
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

হিন্দির পর বাংলা ভাষার চলচ্চিত্র বানিয়েও ছবিপ্রেমীদের মন জয় করা এই পরিচালক এক দশক বাংলা ভাষার ছবি বানানো থেকে দূরে ছিলেন। আবার তিনি বাংলা ভাষার চলচ্চিত্র বানাচ্ছেন। ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি বেছে নিয়েছেন জয়াকে। আগামী মে মাস থেকে ‘ডিয়ার মা’ নামের এই ছবির শুটিং শুরু হচ্ছে। কলকাতা থেকে তেমনটাই জানালেন জয়া আহসান।
সিনেমার নাম ‘ডিয়ার মাদার’। এতে মায়ের ভূমিকায় দেখা যাবে তাঁকে। তাঁর স্বামীর চরিত্রে অভিনয় করছেন চন্দন রায় সান্যাল।
একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়। বাচ্চা মেয়ের চরিত্রের নাম ঝিমলি, যার দুটি বয়স দেখানো হবে পাঁচ এবং বারো।
দশ বছর পর ‘ডিয়ার মা’ সিনেমা দিয়ে টালিউডে পরিচালনায় ফিরছেন অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী।
যিনি আগে বলিউডে ‘পিংক’, ‘লস্ট’, ‘কড়ক সিং’ নির্মাণ করেছেন। ২০১৪ সালে তিনি বাংলা সিনেমা ‘বুনোহাঁস’ করেছিলেন দেবকে নিয়ে।
নিউক্লিয়ার পরিবারের বাবা-মা ও সন্তানের মধ্যকার বন্ধনের অন্য এক রূপ উঠে আসবে এই সিনেমায়। মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে শুরু হবে সিনেমার দৃশ্যধারণ।
তবে তার আগে অভিনেতাদের নিয়ে ওয়ার্কশপ করছেন নির্মাতা। জানালেন, জয়া ও চন্দন দু’জনেই ওয়ার্কশপের জন্য আপাতত কলকাতায় রয়েছেন।
জয়া বলেন, সিনেমার গল্প অসাধারণ। দর্শক সিনেমায় নতুন নতুন গল্প দেখতে চায়। এই গল্পটা আগে কখনও বলা হয়নি। তাই এটা পর্দায় বলা খুব জরুরি ছিল। এ ধরনের চরিত্রও আমি আগে করিনি।
টোনিদা (অনিরুদ্ধ) সংবেদনশীলভাবে গল্প বলেন, যেটা আমার খুব ভালো লাগে। অনিরুদ্ধ রায়ের ‘কড়ক সিং’ সিনেমা দিয়ে আমার বলিউডে অভিষেক হয়েছে। তাঁর সঙ্গে কাজের রসায়ন বেশ ভালো।
নির্মাতা বলেন, ‘টানাপোড়েনের মধ্য দিয়েই তো মানুষ চেনা যায়। শুধু মা-মেয়ে নয়, স্বামী-স্ত্রী, একজন শিক্ষক, গৃহ-সহায়িকা এ রকম নানা সম্পর্কের আলাদা রূপ উঠে আসবে ছবিতে।
কাহিনিতে থ্রিলারের ছোঁয়াও আছে। থ্রিলার উপাদান কাহিনির অন্য দিক তুলে ধরবে। আশা করছি সিনেমাটি দর্শকের মন ভরাবে।’
পরিচালকের সঙ্গে ‘ডিয়ার মা’ সিনেমার গল্প লিখেছেন শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য।

হিন্দির পর বাংলা ভাষার চলচ্চিত্র বানিয়েও ছবিপ্রেমীদের মন জয় করা এই পরিচালক এক দশক বাংলা ভাষার ছবি বানানো থেকে দূরে ছিলেন। আবার তিনি বাংলা ভাষার চলচ্চিত্র বানাচ্ছেন। ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি বেছে নিয়েছেন জয়াকে। আগামী মে মাস থেকে ‘ডিয়ার মা’ নামের এই ছবির শুটিং শুরু হচ্ছে। কলকাতা থেকে তেমনটাই জানালেন জয়া আহসান।
সিনেমার নাম ‘ডিয়ার মাদার’। এতে মায়ের ভূমিকায় দেখা যাবে তাঁকে। তাঁর স্বামীর চরিত্রে অভিনয় করছেন চন্দন রায় সান্যাল।
একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়। বাচ্চা মেয়ের চরিত্রের নাম ঝিমলি, যার দুটি বয়স দেখানো হবে পাঁচ এবং বারো।
দশ বছর পর ‘ডিয়ার মা’ সিনেমা দিয়ে টালিউডে পরিচালনায় ফিরছেন অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী।
যিনি আগে বলিউডে ‘পিংক’, ‘লস্ট’, ‘কড়ক সিং’ নির্মাণ করেছেন। ২০১৪ সালে তিনি বাংলা সিনেমা ‘বুনোহাঁস’ করেছিলেন দেবকে নিয়ে।
নিউক্লিয়ার পরিবারের বাবা-মা ও সন্তানের মধ্যকার বন্ধনের অন্য এক রূপ উঠে আসবে এই সিনেমায়। মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে শুরু হবে সিনেমার দৃশ্যধারণ।
তবে তার আগে অভিনেতাদের নিয়ে ওয়ার্কশপ করছেন নির্মাতা। জানালেন, জয়া ও চন্দন দু’জনেই ওয়ার্কশপের জন্য আপাতত কলকাতায় রয়েছেন।
জয়া বলেন, সিনেমার গল্প অসাধারণ। দর্শক সিনেমায় নতুন নতুন গল্প দেখতে চায়। এই গল্পটা আগে কখনও বলা হয়নি। তাই এটা পর্দায় বলা খুব জরুরি ছিল। এ ধরনের চরিত্রও আমি আগে করিনি।
টোনিদা (অনিরুদ্ধ) সংবেদনশীলভাবে গল্প বলেন, যেটা আমার খুব ভালো লাগে। অনিরুদ্ধ রায়ের ‘কড়ক সিং’ সিনেমা দিয়ে আমার বলিউডে অভিষেক হয়েছে। তাঁর সঙ্গে কাজের রসায়ন বেশ ভালো।
নির্মাতা বলেন, ‘টানাপোড়েনের মধ্য দিয়েই তো মানুষ চেনা যায়। শুধু মা-মেয়ে নয়, স্বামী-স্ত্রী, একজন শিক্ষক, গৃহ-সহায়িকা এ রকম নানা সম্পর্কের আলাদা রূপ উঠে আসবে ছবিতে।
কাহিনিতে থ্রিলারের ছোঁয়াও আছে। থ্রিলার উপাদান কাহিনির অন্য দিক তুলে ধরবে। আশা করছি সিনেমাটি দর্শকের মন ভরাবে।’
পরিচালকের সঙ্গে ‘ডিয়ার মা’ সিনেমার গল্প লিখেছেন শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য।

লিভার-সংক্রান্ত জটিলতায় গত কয়েক দিন ধরে চরম সংকটাপন্ন অবস্থায় ছিলেন কারিনা। প্রথমে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স যোগে তাকে ভারতের চেন্নাইয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
১০ দিন আগে
নানা সমালোচনার পর মুক্তির দুই দিন আগেই স্থগিত করা হলো চিত্রনায়িকা মৌসুমী অভিনীত সিনেমা ‘কন্ট্র্যাক্ট ম্যারেজ’-এর সেন্সর সনদপত্র। অভিনেত্রী জেবা জান্নাতের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সিনেমার সেন্সর সনদপত্রটি বাতিল করা হয়।
১২ দিন আগে
মারাহর কাজগুলো নিয়ে আমি যখন পড়ালেখা করছিলাম, আমাকে সবচেয়ে বেশি নাড়া দিয়েছিল তার সেই ছোট্ট তাঁবুর গল্প। এক শরণার্থী শিবিরের ভেতরে, যেখানে মানুষের নিজের জন্য জায়গা নেই, সেখানে একটি তাঁবুকে গ্যালারি বানিয়ে ফেলল সে। এ যেন সেই প্রবল ধ্বংসযজ্ঞ ও অসহায়ত্বের মধ্যেও এক নীরব বিদ্রোহ।
১৩ দিন আগে