
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ডায়াপার নানা সুবিধা প্রদান করে, বিশেষ করে শিশুকে পরিষ্কার ও শুকনো রাখার ক্ষেত্রে। তবে শিশুকে একই ডায়াপারে খুব বেশিক্ষণ রেখে দিলে ভালোর চেয়ে ক্ষতি বেশি হতে পারে। শিশুর ত্বক সূক্ষ্ম যা আর্দ্রতা, জ্বালাপোড়া এবং বায়ুপ্রবাহের অভাবের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল। এর ফলে ফুসকুড়ি, সংক্রমণ এবং অন্যান্য জটিলতা দেখা দিতে পারে। ময়লাযুক্ত ডায়াপারের দীর্ঘ সময় ব্যবহার শুধু শারীরিক অস্বস্তি সৃষ্টি করে না, গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যাও সৃষ্টি করতে পারে। জেনে নিন শিশুকে দীর্ঘ সময় একই ডায়াপার পরিয়ে রাখলে যেসব ক্ষতি হয়-
১. ফুসকুড়ি
দীর্ঘ সময় ধরে একই ডায়াপার পরিয়ে রাখলে শিশুর ত্বকে ফুসকড়ির মতো সমস্যা দেখা দেওয়া খুব সাধারণ। আর্দ্রতা, প্রস্রাব এবং মল দীর্ঘ সময় ধরে ত্বকে লেগে থাকলে তা ত্বকে জ্বালা সৃষ্টি করতে পারে। সেখান থেকে দেখা দেয় আরও অনেক সমস্যা।
১. মূত্রনালীর সংক্রমণ (ইউটিআই)
ভেজা বা নোংরা ডায়াপার ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধির জন্য একটি আদর্শ পরিবেশ তৈরি করে, যা UTI-এর ঝুঁকি বাড়ায়। মলদ্বার এবং মূত্রনালীর মধ্যে সংক্ষিপ্ত নৈকট্যের কারণে মেয়েদের ক্ষেত্রে ইউটিআই-এর প্রবণতা বেশি, কিন্তু ছেলেরাও সম্পূর্ণভাবে রেহাই পায় না।
নোংরা ডায়াপারের উষ্ণ এবং আর্দ্র অবস্থা ছত্রাক এবং ব্যাকটেরিয়া, বিশেষ করে ক্যান্ডিডা ইস্টের বৃদ্ধি বাড়িয়ে দেয়, যা ক্যান্ডিডিয়াসিস সৃষ্টি করে। ক্রমাগত লালচেভাব, ফুসকুড়ি আক্রান্ত স্থানে সাদা বাম্প ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দিতে পারে। এর চিকিৎসা না করা হলে প্রদাহ বাড়তে পারে।
৪. ত্বক ফেটে যাওয়া এবং ঘা
ক্রমাগত আর্দ্রতা এবং বিরক্তিকর পরিবেশ ত্বকে ফেটে কারণ হতে পারে, যার ফলে ঘা বা আলসার হতে পারে। তাই ডায়াপার দীর্ঘ সময় পরিয়ে রাখবেন না। সেইসঙ্গে নিম্নমানের ডায়াপার পরানো থেকেও বিরত থাকুন।
৫. অ্যামোনিয়া ডার্মাটাইটিস
প্রস্রাব থেকে নির্গত অ্যামোনিয়া ত্বকে জ্বালাপোড়া করতে পারে, যার ফলে অ্যামোনিয়া ডার্মাটাইটিস হয়। এর ফলে লালচেভাব এবং জ্বালাপোড়া দেখা দেয়, বিশেষ করে যখন ডায়াপার দীর্ঘ সময়ের জন্য পরিবর্তন করা হয় না।

ডায়াপার নানা সুবিধা প্রদান করে, বিশেষ করে শিশুকে পরিষ্কার ও শুকনো রাখার ক্ষেত্রে। তবে শিশুকে একই ডায়াপারে খুব বেশিক্ষণ রেখে দিলে ভালোর চেয়ে ক্ষতি বেশি হতে পারে। শিশুর ত্বক সূক্ষ্ম যা আর্দ্রতা, জ্বালাপোড়া এবং বায়ুপ্রবাহের অভাবের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল। এর ফলে ফুসকুড়ি, সংক্রমণ এবং অন্যান্য জটিলতা দেখা দিতে পারে। ময়লাযুক্ত ডায়াপারের দীর্ঘ সময় ব্যবহার শুধু শারীরিক অস্বস্তি সৃষ্টি করে না, গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যাও সৃষ্টি করতে পারে। জেনে নিন শিশুকে দীর্ঘ সময় একই ডায়াপার পরিয়ে রাখলে যেসব ক্ষতি হয়-
১. ফুসকুড়ি
দীর্ঘ সময় ধরে একই ডায়াপার পরিয়ে রাখলে শিশুর ত্বকে ফুসকড়ির মতো সমস্যা দেখা দেওয়া খুব সাধারণ। আর্দ্রতা, প্রস্রাব এবং মল দীর্ঘ সময় ধরে ত্বকে লেগে থাকলে তা ত্বকে জ্বালা সৃষ্টি করতে পারে। সেখান থেকে দেখা দেয় আরও অনেক সমস্যা।
১. মূত্রনালীর সংক্রমণ (ইউটিআই)
ভেজা বা নোংরা ডায়াপার ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধির জন্য একটি আদর্শ পরিবেশ তৈরি করে, যা UTI-এর ঝুঁকি বাড়ায়। মলদ্বার এবং মূত্রনালীর মধ্যে সংক্ষিপ্ত নৈকট্যের কারণে মেয়েদের ক্ষেত্রে ইউটিআই-এর প্রবণতা বেশি, কিন্তু ছেলেরাও সম্পূর্ণভাবে রেহাই পায় না।
নোংরা ডায়াপারের উষ্ণ এবং আর্দ্র অবস্থা ছত্রাক এবং ব্যাকটেরিয়া, বিশেষ করে ক্যান্ডিডা ইস্টের বৃদ্ধি বাড়িয়ে দেয়, যা ক্যান্ডিডিয়াসিস সৃষ্টি করে। ক্রমাগত লালচেভাব, ফুসকুড়ি আক্রান্ত স্থানে সাদা বাম্প ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দিতে পারে। এর চিকিৎসা না করা হলে প্রদাহ বাড়তে পারে।
৪. ত্বক ফেটে যাওয়া এবং ঘা
ক্রমাগত আর্দ্রতা এবং বিরক্তিকর পরিবেশ ত্বকে ফেটে কারণ হতে পারে, যার ফলে ঘা বা আলসার হতে পারে। তাই ডায়াপার দীর্ঘ সময় পরিয়ে রাখবেন না। সেইসঙ্গে নিম্নমানের ডায়াপার পরানো থেকেও বিরত থাকুন।
৫. অ্যামোনিয়া ডার্মাটাইটিস
প্রস্রাব থেকে নির্গত অ্যামোনিয়া ত্বকে জ্বালাপোড়া করতে পারে, যার ফলে অ্যামোনিয়া ডার্মাটাইটিস হয়। এর ফলে লালচেভাব এবং জ্বালাপোড়া দেখা দেয়, বিশেষ করে যখন ডায়াপার দীর্ঘ সময়ের জন্য পরিবর্তন করা হয় না।

‘এমন যদি হতো/ ইচ্ছে হলে আমি হতাম/ প্রজাপতির মতো...’ পঙ্ক্তির এমন যদি হতো কিংবা ‘ধন্য সবাই ধন্য/ অস্ত্র ধরে যুদ্ধ করে/ মাতৃভূমির জন্য...’ পঙ্ক্তির মুক্তিসেনার মতো কালজয়ী সব ছড়া রচনা করে সুকুমার বড়ুয়া পেয়েছিলেন ‘ছড়াসম্রাট’ খ্যাতি।
১১ দিন আগে
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, কিছু সংবাদ মাধ্যম এবং বিভিন্ন ফেসবুক পেইজে উক্ত বিষয়টি ‘অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা’ করা হয়েছে মর্মে সংবাদ প্রকাশ করে, বিষয়টি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির দৃষ্টিগোচর হয়েছে, যা একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দুঃখজনক বলে উল্লেখ করা হয়।
২৪ দিন আগে
একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এ চলচ্চিত্রটির মুক্তির তারিখ এর আগে তিন দফা পরিবর্তন করা হয়। সবশেষ নির্ধারিত তারিখ ছিল আগামী ২৫ ডিসেম্বর।
২৪ দিন আগে
১৬ ডিসেম্বর ছিল সেই দিন, যেদিন প্রমাণিত হয়েছিল— একটি নিরস্ত্র জাতি যখন স্বাধীনতার মন্ত্রে দীক্ষিত হয়, তখন পৃথিবীর কোনো পরাশক্তি বা আধুনিক সমরাস্ত্র তাদের দাবিয়ে রাখতে পারে না। মার্কিন সপ্তম নৌ বহর বঙ্গোপসাগরের নীল জলেই থমকে দাঁড়িয়েছিল। আর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সব কূটচাল ব্যর্থ হয়ে গিয়েছিল বাঙা
১৬ ডিসেম্বর ২০২৫