
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

একটি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, প্রতি মাসে একজন নারী পাঁচবার কাঁদেন আর একজন পুরুষ একবার কাঁদেন। কান্না আবেগ প্রকাশের ভাষা। মানুষ যদি না কাঁদতো আবেগগুলো চাপা থেকে অনেক রোগের জন্ম দিতো। কান্নার বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে।
চোখ পরিষ্কার হয়: কান্নার সময় চোখ থেকে পানি বের হয়। ফলে চোখের মণি আর চোখের পাতা ধুয়ে মুছে পরিষ্কার হয়। কান্না চোখকে শুকিয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। ফলে দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে।
ব্যাক্টেরিয়া ও জীবাণু দূর হয়: চোখের পানিতে থাকে অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল উপাদান। যা চোখে থাকা ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস দূর করে। প্রতিদিন আমাদের চোখে যে ময়লা জমা হয় এগুলো চোখে স্থায়ী হলে অনেক ক্ষতি করতে পারে। চোখের পানিতে আছে আইসোজাইম। যা ৫-১০ মিনিটে চোখে বাসা বাঁধা ৯০-৯৫ শতাংশ ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলতে পারে।
মনের স্বাস্থ্য ভালো থাকে: মনোবিদরা বলেন, কান্না করলে মন হালকা হয়। তাই কান্না পেলে আটকাতে হয় না। সমীক্ষায় দেখা গেছে, যারা সহজে চোখের পানি ফেলতে পারেন, তারা অবসাদ খুব ভালোভাবে মোকাবিলা করতে পারেন।
মাথা যন্ত্রণা কমে: কান্না করলে অতিরিক্ত ATCH হরমোন বের হয়ে যায় এবং কর্টিসোলের পরিমাণ কমে। এর ফলে মানসিক চাপ কমে যায়। কান্নার সময় শরীরে লিউসিন এনফোলিন হরমোন নিঃসৃত হয়। এটি ব্যথা কমায় এবং মন ভালো করে দেয়।
ঘুম ভালো হয়: ২০১৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হওয়া একটি গবেষণায় দেখা গেছে, কান্নার সময় শরীরে এমন কিছু হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়, যার প্রভাবে তাড়াতাড়ি ঘুম আছে। এবং ঘুম ভালো হয়।
তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

একটি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, প্রতি মাসে একজন নারী পাঁচবার কাঁদেন আর একজন পুরুষ একবার কাঁদেন। কান্না আবেগ প্রকাশের ভাষা। মানুষ যদি না কাঁদতো আবেগগুলো চাপা থেকে অনেক রোগের জন্ম দিতো। কান্নার বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে।
চোখ পরিষ্কার হয়: কান্নার সময় চোখ থেকে পানি বের হয়। ফলে চোখের মণি আর চোখের পাতা ধুয়ে মুছে পরিষ্কার হয়। কান্না চোখকে শুকিয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। ফলে দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে।
ব্যাক্টেরিয়া ও জীবাণু দূর হয়: চোখের পানিতে থাকে অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল উপাদান। যা চোখে থাকা ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস দূর করে। প্রতিদিন আমাদের চোখে যে ময়লা জমা হয় এগুলো চোখে স্থায়ী হলে অনেক ক্ষতি করতে পারে। চোখের পানিতে আছে আইসোজাইম। যা ৫-১০ মিনিটে চোখে বাসা বাঁধা ৯০-৯৫ শতাংশ ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলতে পারে।
মনের স্বাস্থ্য ভালো থাকে: মনোবিদরা বলেন, কান্না করলে মন হালকা হয়। তাই কান্না পেলে আটকাতে হয় না। সমীক্ষায় দেখা গেছে, যারা সহজে চোখের পানি ফেলতে পারেন, তারা অবসাদ খুব ভালোভাবে মোকাবিলা করতে পারেন।
মাথা যন্ত্রণা কমে: কান্না করলে অতিরিক্ত ATCH হরমোন বের হয়ে যায় এবং কর্টিসোলের পরিমাণ কমে। এর ফলে মানসিক চাপ কমে যায়। কান্নার সময় শরীরে লিউসিন এনফোলিন হরমোন নিঃসৃত হয়। এটি ব্যথা কমায় এবং মন ভালো করে দেয়।
ঘুম ভালো হয়: ২০১৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হওয়া একটি গবেষণায় দেখা গেছে, কান্নার সময় শরীরে এমন কিছু হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়, যার প্রভাবে তাড়াতাড়ি ঘুম আছে। এবং ঘুম ভালো হয়।
তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

‘এমন যদি হতো/ ইচ্ছে হলে আমি হতাম/ প্রজাপতির মতো...’ পঙ্ক্তির এমন যদি হতো কিংবা ‘ধন্য সবাই ধন্য/ অস্ত্র ধরে যুদ্ধ করে/ মাতৃভূমির জন্য...’ পঙ্ক্তির মুক্তিসেনার মতো কালজয়ী সব ছড়া রচনা করে সুকুমার বড়ুয়া পেয়েছিলেন ‘ছড়াসম্রাট’ খ্যাতি।
১১ দিন আগে
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, কিছু সংবাদ মাধ্যম এবং বিভিন্ন ফেসবুক পেইজে উক্ত বিষয়টি ‘অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা’ করা হয়েছে মর্মে সংবাদ প্রকাশ করে, বিষয়টি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির দৃষ্টিগোচর হয়েছে, যা একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দুঃখজনক বলে উল্লেখ করা হয়।
২৪ দিন আগে
একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এ চলচ্চিত্রটির মুক্তির তারিখ এর আগে তিন দফা পরিবর্তন করা হয়। সবশেষ নির্ধারিত তারিখ ছিল আগামী ২৫ ডিসেম্বর।
২৪ দিন আগে
১৬ ডিসেম্বর ছিল সেই দিন, যেদিন প্রমাণিত হয়েছিল— একটি নিরস্ত্র জাতি যখন স্বাধীনতার মন্ত্রে দীক্ষিত হয়, তখন পৃথিবীর কোনো পরাশক্তি বা আধুনিক সমরাস্ত্র তাদের দাবিয়ে রাখতে পারে না। মার্কিন সপ্তম নৌ বহর বঙ্গোপসাগরের নীল জলেই থমকে দাঁড়িয়েছিল। আর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সব কূটচাল ব্যর্থ হয়ে গিয়েছিল বাঙা
১৬ ডিসেম্বর ২০২৫