
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বলিউডের গ্রিক গড হৃত্বিক রোশন রঙিন পর্দায় পদার্পণ করেন ‘কাহো না পেয়ার হে’ ছবির মাধ্যমে। এরপর দর্শক মহলে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। বাবা অভিনেতা রাকেশ রোশন এই ছবির পরিচালনা করেছিলেন।
ব্যক্তি জীবনে বিয়ে করেছিলেন প্রেমিকা সুজান খানকে। এরপর তাদের ঘরে আসে দুই পুত্র সন্তান রেহান এবং হৃদান। কিন্তু ২০১৩ সাল থেকেই আলাদা থাকতে শুরু করেছিলেন হৃত্বিক এবং সুজন। ২০১৪ সালে তাদের আইনি বিচ্ছেদ ঘটে।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রায় ৮-৯ বছর পর বিবাহবিচ্ছেদের কারণ সম্পর্কে খোলামেলা কথা বলেছেন।
সাক্ষাৎকারে সুজান বলেন, ‘আমরা একে-অপরকে খুবই সম্মান করি। আমাদের মধ্যে বিবাহবিচ্ছেদের কারণ যদি জানতে চান, তা হলে বলব, সেই টান আর ছিলই না। অনেকটা সময় পর আমরা উপলব্ধি করেছিলাম, আমরা আলাদা থাকলেই ভাল থাকব। ফলে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছিলাম যে, ডিভোর্সটাই চূড়ান্ত।’
উল্লেখ্য, রাকেশ রোশনের হাত ধরেই বলিউডে পা রাখেন হৃত্বিক। তারপর বেশ কিছু ছবি করেছিলেন তিনি, কিন্তু হিট হয়নি। ২০০৩ সালে ফের রাকেশের পরিচালনায় ‘কোই মিল গায়া’ সিনেমার মাধ্যমে কামব্যাক হয় তার।
তারপর আসে কৃষ ফ্র্যাঞ্চাইজি। এবার আসতে চলছে কৃশ ৪। হৃত্বিককে পর্দায় শেষ দেখা যায় ২০১৯ সালে ওয়ার সিনেমাতে। ২০০৬ সালে মুক্তি পায় কৃশ। ২০১৩ সালে আসে কৃশ ৩।

বলিউডের গ্রিক গড হৃত্বিক রোশন রঙিন পর্দায় পদার্পণ করেন ‘কাহো না পেয়ার হে’ ছবির মাধ্যমে। এরপর দর্শক মহলে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। বাবা অভিনেতা রাকেশ রোশন এই ছবির পরিচালনা করেছিলেন।
ব্যক্তি জীবনে বিয়ে করেছিলেন প্রেমিকা সুজান খানকে। এরপর তাদের ঘরে আসে দুই পুত্র সন্তান রেহান এবং হৃদান। কিন্তু ২০১৩ সাল থেকেই আলাদা থাকতে শুরু করেছিলেন হৃত্বিক এবং সুজন। ২০১৪ সালে তাদের আইনি বিচ্ছেদ ঘটে।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রায় ৮-৯ বছর পর বিবাহবিচ্ছেদের কারণ সম্পর্কে খোলামেলা কথা বলেছেন।
সাক্ষাৎকারে সুজান বলেন, ‘আমরা একে-অপরকে খুবই সম্মান করি। আমাদের মধ্যে বিবাহবিচ্ছেদের কারণ যদি জানতে চান, তা হলে বলব, সেই টান আর ছিলই না। অনেকটা সময় পর আমরা উপলব্ধি করেছিলাম, আমরা আলাদা থাকলেই ভাল থাকব। ফলে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছিলাম যে, ডিভোর্সটাই চূড়ান্ত।’
উল্লেখ্য, রাকেশ রোশনের হাত ধরেই বলিউডে পা রাখেন হৃত্বিক। তারপর বেশ কিছু ছবি করেছিলেন তিনি, কিন্তু হিট হয়নি। ২০০৩ সালে ফের রাকেশের পরিচালনায় ‘কোই মিল গায়া’ সিনেমার মাধ্যমে কামব্যাক হয় তার।
তারপর আসে কৃষ ফ্র্যাঞ্চাইজি। এবার আসতে চলছে কৃশ ৪। হৃত্বিককে পর্দায় শেষ দেখা যায় ২০১৯ সালে ওয়ার সিনেমাতে। ২০০৬ সালে মুক্তি পায় কৃশ। ২০১৩ সালে আসে কৃশ ৩।

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা আইএএনএস জানিয়েছে, অভিনেতাদের পৃথক ঠিকানায় নোটিশগুলো পাঠানো হয়েছে। অজয় দেবগনের জুহুর বাসভবন ও শাহরুখ খানের বান্দ্রার বাসভবন ‘মান্নাত’-এ নোটিশ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। টাইগার শ্রফকে তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘টাইগার শ্রফ প্রোডাকশনস’-এর মাধ্যমে নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
১৪ দিন আগে
বাংলা থিয়েটারে মৌলিক নাটকের দুষ্প্রাপ্যতার প্রেক্ষাপটে প্রখ্যাত নাট্যব্যক্তিত্ব মনোজ মিত্র এই প্রতিযোগিতা চালু করেছিলেন। মনোজ মিত্র প্রকল্পিত পার্থপ্রতিম স্মরণে সুন্দরম আয়োজিত এ প্রতিযোগিতার এটি ছিল ৩৩তম আসর।
১৫ দিন আগে
গত ৬ আগস্ট রাত ১২টা থেকে দর্শকদের জন্য সিনেমাটি উন্মুক্ত করা হয়েছে। সাইফ চন্দন পরিচালিত অ্যাকশন-থ্রিলারধর্মী সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর দর্শকমহলে বেশ সাড়া ফেলেছিল।
২২ দিন আগে
তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন সহশিল্পী, অভিনয়শিল্পী ও দেশ-বিদেশের অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগী। স্বাগত দের প্রয়াণে বাংলা লোকসংগীত অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হলো বলে মন্তব্য করেছেন দেশের বিশিষ্ট শিল্পী ও সংস্কৃতিজনেরা।
২৪ দিন আগে