
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

একজন অন্তঃসত্ত্বার সবচেয়ে দুর্ভাবনার বিষয় হলো মিসক্যারিজ বা গর্ভপাত। গর্ভপাত যে একজন মায়ের জন্য কতটা কষ্টকর, তা ভুক্তভোগীই বুঝতে পারেন। অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভপাত বিভিন্ন বিষয়ের ওপর নির্ভর করে।
কিছু ফল থেকে সাবধান : অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের গর্ভের প্রথম তিন মাসে আনারস খাওয়া উচিত নয়। এতে থাকা ‘ব্রোমেলাইন’-এর কারণে ডায়রিয়া, অ্যালার্জি এমনকি অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভপাত হতে পারে।
‘লংগান’ নামক এক ধরনের বিদেশি ফল, যা আমাদের দেশে ইদানীং বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে; গর্ভধারণের সময়টিতে খাওয়া ঠিক নয়। কাঁচা পেঁপের মধ্যস্থ প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিনে অক্সিটোসিন গর্ভাশয়ের সংকোচন ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। এ জন্য কাঁচা পেঁপেও এ সময় না খাওয়া উত্তম। অ্যালকোহল বা অ্যালকোহলযুক্ত ওষুধ, অ্যালকোহল জাতীয় পানীয় কিংবা অ্যালকোহলযুক্ত ওষুধ খাওয়ার ফলে শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয় এবং এসব খাবার শিশুর মৃত্যুর জন্য দায়ী হতে পারে।
ক্যাফেইন : অত্যধিক ক্যাফেইন পানে মায়ের হৃৎস্পন্দন ও রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে। এ ছাড়া এর কারণে নিদ্রাহীনতা ও মাথাব্যথার উদ্রেক হতে পারে। ক্যাফেইন অপরিণত শিশু হওয়া থেকে শুরু করে গর্ভপাত পর্যন্ত ঘটাতে পারে।
অপাস্তুরিত দুধ ও পনির : অপাস্তুরিত দুধে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া (ব্রুসেলা টিবি) থাকতে পারে, যা গর্ভধারণে গুরুতর হুমকিস্বরূপ। অনেক সময় পনির তৈরি হয় অপাস্তুরিত দুধ থেকে। এ জন্য পনির গর্ভকালে এড়িয়ে চলা উচিত।
স্যাকারিন : অনেক অন্তঃসত্ত্বার গর্ভকালে ডায়াবেটিস দেখা দেয়। এ সময় চিনির বদলে স্যাকারিন খাওয়া উচিত নয়। গর্ভাবস্থায় স্যাকারিন খেলে তা ভ্রূণে প্রবেশ করে ভ্রূণ নষ্ট করে ফেলতে পারে।
সামুদ্রিক মাছ : সামুদ্রিক কিছু মাছে পারদজাতীয় পদার্থ থাকে, যা খেলে শিশুর স্নায়ুতন্ত্রের স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে।
কিছু ওষুধ : লিথিয়াম, সোডিয়াম ভেলোপ্রয়েট, সেনা এসব ওষুধ গর্ভধারণের সময়টিতে সেবন করা যাবে না। রোগের কারণে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করা যেতে পারে।
আধা সেদ্ধ খাবার : বিশেষ করে কাবাব খেতে হবে ভেবেচিন্তে। আধা সেদ্ধ কাবাবের মাংস থেকে টক্সোপ্লাজমা নামক পরজীবী মায়ের শরীরে প্রবেশ করে ভ্রূণের ক্ষতি করে থাকে।
থাইরয়েড : থাইরয়েড হরমোনের আধিক্য বা অভাব হরমোনের বৃদ্ধি বা অভাবে ভ্রূণের বিকাশ রুদ্ধ হয় পড়ে।
ডায়াবেটিস: এ রোগে আক্রান্ত হলেও মিসক্যারিজের আশঙ্কা বেড়ে যায়।

একজন অন্তঃসত্ত্বার সবচেয়ে দুর্ভাবনার বিষয় হলো মিসক্যারিজ বা গর্ভপাত। গর্ভপাত যে একজন মায়ের জন্য কতটা কষ্টকর, তা ভুক্তভোগীই বুঝতে পারেন। অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভপাত বিভিন্ন বিষয়ের ওপর নির্ভর করে।
কিছু ফল থেকে সাবধান : অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের গর্ভের প্রথম তিন মাসে আনারস খাওয়া উচিত নয়। এতে থাকা ‘ব্রোমেলাইন’-এর কারণে ডায়রিয়া, অ্যালার্জি এমনকি অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভপাত হতে পারে।
‘লংগান’ নামক এক ধরনের বিদেশি ফল, যা আমাদের দেশে ইদানীং বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে; গর্ভধারণের সময়টিতে খাওয়া ঠিক নয়। কাঁচা পেঁপের মধ্যস্থ প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিনে অক্সিটোসিন গর্ভাশয়ের সংকোচন ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। এ জন্য কাঁচা পেঁপেও এ সময় না খাওয়া উত্তম। অ্যালকোহল বা অ্যালকোহলযুক্ত ওষুধ, অ্যালকোহল জাতীয় পানীয় কিংবা অ্যালকোহলযুক্ত ওষুধ খাওয়ার ফলে শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয় এবং এসব খাবার শিশুর মৃত্যুর জন্য দায়ী হতে পারে।
ক্যাফেইন : অত্যধিক ক্যাফেইন পানে মায়ের হৃৎস্পন্দন ও রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে। এ ছাড়া এর কারণে নিদ্রাহীনতা ও মাথাব্যথার উদ্রেক হতে পারে। ক্যাফেইন অপরিণত শিশু হওয়া থেকে শুরু করে গর্ভপাত পর্যন্ত ঘটাতে পারে।
অপাস্তুরিত দুধ ও পনির : অপাস্তুরিত দুধে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া (ব্রুসেলা টিবি) থাকতে পারে, যা গর্ভধারণে গুরুতর হুমকিস্বরূপ। অনেক সময় পনির তৈরি হয় অপাস্তুরিত দুধ থেকে। এ জন্য পনির গর্ভকালে এড়িয়ে চলা উচিত।
স্যাকারিন : অনেক অন্তঃসত্ত্বার গর্ভকালে ডায়াবেটিস দেখা দেয়। এ সময় চিনির বদলে স্যাকারিন খাওয়া উচিত নয়। গর্ভাবস্থায় স্যাকারিন খেলে তা ভ্রূণে প্রবেশ করে ভ্রূণ নষ্ট করে ফেলতে পারে।
সামুদ্রিক মাছ : সামুদ্রিক কিছু মাছে পারদজাতীয় পদার্থ থাকে, যা খেলে শিশুর স্নায়ুতন্ত্রের স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে।
কিছু ওষুধ : লিথিয়াম, সোডিয়াম ভেলোপ্রয়েট, সেনা এসব ওষুধ গর্ভধারণের সময়টিতে সেবন করা যাবে না। রোগের কারণে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করা যেতে পারে।
আধা সেদ্ধ খাবার : বিশেষ করে কাবাব খেতে হবে ভেবেচিন্তে। আধা সেদ্ধ কাবাবের মাংস থেকে টক্সোপ্লাজমা নামক পরজীবী মায়ের শরীরে প্রবেশ করে ভ্রূণের ক্ষতি করে থাকে।
থাইরয়েড : থাইরয়েড হরমোনের আধিক্য বা অভাব হরমোনের বৃদ্ধি বা অভাবে ভ্রূণের বিকাশ রুদ্ধ হয় পড়ে।
ডায়াবেটিস: এ রোগে আক্রান্ত হলেও মিসক্যারিজের আশঙ্কা বেড়ে যায়।

‘এমন যদি হতো/ ইচ্ছে হলে আমি হতাম/ প্রজাপতির মতো...’ পঙ্ক্তির এমন যদি হতো কিংবা ‘ধন্য সবাই ধন্য/ অস্ত্র ধরে যুদ্ধ করে/ মাতৃভূমির জন্য...’ পঙ্ক্তির মুক্তিসেনার মতো কালজয়ী সব ছড়া রচনা করে সুকুমার বড়ুয়া পেয়েছিলেন ‘ছড়াসম্রাট’ খ্যাতি।
১১ দিন আগে
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, কিছু সংবাদ মাধ্যম এবং বিভিন্ন ফেসবুক পেইজে উক্ত বিষয়টি ‘অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা’ করা হয়েছে মর্মে সংবাদ প্রকাশ করে, বিষয়টি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির দৃষ্টিগোচর হয়েছে, যা একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দুঃখজনক বলে উল্লেখ করা হয়।
২৪ দিন আগে
একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এ চলচ্চিত্রটির মুক্তির তারিখ এর আগে তিন দফা পরিবর্তন করা হয়। সবশেষ নির্ধারিত তারিখ ছিল আগামী ২৫ ডিসেম্বর।
২৪ দিন আগে
১৬ ডিসেম্বর ছিল সেই দিন, যেদিন প্রমাণিত হয়েছিল— একটি নিরস্ত্র জাতি যখন স্বাধীনতার মন্ত্রে দীক্ষিত হয়, তখন পৃথিবীর কোনো পরাশক্তি বা আধুনিক সমরাস্ত্র তাদের দাবিয়ে রাখতে পারে না। মার্কিন সপ্তম নৌ বহর বঙ্গোপসাগরের নীল জলেই থমকে দাঁড়িয়েছিল। আর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সব কূটচাল ব্যর্থ হয়ে গিয়েছিল বাঙা
১৬ ডিসেম্বর ২০২৫