকার রুটি বোঝায়, যিশুর আত্মবলির মাধ্যমে পৃথিবীর চার কোণ পরিত্রাণ পেয়েছে।
সেন্ট জেফিরিনাস ছিলেন তৃতীয় শতকের এক পোপ। তিনি রুটিকে নাম দিয়েছিলেন Corona sive oblata, sphericce, figures, অর্থাৎ গোলাকার রুটি ঈশ্বরের উপস্থিতির প্রতীক। এই গোলাকৃতি রুটি একধরনের মুকুটের মতো, যা ঈশ্বরের মহিমাকে বোঝায়।
রুটির ধরন নিয়ে খ্রিস্টানদের মধ্যে ভিন্নতা এসেছে বহু আগে থেকেই। শুরুতে সাধারণ রুটি ব্যবহার হতো, যা মানুষ ঘরে বানিয়ে আনত। পরে পুরোহিতরাই বিশেষ রুটি প্রস্তুত করতে লাগলেন। কেউ মনে করেন, এই পরিবর্তন খ্রিস্টধর্মের আচারকে আরও আনুষ্ঠানিক ও পবিত্র করেছে, আবার কেউ বলেন, এতে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ কমে গেছে।
এই বিতর্ক এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে রুটির খামিরযুক্ত না খামিরবিহীন হবে—তা নিয়ে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের গির্জাগুলোর মধ্যে মতবিরোধ শুরু হয়। এই মতবিরোধ একসময় বড় ধর্মীয় বিভাজনেরও কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
ধর্মীয় আচার ছাড়াও বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতিতে রুটি বিশেষভাবে জড়িয়ে আছে। ইংল্যান্ডে গুড ফ্রাইডের দিন এক ধরনের বিশেষ রুটি খাওয়ার রীতি আছে, যার নাম হট-ক্রস বান। এটি গোলাকার রুটি, যার উপর একখানা ক্রস আঁকা থাকে। তবে এই রুটির উৎপত্তি নিয়ে দ্বিমত রয়েছে। কেউ বলেন, এটি ক্যাথলিক প্রথা থেকে এসেছে, কেউ আবার মনে করেন এর উৎপত্তি আরও প্রাচীন, একধরনের পৌত্তলিক পূজার সঙ্গে জড়িত ছিল।
অনেক ইতিহাসবিদ মনে করেন, স্যাক্সনরা ‘আকাশমাতা’ নামে এক প্রাচীন দেবীর পূজার সময় বিশেষ রুটি বানিয়ে উৎসর্গ করত। এই আকাশমাতার পূজা বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন নামে ছড়িয়ে ছিল—মিসর, চীন, মেক্সিকো, গ্রিস, ইতালি—সব জায়গায় এই দেবীর একটি বিশেষ প্রতীক ছিল—একজন মা, কোলে শিশু সন্তান। আজকের খ্রিস্টান মাদার মেরির সঙ্গে এই আকাশমাতার চিত্রের অনেক মিল আছে।
রুটি নিয়ে রয়েছে অনেক অলৌকিক কাহিনি। যেমন, ওয়েলসের একটি কিংবদন্তি বলে, যিশু একবার একটি বেকারির দোকানে গিয়ে রুটি চেয়েছিলেন। দোকানদার তাঁর জন্য একটি ছোট টুকরো ময়দা ভাজতে দেন, কিন্তু ময়দার টুকরোটি হঠাৎ ফুলে এক বিশাল রুটিতে পরিণত হয়। আবার একই গল্পে, বেকারের মেয়ে যিশুকে ময়দা দিতে অস্বীকার করলে তিনি তাকে রাতের পিশাচে পরিণত করেন।
আরেকটি গল্প ডাচ শহর লেইডেন থেকে। ১৩১৫ সালের দুর্ভিক্ষের সময় এক মহিলা তার একমাত্র বার্লি রুটি দুটি টুকরো করেন। একটি নিজে খাওয়ার জন্য রাখেন, অন্যটি না দিয়ে প্রতিবেশীকে বলেন, তার কাছে আর কিছু নেই। কিন্তু শপথ করেন, যদি তিনি মিথ্যে বলেন, তবে তাঁর রুটি পাথরে পরিণত হোক। পরে দেখা যায়, তাঁর রাখা রুটিটি সত্যিই পাথরে পরিণত হয়েছে! সেই পাথর আজও লেইডেনের সেন্ট পিটার্স গির্জায় রক্ষিত আছে।
রুটিকে ঘিরে আরেকটি অদ্ভুত বিশ্বাস ছিল ইউরোপের কিছু অঞ্চলে। “Sin-eater” বা “পাপ খাদক” নামে পরিচিত এক ধরনের মানুষ ছিল, যারা মৃতের শরীরের উপর রাখা রুটি খেয়ে নিতেন। বিশ্বাস ছিল, এতে মৃত ব্যক্তির পাপ সেই ব্যক্তির মধ্যে চলে যায়। একসময় এই প্রথা বিলুপ্ত হয়ে গেলেও, রুটি যে কেবল খাবার নয়, তা এই ধরনের কুসংস্কারে আবারও প্রমাণিত হয়।
রুটি শুধু ধর্ম বা সংস্কৃতিতে নয়, সাহিত্যের মধ্যেও জায়গা করে নিয়েছে। শেকসপিয়ারের নাটকে ওফেলিয়া বলেন, “প্যাঁচাটি ছিল এক বেকারের কন্যা।” এর মাধ্যমে বোঝানো হয়, বেকার বা রুটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে লোককথা ও কল্পনার জগৎ।
আজ আমরা রুটি খাই সকালে, বিকেলে কিংবা রাতের খাবারে। কখনো তা নরম ও সাদা, কখনো গমের রুটি, কখনো বা পাউরুটি। কিন্তু এই সাধারণ খাবারের পেছনে যে আছে হাজার বছরের ইতিহাস, তা আমরা অনেকেই জানি না। রুটির পেছনে আছে ধর্মের গল্প, সংস্কৃতির ছাপ, মানুষের বিশ্বাস।
সূত্র: অল অ্যাবাউট হিস্ট্রি

রুটি—একটি সাধারণ শব্দ, একটি সাধারণ খাবার। কিন্তু এর পেছনে রয়েছে হাজার বছরের ইতিহাস, নানা সংস্কৃতি ও ধর্মের গল্প। মানুষের প্রতিদিনের জীবন থেকে শুরু করে ধর্মীয় আচার, কিংবদন্তি, এমনকি অলৌকিক ঘটনা পর্যন্ত—সবখানে রুটির এক বিস্ময়কর উপস্থিতি। এই লেখায় আমরা খুঁজে দেখব রুটির সেই বিস্তৃত ও বৈচিত্র্যময় ইতিহাস।
বাইবেলে যিশু খ্রিস্ট বলেছিলেন, “মানুষ শুধু রুটিতে বাঁচবে না, খোদার মুখ থেকে যে বাক্য নির্গত হয়, তাতে বাঁচবে।” এই বাক্যে শুধু খাবারের প্রয়োজনই বোঝানো হয়নি, বরং দেখানো হয়েছে রুটি যেমন দেহের খাবার, তেমনি বিশ্বাস ও আধ্যাত্মিকতা আত্মার খাবার। রুটি তাই শুধু আমাদের ক্ষুধা মেটানোর উপকরণ নয়, বরং বিশ্বাস, উৎসর্গ ও আচার-অনুষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক।
খ্রিস্টধর্মে রুটির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। যিশু তাঁর শেষ নৈশভোজ বা “লাস্ট সাপার”-এ খামিরবিহীন রুটি ভেঙে তাঁর শিষ্যদের দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “এই রুটি আমার দেহ।” সেই থেকে খ্রিস্টানদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে রুটির ব্যবহার শুরু হয়। অনেক গির্জায় এখনো খামিরবিহীন রুটি ব্যবহৃত হয়, যেমন—লাতিন, আর্মেনীয়, মারোনাইট এবং অ্যাংলিকান গির্জাগুলো। আবার গ্রিক, কপটিক বা সেন্ট থমাস খ্রিস্টানরা খামিরযুক্ত রুটি ব্যবহার করেন।
এই রুটিগুলোর আকার-প্রকৃতিও আলাদা। রোমান ক্যাথলিক গির্জায় রুটি হয় পাতলা, বৃত্তাকার, তাতে যিশুর ক্রুশবিদ্ধ ছবির খোদাই থাকে। অন্যদিকে, সেন্ট থমাস খ্রিস্টানদের রুটি হয় বড় ও বৃত্তাকার, যার মাঝখানে একটি বড় ক্রস এবং চারপাশে ছোট ছোট ক্রসের চিহ্ন থাকে। এর উদ্দেশ্য, রুটির প্রতিটি টুকরোতেই যেন পবিত্রতার প্রতীক থাকে।
রুটির আকার শুধু নান্দনিকতা নয়, এর পেছনেও আছে ধর্মীয় ব্যাখ্যা। প্রাচ্যের কিছু গির্জায় রুটি বর্গাকার করে বানানো হয়। এতে একটি ক্রস ও শিলালিপি খোদাই করা থাকে। এই বর্গাকার রুটি বোঝায়, যিশুর আত্মবলির মাধ্যমে পৃথিবীর চার কোণ পরিত্রাণ পেয়েছে।
সেন্ট জেফিরিনাস ছিলেন তৃতীয় শতকের এক পোপ। তিনি রুটিকে নাম দিয়েছিলেন Corona sive oblata, sphericce, figures, অর্থাৎ গোলাকার রুটি ঈশ্বরের উপস্থিতির প্রতীক। এই গোলাকৃতি রুটি একধরনের মুকুটের মতো, যা ঈশ্বরের মহিমাকে বোঝায়।
রুটির ধরন নিয়ে খ্রিস্টানদের মধ্যে ভিন্নতা এসেছে বহু আগে থেকেই। শুরুতে সাধারণ রুটি ব্যবহার হতো, যা মানুষ ঘরে বানিয়ে আনত। পরে পুরোহিতরাই বিশেষ রুটি প্রস্তুত করতে লাগলেন। কেউ মনে করেন, এই পরিবর্তন খ্রিস্টধর্মের আচারকে আরও আনুষ্ঠানিক ও পবিত্র করেছে, আবার কেউ বলেন, এতে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ কমে গেছে।
এই বিতর্ক এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে রুটির খামিরযুক্ত না খামিরবিহীন হবে—তা নিয়ে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের গির্জাগুলোর মধ্যে মতবিরোধ শুরু হয়। এই মতবিরোধ একসময় বড় ধর্মীয় বিভাজনেরও কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
ধর্মীয় আচার ছাড়াও বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতিতে রুটি বিশেষভাবে জড়িয়ে আছে। ইংল্যান্ডে গুড ফ্রাইডের দিন এক ধরনের বিশেষ রুটি খাওয়ার রীতি আছে, যার নাম হট-ক্রস বান। এটি গোলাকার রুটি, যার উপর একখানা ক্রস আঁকা থাকে। তবে এই রুটির উৎপত্তি নিয়ে দ্বিমত রয়েছে। কেউ বলেন, এটি ক্যাথলিক প্রথা থেকে এসেছে, কেউ আবার মনে করেন এর উৎপত্তি আরও প্রাচীন, একধরনের পৌত্তলিক পূজার সঙ্গে জড়িত ছিল।
অনেক ইতিহাসবিদ মনে করেন, স্যাক্সনরা ‘আকাশমাতা’ নামে এক প্রাচীন দেবীর পূজার সময় বিশেষ রুটি বানিয়ে উৎসর্গ করত। এই আকাশমাতার পূজা বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন নামে ছড়িয়ে ছিল—মিসর, চীন, মেক্সিকো, গ্রিস, ইতালি—সব জায়গায় এই দেবীর একটি বিশেষ প্রতীক ছিল—একজন মা, কোলে শিশু সন্তান। আজকের খ্রিস্টান মাদার মেরির সঙ্গে এই আকাশমাতার চিত্রের অনেক মিল আছে।
রুটি নিয়ে রয়েছে অনেক অলৌকিক কাহিনি। যেমন, ওয়েলসের একটি কিংবদন্তি বলে, যিশু একবার একটি বেকারির দোকানে গিয়ে রুটি চেয়েছিলেন। দোকানদার তাঁর জন্য একটি ছোট টুকরো ময়দা ভাজতে দেন, কিন্তু ময়দার টুকরোটি হঠাৎ ফুলে এক বিশাল রুটিতে পরিণত হয়। আবার একই গল্পে, বেকারের মেয়ে যিশুকে ময়দা দিতে অস্বীকার করলে তিনি তাকে রাতের পিশাচে পরিণত করেন।
আরেকটি গল্প ডাচ শহর লেইডেন থেকে। ১৩১৫ সালের দুর্ভিক্ষের সময় এক মহিলা তার একমাত্র বার্লি রুটি দুটি টুকরো করেন। একটি নিজে খাওয়ার জন্য রাখেন, অন্যটি না দিয়ে প্রতিবেশীকে বলেন, তার কাছে আর কিছু নেই। কিন্তু শপথ করেন, যদি তিনি মিথ্যে বলেন, তবে তাঁর রুটি পাথরে পরিণত হোক। পরে দেখা যায়, তাঁর রাখা রুটিটি সত্যিই পাথরে পরিণত হয়েছে! সেই পাথর আজও লেইডেনের সেন্ট পিটার্স গির্জায় রক্ষিত আছে।
রুটিকে ঘিরে আরেকটি অদ্ভুত বিশ্বাস ছিল ইউরোপের কিছু অঞ্চলে। “Sin-eater” বা “পাপ খাদক” নামে পরিচিত এক ধরনের মানুষ ছিল, যারা মৃতের শরীরের উপর রাখা রুটি খেয়ে নিতেন। বিশ্বাস ছিল, এতে মৃত ব্যক্তির পাপ সেই ব্যক্তির মধ্যে চলে যায়। একসময় এই প্রথা বিলুপ্ত হয়ে গেলেও, রুটি যে কেবল খাবার নয়, তা এই ধরনের কুসংস্কারে আবারও প্রমাণিত হয়।
রুটি শুধু ধর্ম বা সংস্কৃতিতে নয়, সাহিত্যের মধ্যেও জায়গা করে নিয়েছে। শেকসপিয়ারের নাটকে ওফেলিয়া বলেন, “প্যাঁচাটি ছিল এক বেকারের কন্যা।” এর মাধ্যমে বোঝানো হয়, বেকার বা রুটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে লোককথা ও কল্পনার জগৎ।
আজ আমরা রুটি খাই সকালে, বিকেলে কিংবা রাতের খাবারে। কখনো তা নরম ও সাদা, কখনো গমের রুটি, কখনো বা পাউরুটি। কিন্তু এই সাধারণ খাবারের পেছনে যে আছে হাজার বছরের ইতিহাস, তা আমরা অনেকেই জানি না। রুটির পেছনে আছে ধর্মের গল্প, সংস্কৃতির ছাপ, মানুষের বিশ্বাস।
সূত্র: অল অ্যাবাউট হিস্ট্রি

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, কিছু সংবাদ মাধ্যম এবং বিভিন্ন ফেসবুক পেইজে উক্ত বিষয়টি ‘অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা’ করা হয়েছে মর্মে সংবাদ প্রকাশ করে, বিষয়টি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির দৃষ্টিগোচর হয়েছে, যা একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দুঃখজনক বলে উল্লেখ করা হয়।
২৩ দিন আগে
একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এ চলচ্চিত্রটির মুক্তির তারিখ এর আগে তিন দফা পরিবর্তন করা হয়। সবশেষ নির্ধারিত তারিখ ছিল আগামী ২৫ ডিসেম্বর।
২৩ দিন আগে
১৬ ডিসেম্বর ছিল সেই দিন, যেদিন প্রমাণিত হয়েছিল— একটি নিরস্ত্র জাতি যখন স্বাধীনতার মন্ত্রে দীক্ষিত হয়, তখন পৃথিবীর কোনো পরাশক্তি বা আধুনিক সমরাস্ত্র তাদের দাবিয়ে রাখতে পারে না। মার্কিন সপ্তম নৌ বহর বঙ্গোপসাগরের নীল জলেই থমকে দাঁড়িয়েছিল। আর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সব কূটচাল ব্যর্থ হয়ে গিয়েছিল বাঙা
১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
একাত্তরের ১৫ ডিসেম্বর দিনটি ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক বিচিত্র ও শ্বাসরুদ্ধকর অধ্যায়, যেখানে বিজয়ের চূড়ান্ত আনন্দ আর ভূ-রাজনীতির জটিল সমীকরণ একই সমান্তরালে চলছিল। ক্যালেন্ডারের পাতায় এটি ছিল বিজয়ের ঠিক আগের দিন। কিন্তু রণাঙ্গনের বাস্তবতায় এটি ছিল পাকিস্তানি বাহিনীর মানসিক মৃত্যু ও যৌথ ব
১৫ ডিসেম্বর ২০২৫