
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

চুল পড়ার সমস্যা কম বেশি সবার আছে। কারো কারো এত বেশি চুল পড়ে যে, মাথায় টাক পড়ে যায়। বাজারের বিভিন্ন প্রসাধনী ব্যবহারেও কোনও সুরাহা পাওয়া যায় না। যদি চুল অতিরিক্ত পড়তে থাকে, তাহলে দ্রুতই ব্যবস্থা নিতে হবে। নয়তো মাথার সব চুল অকালেই ঝরে যাবে।
চুল পড়ার কারণ:
হরমোনের তারতম্য, অনিয়মিত লাইফস্টাইল, পরিবেশগত কারণে অঝোরে চুল পড়ে। অপুষ্টির কারণেও চুল পড়ে। যাদের প্রচুর চুল পড়ে এবং চুল পড়তে পড়তে মাথার বিভিন্ন অংশ ফাঁকা হয়ে যায়, তাদের সবার আগে ডায়েটে নজর দিতে হবে। এমন কিছু খাবার খেতে হবে যেগুলো চুল ও মাথার স্ক্যাল্পের জন্য ভালো। বিভিন্ন ধরনের বাদাম, ডিম ও পুষ্টিকর খাবারের পাশাপাশি খেতে হবে ফল ও সবজির জুস। গবেষকরা বলছেন, সবজির জুস খেলে চুল পড়া এক সপ্তাহেই নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।
যেভাবে জুস বানাবেন:
জুস বানানোর জন্য লাগবে বিট, আপেল, আমলকী ও গাজর। আরও লাগবে পুদিনা পাতা, লেবু, মধু ও আদা।
প্রথমে ১ টি বিট, ২ টি গাজর, ১ টি আপেল ও ১ টি আমলকী টুকরো টুকরো করে কেটে নিন। এরপর তাতে কয়েকটি পুদিনা পাতা, আদা কুচি দিয়ে দিন। এসব উপকরণ মিক্সার কিংবা ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। এতে অর্ধেক লেবুর রস ও এক চামচ মধু দিয়ে দিন। এই মিশ্রণে এক চিমটি পিঙ্ক সল্ট দিয়ে নেড়ে খেয়ে নিন।
খাওয়ার নিয়ম:
এই জুস সপ্তাহে ৫-৬ দিন অবশ্যই খাবেন। টানা তিন মাস খেতে হবে। এই তিন মাসে পার্থক্য চোখে পড়বে। এক মাসের মধ্যেই চুল পড়া বন্ধ হবে। নতুন চুলও গজাবে।
যে কারণে এ জুস উপকারী:
গাজর ভিটামিন ও খনিজ উপাদানে ভরপুর। এতে ভিটামিন এ, ই ও ফসফরাস আছে। এসব উপাদান চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। ভিটামিন এ, ই স্ক্যাল্পে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। ফলে চুলের গোড়ায় গোড়ায় পুষ্টি অক্সিজেন পৌঁছে যায়। আর এ কারণেই চুল পড়া বন্ধ হয়। টাকে গজায় নতুন চুল। গাজরের মতো ভিটামিন ও খনিজ আছে বিটরুটেও। আপলে প্রাকৃতিক ডিটক্সিফায়ারের কাজ করে। স্ক্যাল্প থেকে টক্সিন দূর করে এই ফল। তাই জুসে আপেল থাকলে চুল পড়া বন্ধ হবে এবং টাকে নতুন চুলও গজাবে।

চুল পড়ার সমস্যা কম বেশি সবার আছে। কারো কারো এত বেশি চুল পড়ে যে, মাথায় টাক পড়ে যায়। বাজারের বিভিন্ন প্রসাধনী ব্যবহারেও কোনও সুরাহা পাওয়া যায় না। যদি চুল অতিরিক্ত পড়তে থাকে, তাহলে দ্রুতই ব্যবস্থা নিতে হবে। নয়তো মাথার সব চুল অকালেই ঝরে যাবে।
চুল পড়ার কারণ:
হরমোনের তারতম্য, অনিয়মিত লাইফস্টাইল, পরিবেশগত কারণে অঝোরে চুল পড়ে। অপুষ্টির কারণেও চুল পড়ে। যাদের প্রচুর চুল পড়ে এবং চুল পড়তে পড়তে মাথার বিভিন্ন অংশ ফাঁকা হয়ে যায়, তাদের সবার আগে ডায়েটে নজর দিতে হবে। এমন কিছু খাবার খেতে হবে যেগুলো চুল ও মাথার স্ক্যাল্পের জন্য ভালো। বিভিন্ন ধরনের বাদাম, ডিম ও পুষ্টিকর খাবারের পাশাপাশি খেতে হবে ফল ও সবজির জুস। গবেষকরা বলছেন, সবজির জুস খেলে চুল পড়া এক সপ্তাহেই নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।
যেভাবে জুস বানাবেন:
জুস বানানোর জন্য লাগবে বিট, আপেল, আমলকী ও গাজর। আরও লাগবে পুদিনা পাতা, লেবু, মধু ও আদা।
প্রথমে ১ টি বিট, ২ টি গাজর, ১ টি আপেল ও ১ টি আমলকী টুকরো টুকরো করে কেটে নিন। এরপর তাতে কয়েকটি পুদিনা পাতা, আদা কুচি দিয়ে দিন। এসব উপকরণ মিক্সার কিংবা ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। এতে অর্ধেক লেবুর রস ও এক চামচ মধু দিয়ে দিন। এই মিশ্রণে এক চিমটি পিঙ্ক সল্ট দিয়ে নেড়ে খেয়ে নিন।
খাওয়ার নিয়ম:
এই জুস সপ্তাহে ৫-৬ দিন অবশ্যই খাবেন। টানা তিন মাস খেতে হবে। এই তিন মাসে পার্থক্য চোখে পড়বে। এক মাসের মধ্যেই চুল পড়া বন্ধ হবে। নতুন চুলও গজাবে।
যে কারণে এ জুস উপকারী:
গাজর ভিটামিন ও খনিজ উপাদানে ভরপুর। এতে ভিটামিন এ, ই ও ফসফরাস আছে। এসব উপাদান চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। ভিটামিন এ, ই স্ক্যাল্পে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। ফলে চুলের গোড়ায় গোড়ায় পুষ্টি অক্সিজেন পৌঁছে যায়। আর এ কারণেই চুল পড়া বন্ধ হয়। টাকে গজায় নতুন চুল। গাজরের মতো ভিটামিন ও খনিজ আছে বিটরুটেও। আপলে প্রাকৃতিক ডিটক্সিফায়ারের কাজ করে। স্ক্যাল্প থেকে টক্সিন দূর করে এই ফল। তাই জুসে আপেল থাকলে চুল পড়া বন্ধ হবে এবং টাকে নতুন চুলও গজাবে।

‘এমন যদি হতো/ ইচ্ছে হলে আমি হতাম/ প্রজাপতির মতো...’ পঙ্ক্তির এমন যদি হতো কিংবা ‘ধন্য সবাই ধন্য/ অস্ত্র ধরে যুদ্ধ করে/ মাতৃভূমির জন্য...’ পঙ্ক্তির মুক্তিসেনার মতো কালজয়ী সব ছড়া রচনা করে সুকুমার বড়ুয়া পেয়েছিলেন ‘ছড়াসম্রাট’ খ্যাতি।
১১ দিন আগে
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, কিছু সংবাদ মাধ্যম এবং বিভিন্ন ফেসবুক পেইজে উক্ত বিষয়টি ‘অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা’ করা হয়েছে মর্মে সংবাদ প্রকাশ করে, বিষয়টি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির দৃষ্টিগোচর হয়েছে, যা একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দুঃখজনক বলে উল্লেখ করা হয়।
২৪ দিন আগে
একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এ চলচ্চিত্রটির মুক্তির তারিখ এর আগে তিন দফা পরিবর্তন করা হয়। সবশেষ নির্ধারিত তারিখ ছিল আগামী ২৫ ডিসেম্বর।
২৪ দিন আগে
১৬ ডিসেম্বর ছিল সেই দিন, যেদিন প্রমাণিত হয়েছিল— একটি নিরস্ত্র জাতি যখন স্বাধীনতার মন্ত্রে দীক্ষিত হয়, তখন পৃথিবীর কোনো পরাশক্তি বা আধুনিক সমরাস্ত্র তাদের দাবিয়ে রাখতে পারে না। মার্কিন সপ্তম নৌ বহর বঙ্গোপসাগরের নীল জলেই থমকে দাঁড়িয়েছিল। আর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সব কূটচাল ব্যর্থ হয়ে গিয়েছিল বাঙা
১৬ ডিসেম্বর ২০২৫