প্রাণ খুলে হাসলে যেসব রোগ সারবে

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২৪, ১৬: ৩৩

হাসলে শুধু মনই ভালো থাকে না, বরং বিভিন্ন রোগের ঝুঁকিও কমে। গবেষণায় দেখা গেছে, শিশুরা দিনে গড়ে ৪০০ বার হাসে। সুখী প্রাপ্তবয়স্করা প্রতিদিন ৪০-৫০ বার হাসেন ও সাধারণ প্রাপ্তবয়ষ্করা হাসেন ২০ বার। বিজ্ঞানীরা গণনা করে দেখেছেন, বিশ্বে মোট ১৯ ধরনের হাসি আছে।

কেন হাসবেন?

হাসলে মেজাজ ভালো থাকে। এক্ষেত্রে করটিসল হরমোন নিঃসরণ কমে ও এন্ডোরফিন হরমোন বাড়ে। এর ফলে শরীরের একাধিক সমস্যার সমাধান হয়। যেমন-

>> উচ্চ রক্তচাপ কমে

>> সহনশীলতা বাড়ে

>> ব্যথা কমে

>> চাপ কমে ও

>> রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, যাদের মুখে সব সময় হাসি থাকে তারা অনেক বিনয়ী হন। অন্যান্যরাও তাদেরকে বেশি পছন্দ করেন ও যোগ্য বলে মনে করেন।

এছাড়া হাসিখুশিরা কর্মক্ষেত্রে আরও বেশি সৃষ্টিশীল প্রকৃতির হন ও অন্যান্যদের চেয়ে বেশি অর্থ উপার্জন করেন। এজন্য নিয়মিত হাসতে হবে। প্রতিদিনের হাসির গড় বাড়াতে চাইলে দিন শুরু করুন হাসতে হাসতে।

হাসি অনেকটা সংক্রামক। অন্যকে হাসতে দেখলে আপনারও হাসতে হচ্ছে করবে। হাসলে মস্তিষ্কের নিউরনগুলো সক্রিয় হয়ে ওঠে। খেয়াল করে দেখবেন, হাসি শুধু আপনাকে নয় চারপাশের মানুষকেও আনন্দময় পরিবেশ উপহার দিতে সাহায্য করে।

হাসলে মুখের পেশিগুলো আরও নমনীয় হয়। এজন্য বাড়িতে বা কর্মক্ষেত্রে হাসুন প্রাণখুলে। পরিবার ও বন্ধুদের ছাড়াও সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত হাস্যরসাত্মক বিষয়ে কথা বলুন।

ad
ad

সাত-পাঁচ থেকে আরও পড়ুন

কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার আর নেই

লিভার-সংক্রান্ত জটিলতায় গত কয়েক দিন ধরে চরম সংকটাপন্ন অবস্থায় ছিলেন কারিনা। প্রথমে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স যোগে তাকে ভারতের চেন্নাইয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

১০ দিন আগে

সেবা প্রকাশনীতে অনিয়ম-দুর্নীতি, কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা

১২ দিন আগে

নায়িকার অভিযোগ, মুক্তি পাচ্ছে না ‘কন্ট্র্যাক্ট ম্যারেজ’

নানা সমালোচনার পর মুক্তির দুই দিন আগেই স্থগিত করা হলো চিত্রনায়িকা মৌসুমী অভিনীত সিনেমা ‘কন্ট্র্যাক্ট ম্যারেজ’-এর সেন্সর সনদপত্র। অভিনেত্রী জেবা জান্নাতের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সিনেমার সেন্সর সনদপত্রটি বাতিল করা হয়।

১২ দিন আগে

যুদ্ধ-ক্ষুধা-অবিনাশী সৌন্দর্য— মারাহ খালেদের ক্যানভাসে গাজার দিনলিপি

মারাহর কাজগুলো নিয়ে আমি যখন পড়ালেখা করছিলাম, আমাকে সবচেয়ে বেশি নাড়া দিয়েছিল তার সেই ছোট্ট তাঁবুর গল্প। এক শরণার্থী শিবিরের ভেতরে, যেখানে মানুষের নিজের জন্য জায়গা নেই, সেখানে একটি তাঁবুকে গ্যালারি বানিয়ে ফেলল সে। এ যেন সেই প্রবল ধ্বংসযজ্ঞ ও অসহায়ত্বের মধ্যেও এক নীরব বিদ্রোহ।

১৩ দিন আগে