
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশের মৌসুমী, ফেরদৌস ও কলকাতার ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর বন্ধুত্বের খবর সবারই জানা।তবে এই তিনজনকে এক ফ্রেমে পাওয়া গেলো বহুদিন পর।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে শেষ হলো দু’দিনব্যাপী মহানায়িকা ‘সুচিত্রা সেন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’। উৎসবে সম্মানীত অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন বাংলাদেশের ঢাকা-১০ আসনের সংসদ সদস্য ও বহুবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নায়ক ফেরদৌস আহমেদ ও দুই বাংলার জনপ্রিয় নায়িকা ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত (উৎসবের শুভেচ্ছাদূত)। একই উৎসবে বিশেষ অতিথি হিসেবে নিমন্ত্রণ পেয়েছিলেন বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের প্রিয়দর্শিনীখ্যাত নায়িকা মৌসুমী।
২০১৭ সালে সর্বশেষ তিন বন্ধু ফেরদৌস, মৌসুমী ও ঋতুপর্ণার একসঙ্গে দেখা হয়েছিলো জীবন্ত কিংবদন্তি নায়ক, প্রযোজক, পরিচালক আলমগীর পরিচালিত ‘একটি সিনেমার গল্প’র শুটিং চলাকালে। এরপর আর একসঙ্গে দেখা হয়ে উঠেনি তাদের তিনজনের। ‘সুচিত্রা সেন উৎসব’র শেষ দিনে তাদের তিনজনের দেখা হলো।
উৎসবের শেষ দিনে ঋতুপর্ণা (আজীবন সম্মাননা) ও ফেরদৌসের হাতে ‘গেস্ট অব অনার’ সম্মাননা তুলে দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে দুই বাংলার ত্রিশেরও অধিক সিনেমা টানা তিনটি হলে সত্যজিৎ রায় হল, জহির রায়হান হল ও তারেক মাসুদ হলে প্রদর্শিত হয়।
ফেরদৌস আহমেদ বলেন, দু'দিন ব্যাপী এই উৎসবে অনেক বাংলা ভাষাভাষী দর্শক সিনেমা দেখতে এসেছিলেন। অনেকেই সিনেমা দেখার সুযোগ না পেয়ে বাইরেও অপেক্ষা করেছেন। সবারই আসলে আন্তরিক অংশগ্রহণ ছিলো চোখে পড়ার মতো। এটা একটা শুভ লক্ষণ। প্রথমবার উৎসবেই আয়োজকরা যেভাবে সফল হয়েছে তাতে মনে হচ্ছে যে আগামীতে তারা আরো বড় পরিসরে এই উৎসব করতে পারবে।

বাংলাদেশের মৌসুমী, ফেরদৌস ও কলকাতার ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর বন্ধুত্বের খবর সবারই জানা।তবে এই তিনজনকে এক ফ্রেমে পাওয়া গেলো বহুদিন পর।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে শেষ হলো দু’দিনব্যাপী মহানায়িকা ‘সুচিত্রা সেন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’। উৎসবে সম্মানীত অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন বাংলাদেশের ঢাকা-১০ আসনের সংসদ সদস্য ও বহুবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নায়ক ফেরদৌস আহমেদ ও দুই বাংলার জনপ্রিয় নায়িকা ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত (উৎসবের শুভেচ্ছাদূত)। একই উৎসবে বিশেষ অতিথি হিসেবে নিমন্ত্রণ পেয়েছিলেন বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের প্রিয়দর্শিনীখ্যাত নায়িকা মৌসুমী।
২০১৭ সালে সর্বশেষ তিন বন্ধু ফেরদৌস, মৌসুমী ও ঋতুপর্ণার একসঙ্গে দেখা হয়েছিলো জীবন্ত কিংবদন্তি নায়ক, প্রযোজক, পরিচালক আলমগীর পরিচালিত ‘একটি সিনেমার গল্প’র শুটিং চলাকালে। এরপর আর একসঙ্গে দেখা হয়ে উঠেনি তাদের তিনজনের। ‘সুচিত্রা সেন উৎসব’র শেষ দিনে তাদের তিনজনের দেখা হলো।
উৎসবের শেষ দিনে ঋতুপর্ণা (আজীবন সম্মাননা) ও ফেরদৌসের হাতে ‘গেস্ট অব অনার’ সম্মাননা তুলে দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে দুই বাংলার ত্রিশেরও অধিক সিনেমা টানা তিনটি হলে সত্যজিৎ রায় হল, জহির রায়হান হল ও তারেক মাসুদ হলে প্রদর্শিত হয়।
ফেরদৌস আহমেদ বলেন, দু'দিন ব্যাপী এই উৎসবে অনেক বাংলা ভাষাভাষী দর্শক সিনেমা দেখতে এসেছিলেন। অনেকেই সিনেমা দেখার সুযোগ না পেয়ে বাইরেও অপেক্ষা করেছেন। সবারই আসলে আন্তরিক অংশগ্রহণ ছিলো চোখে পড়ার মতো। এটা একটা শুভ লক্ষণ। প্রথমবার উৎসবেই আয়োজকরা যেভাবে সফল হয়েছে তাতে মনে হচ্ছে যে আগামীতে তারা আরো বড় পরিসরে এই উৎসব করতে পারবে।

‘এমন যদি হতো/ ইচ্ছে হলে আমি হতাম/ প্রজাপতির মতো...’ পঙ্ক্তির এমন যদি হতো কিংবা ‘ধন্য সবাই ধন্য/ অস্ত্র ধরে যুদ্ধ করে/ মাতৃভূমির জন্য...’ পঙ্ক্তির মুক্তিসেনার মতো কালজয়ী সব ছড়া রচনা করে সুকুমার বড়ুয়া পেয়েছিলেন ‘ছড়াসম্রাট’ খ্যাতি।
১১ দিন আগে
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, কিছু সংবাদ মাধ্যম এবং বিভিন্ন ফেসবুক পেইজে উক্ত বিষয়টি ‘অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা’ করা হয়েছে মর্মে সংবাদ প্রকাশ করে, বিষয়টি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির দৃষ্টিগোচর হয়েছে, যা একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দুঃখজনক বলে উল্লেখ করা হয়।
২৪ দিন আগে
একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এ চলচ্চিত্রটির মুক্তির তারিখ এর আগে তিন দফা পরিবর্তন করা হয়। সবশেষ নির্ধারিত তারিখ ছিল আগামী ২৫ ডিসেম্বর।
২৪ দিন আগে
১৬ ডিসেম্বর ছিল সেই দিন, যেদিন প্রমাণিত হয়েছিল— একটি নিরস্ত্র জাতি যখন স্বাধীনতার মন্ত্রে দীক্ষিত হয়, তখন পৃথিবীর কোনো পরাশক্তি বা আধুনিক সমরাস্ত্র তাদের দাবিয়ে রাখতে পারে না। মার্কিন সপ্তম নৌ বহর বঙ্গোপসাগরের নীল জলেই থমকে দাঁড়িয়েছিল। আর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সব কূটচাল ব্যর্থ হয়ে গিয়েছিল বাঙা
১৬ ডিসেম্বর ২০২৫