
বিনোদন প্রতিবেদক

‘আমার পেটের মধ্যে বোমা মারলেও, মাথায় পিস্তল ধরলেও আমি রাকিবের ব্যাপারে খারাপ কিছু বলতে পারব না’- এমনই মন্তব্য করলেন চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি।
মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ফেসবুকে এক ভিডিওবার্তা নিয়ে হাজির হয়ে এই কথাগুলো বলেন মাহি। এ সময় সিনেমা থেকে দূরে সরে আসার কারণও জানান অভিনেত্রী।
মাহি বলেন, ‘রাকিব আমার সাবেক স্বামী ছিলেন, আমার ভালোবাসার মানুষ ছিলেন। আমি তাকে ভালোবাসছি। অল্প না, অনেক ভালোবাসছি। যার কারণে আমি সিনেমা থেকে অনেক দূরে চলে গিয়েছিলাম। কেন গিয়েছি, কারণ তিনি তা পছন্দ করতেন না। সে আমাকে কখনো বলে নাই যে তুমি সিনেমা করতে পারবে না। আমার মনে হয়েছে যে ওরে এটা (সিনেমা) পছন্দ না। আমি এজন্য সিনেমা থেকে সরে গিয়েছিলাম।’
রাকিবকে এখনও সম্মান করেন জানিয়ে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘রাকিব ফেসবুকে কী লিখলো, কী লিখলো না সেটা আমার কিছু না, আমি ‘ডন্ট কেয়ার’। আমার পেটের মধ্যে বোমা মারলেও, আমার মাথায় পিস্তল ধরলেও আমি রাকিবের ব্যাপারে খারাপ কিছু বলতে পারব না। আমি তাকে সম্মান করি এবং এটা মৃত্যু পর্যন্ত থাকবে। ওর কী কোনো নেগেটিভ সাইট নাই? দুইটা মানুষ প্রেম করার সময় বোঝা যায় না কার কী প্রবলেম। বিয়ের হলে বোঝা যায় কার কী প্রবলেম।’
এ সময় সাংবাদিক ও ভক্তদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমার কোনো গান ভালো লাগলে সেটা ফেসবুকে লিখি, কোনো সিনেমা দেখলে ডায়লগ ভালো লাগলে সেটা ফেসবুকে লিখি, সেজন্য আমার মন খারপ এমন নয়। তবে হ্যাঁ, দীর্ঘদিনের এক সম্পর্ক থেকে বের হয়ে এসেছি সেজন্য মন খারাপ। তবে এটা নিয়ে যেভাবে নিউজ হচ্ছে, মনে হচ্ছে যেন আমি দ্বারে দ্বারে ঘুরতেছি। না, আমার কাউকে লাগবে না। আমার ফারিশ আছে। আমি তাকে নিয়েই ভালো আছি।’
গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ফেসবুকে এক ভিডিওবার্তায় স্বামী রকিব সরকারের সঙ্গে বিয়ে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান মাহিয়া মাহি। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদের ব্যাপারে তখন কিছুই জানাননি তিনি। কিন্তু এরপর থেকে ফেসবুকে বিভিন্ন সময় করা পোস্টে নিজের একাকিত্বে ভোগা ও আস্থাহীনতার বিষয় তুলে ধরেছেন তিনি।

‘আমার পেটের মধ্যে বোমা মারলেও, মাথায় পিস্তল ধরলেও আমি রাকিবের ব্যাপারে খারাপ কিছু বলতে পারব না’- এমনই মন্তব্য করলেন চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি।
মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ফেসবুকে এক ভিডিওবার্তা নিয়ে হাজির হয়ে এই কথাগুলো বলেন মাহি। এ সময় সিনেমা থেকে দূরে সরে আসার কারণও জানান অভিনেত্রী।
মাহি বলেন, ‘রাকিব আমার সাবেক স্বামী ছিলেন, আমার ভালোবাসার মানুষ ছিলেন। আমি তাকে ভালোবাসছি। অল্প না, অনেক ভালোবাসছি। যার কারণে আমি সিনেমা থেকে অনেক দূরে চলে গিয়েছিলাম। কেন গিয়েছি, কারণ তিনি তা পছন্দ করতেন না। সে আমাকে কখনো বলে নাই যে তুমি সিনেমা করতে পারবে না। আমার মনে হয়েছে যে ওরে এটা (সিনেমা) পছন্দ না। আমি এজন্য সিনেমা থেকে সরে গিয়েছিলাম।’
রাকিবকে এখনও সম্মান করেন জানিয়ে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘রাকিব ফেসবুকে কী লিখলো, কী লিখলো না সেটা আমার কিছু না, আমি ‘ডন্ট কেয়ার’। আমার পেটের মধ্যে বোমা মারলেও, আমার মাথায় পিস্তল ধরলেও আমি রাকিবের ব্যাপারে খারাপ কিছু বলতে পারব না। আমি তাকে সম্মান করি এবং এটা মৃত্যু পর্যন্ত থাকবে। ওর কী কোনো নেগেটিভ সাইট নাই? দুইটা মানুষ প্রেম করার সময় বোঝা যায় না কার কী প্রবলেম। বিয়ের হলে বোঝা যায় কার কী প্রবলেম।’
এ সময় সাংবাদিক ও ভক্তদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমার কোনো গান ভালো লাগলে সেটা ফেসবুকে লিখি, কোনো সিনেমা দেখলে ডায়লগ ভালো লাগলে সেটা ফেসবুকে লিখি, সেজন্য আমার মন খারপ এমন নয়। তবে হ্যাঁ, দীর্ঘদিনের এক সম্পর্ক থেকে বের হয়ে এসেছি সেজন্য মন খারাপ। তবে এটা নিয়ে যেভাবে নিউজ হচ্ছে, মনে হচ্ছে যেন আমি দ্বারে দ্বারে ঘুরতেছি। না, আমার কাউকে লাগবে না। আমার ফারিশ আছে। আমি তাকে নিয়েই ভালো আছি।’
গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ফেসবুকে এক ভিডিওবার্তায় স্বামী রকিব সরকারের সঙ্গে বিয়ে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান মাহিয়া মাহি। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদের ব্যাপারে তখন কিছুই জানাননি তিনি। কিন্তু এরপর থেকে ফেসবুকে বিভিন্ন সময় করা পোস্টে নিজের একাকিত্বে ভোগা ও আস্থাহীনতার বিষয় তুলে ধরেছেন তিনি।

‘এমন যদি হতো/ ইচ্ছে হলে আমি হতাম/ প্রজাপতির মতো...’ পঙ্ক্তির এমন যদি হতো কিংবা ‘ধন্য সবাই ধন্য/ অস্ত্র ধরে যুদ্ধ করে/ মাতৃভূমির জন্য...’ পঙ্ক্তির মুক্তিসেনার মতো কালজয়ী সব ছড়া রচনা করে সুকুমার বড়ুয়া পেয়েছিলেন ‘ছড়াসম্রাট’ খ্যাতি।
১১ দিন আগে
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, কিছু সংবাদ মাধ্যম এবং বিভিন্ন ফেসবুক পেইজে উক্ত বিষয়টি ‘অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা’ করা হয়েছে মর্মে সংবাদ প্রকাশ করে, বিষয়টি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির দৃষ্টিগোচর হয়েছে, যা একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দুঃখজনক বলে উল্লেখ করা হয়।
২৪ দিন আগে
একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এ চলচ্চিত্রটির মুক্তির তারিখ এর আগে তিন দফা পরিবর্তন করা হয়। সবশেষ নির্ধারিত তারিখ ছিল আগামী ২৫ ডিসেম্বর।
২৪ দিন আগে
১৬ ডিসেম্বর ছিল সেই দিন, যেদিন প্রমাণিত হয়েছিল— একটি নিরস্ত্র জাতি যখন স্বাধীনতার মন্ত্রে দীক্ষিত হয়, তখন পৃথিবীর কোনো পরাশক্তি বা আধুনিক সমরাস্ত্র তাদের দাবিয়ে রাখতে পারে না। মার্কিন সপ্তম নৌ বহর বঙ্গোপসাগরের নীল জলেই থমকে দাঁড়িয়েছিল। আর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সব কূটচাল ব্যর্থ হয়ে গিয়েছিল বাঙা
১৬ ডিসেম্বর ২০২৫