
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

জনপ্রিয় ব্যান্ডদলগুলোর মিলনমেলা ও সংগীতপ্রেমী তরুণদের অন্যতম আকর্ষণ 'জয় বাংলা' কনসার্টকে 'না' বলছেন দেশের অনেক জনপ্রিয় ব্যান্ড ও সংগীতশিল্পীরা। চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে সহিংসতার প্রতিক্রিয়া হিসেবে শিল্পীদের এই প্রতিবাদ।
জনপ্রিয় বেশ কিছু ব্যান্ড ও সংগীতশিল্পী ইতোমধ্যে প্রকাশ্যে ফেসবুকে ঘোষণা দিয়েছেন যে তারা আর এই অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন না।
দেশাত্মবোধক ও সামাজিক ন্যায়বিচারের গানের জন্য জনপ্রিয় ব্যান্ড ক্রিপটিক ফেইট দেশের জনপ্রিয় কনসার্টগুলো মাতিয়ে রাখে। তারা বলেছে, "দেশপ্রেম, মুক্তিযুদ্ধ, অন্যায় ও নিপীড়নের মতো বিষয়ের প্রতি আমাদের ফোকাস থাকায় আসন্ন জয় বাংলা কনসার্টে পারফর্ম করা আমাদের পক্ষে অসম্ভব। তাই আমাদের উত্তর হল 'না'।"
আরেকটি জনপ্রিয় হার্ড রক ব্যান্ড আরবোভাইরাসও সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের বয়কট ঘোষণা করেছে। তারা লিখেছে, "জয় বাংলা কনসার্টে আরবোভাইরাস কখনই পারফর্ম করবে না।"
জয় বাংলা কনসার্ট বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নেমেসিসও। তাদের বক্তব্যের আরও বিশদ বিবরণ দিয়ে তারা ফেসবুকে ঘোষণা করেছে, "গত দুই সপ্তাহের ঘটনাগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে, এটা স্পষ্ট যে আমরা আর কখনো জয় বাংলা কনসার্টে পারফর্ম করব না।"
"কিন্তু কথা এখানেই শেষ হতে পারে না। আমাদের আরও কথা বলার আছে। আগেও বলেছি, এখন আরও জোরে বলতে হবে। আমাদের সবার বলতে হবে। আমাদের প্রজন্ম আমরা ৩০ বছর ধরে একটা ভয়ের সংস্কৃতিতে বড় হয়েছি। গানে গানে প্রতিবাদ করা ছাড়া মনে হতো আর কিছুই করার নেই। বয়সে ছোট ছিলাম, ভাবতাম আমাদের কথা কেই বা শুনবে। কিন্তু আর কত ভয়?''
নেমেসিস আরও লিখেছে, "বর্তমান প্রজন্ম আমাদের দেখিয়ে দিচ্ছে যে আমরা যদি সাহস জোগাই, আমরা সবাই কথা বলতে পারব, ভুলকে ভুল বলার সাহস রাখতে পারব। কারণ আমরা সবাই একটি ন্যায়সঙ্গত সমাজ দেখতে চাই ও সত্যের সংস্কৃতি গড়তে চাই। তাই কথা বলা থামানো যাবে না, অন্যায় দেখে প্রতিবাদ করা থামানো যাবে না। আপনারা করছেন, আমরা করছি, আরও অনেক মানুষ করবে। সময় লাগতে পারে, কিন্তু সবাই জেগে উঠছে।"
পপাই নামে পরিচিত রাফান ইমাম একইভাবে কনসার্টের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করে বলেছেন, "আপনি আমাকে জয় বাংলা কনসার্টে কখনও পারফর্ম করতে দেখবেন না।"
এর আগে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় বাংলা ফাইভের সিনা হাসান ১৭ জুলাই বর্জনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, "একজন শিল্পী হিসেবে আমি ‘জয় বাংলা’ কনসার্ট বয়কট করলাম। এই ঠ্যাং চাটা তোষামোদকারী 'ছেলেভুলানো' কনসার্টে আমাকে শিল্পী বা দর্শক কোন হিসেবেই যেনো কখনই ডাকা না হয়"
জনপ্রিয় এই ব্যান্ডগুলো কনসার্ট থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার পর কনসার্টের ভবিষ্যৎ প্রায় অনিশ্চিত। সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) এবং এর যুব শাখা 'ইয়াং বাংলা' বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ স্মরণে প্রতি বছর এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

জনপ্রিয় ব্যান্ডদলগুলোর মিলনমেলা ও সংগীতপ্রেমী তরুণদের অন্যতম আকর্ষণ 'জয় বাংলা' কনসার্টকে 'না' বলছেন দেশের অনেক জনপ্রিয় ব্যান্ড ও সংগীতশিল্পীরা। চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে সহিংসতার প্রতিক্রিয়া হিসেবে শিল্পীদের এই প্রতিবাদ।
জনপ্রিয় বেশ কিছু ব্যান্ড ও সংগীতশিল্পী ইতোমধ্যে প্রকাশ্যে ফেসবুকে ঘোষণা দিয়েছেন যে তারা আর এই অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন না।
দেশাত্মবোধক ও সামাজিক ন্যায়বিচারের গানের জন্য জনপ্রিয় ব্যান্ড ক্রিপটিক ফেইট দেশের জনপ্রিয় কনসার্টগুলো মাতিয়ে রাখে। তারা বলেছে, "দেশপ্রেম, মুক্তিযুদ্ধ, অন্যায় ও নিপীড়নের মতো বিষয়ের প্রতি আমাদের ফোকাস থাকায় আসন্ন জয় বাংলা কনসার্টে পারফর্ম করা আমাদের পক্ষে অসম্ভব। তাই আমাদের উত্তর হল 'না'।"
আরেকটি জনপ্রিয় হার্ড রক ব্যান্ড আরবোভাইরাসও সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের বয়কট ঘোষণা করেছে। তারা লিখেছে, "জয় বাংলা কনসার্টে আরবোভাইরাস কখনই পারফর্ম করবে না।"
জয় বাংলা কনসার্ট বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নেমেসিসও। তাদের বক্তব্যের আরও বিশদ বিবরণ দিয়ে তারা ফেসবুকে ঘোষণা করেছে, "গত দুই সপ্তাহের ঘটনাগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে, এটা স্পষ্ট যে আমরা আর কখনো জয় বাংলা কনসার্টে পারফর্ম করব না।"
"কিন্তু কথা এখানেই শেষ হতে পারে না। আমাদের আরও কথা বলার আছে। আগেও বলেছি, এখন আরও জোরে বলতে হবে। আমাদের সবার বলতে হবে। আমাদের প্রজন্ম আমরা ৩০ বছর ধরে একটা ভয়ের সংস্কৃতিতে বড় হয়েছি। গানে গানে প্রতিবাদ করা ছাড়া মনে হতো আর কিছুই করার নেই। বয়সে ছোট ছিলাম, ভাবতাম আমাদের কথা কেই বা শুনবে। কিন্তু আর কত ভয়?''
নেমেসিস আরও লিখেছে, "বর্তমান প্রজন্ম আমাদের দেখিয়ে দিচ্ছে যে আমরা যদি সাহস জোগাই, আমরা সবাই কথা বলতে পারব, ভুলকে ভুল বলার সাহস রাখতে পারব। কারণ আমরা সবাই একটি ন্যায়সঙ্গত সমাজ দেখতে চাই ও সত্যের সংস্কৃতি গড়তে চাই। তাই কথা বলা থামানো যাবে না, অন্যায় দেখে প্রতিবাদ করা থামানো যাবে না। আপনারা করছেন, আমরা করছি, আরও অনেক মানুষ করবে। সময় লাগতে পারে, কিন্তু সবাই জেগে উঠছে।"
পপাই নামে পরিচিত রাফান ইমাম একইভাবে কনসার্টের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করে বলেছেন, "আপনি আমাকে জয় বাংলা কনসার্টে কখনও পারফর্ম করতে দেখবেন না।"
এর আগে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় বাংলা ফাইভের সিনা হাসান ১৭ জুলাই বর্জনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, "একজন শিল্পী হিসেবে আমি ‘জয় বাংলা’ কনসার্ট বয়কট করলাম। এই ঠ্যাং চাটা তোষামোদকারী 'ছেলেভুলানো' কনসার্টে আমাকে শিল্পী বা দর্শক কোন হিসেবেই যেনো কখনই ডাকা না হয়"
জনপ্রিয় এই ব্যান্ডগুলো কনসার্ট থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার পর কনসার্টের ভবিষ্যৎ প্রায় অনিশ্চিত। সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) এবং এর যুব শাখা 'ইয়াং বাংলা' বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ স্মরণে প্রতি বছর এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

‘এমন যদি হতো/ ইচ্ছে হলে আমি হতাম/ প্রজাপতির মতো...’ পঙ্ক্তির এমন যদি হতো কিংবা ‘ধন্য সবাই ধন্য/ অস্ত্র ধরে যুদ্ধ করে/ মাতৃভূমির জন্য...’ পঙ্ক্তির মুক্তিসেনার মতো কালজয়ী সব ছড়া রচনা করে সুকুমার বড়ুয়া পেয়েছিলেন ‘ছড়াসম্রাট’ খ্যাতি।
১১ দিন আগে
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, কিছু সংবাদ মাধ্যম এবং বিভিন্ন ফেসবুক পেইজে উক্ত বিষয়টি ‘অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা’ করা হয়েছে মর্মে সংবাদ প্রকাশ করে, বিষয়টি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির দৃষ্টিগোচর হয়েছে, যা একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দুঃখজনক বলে উল্লেখ করা হয়।
২৪ দিন আগে
একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এ চলচ্চিত্রটির মুক্তির তারিখ এর আগে তিন দফা পরিবর্তন করা হয়। সবশেষ নির্ধারিত তারিখ ছিল আগামী ২৫ ডিসেম্বর।
২৪ দিন আগে
১৬ ডিসেম্বর ছিল সেই দিন, যেদিন প্রমাণিত হয়েছিল— একটি নিরস্ত্র জাতি যখন স্বাধীনতার মন্ত্রে দীক্ষিত হয়, তখন পৃথিবীর কোনো পরাশক্তি বা আধুনিক সমরাস্ত্র তাদের দাবিয়ে রাখতে পারে না। মার্কিন সপ্তম নৌ বহর বঙ্গোপসাগরের নীল জলেই থমকে দাঁড়িয়েছিল। আর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সব কূটচাল ব্যর্থ হয়ে গিয়েছিল বাঙা
১৬ ডিসেম্বর ২০২৫