সত্যিই কি বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন অভিষেক-ঐশ্বরিয়া?

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২৪, ১৪: ১৪

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ও অভিষেক বচ্চন। অভিনয় জীবনের পাশাপাশি সংসার জীবনও বেশ ভালো কাটছিলো এই তারকা দম্পতির। তবে বহু দিন ধরেই তাদের সংসারে ভাঙনের সুর বাজছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো।

অনন্ত আম্বানির বিয়ের অনুষ্ঠানে সেই গুঞ্জন আরও তীব্র হয়েছে। বিয়েবাড়িতে আলাদা করে মেয়ে আরাধ্যকে নিয়ে ক্যামেরার সামনে পোজ দেন ঐশ্বরিয়া। বচ্চন পরিবার ছবি তোলে আলাদাভাবে। তবে অনুষ্ঠানে পাশাপাশি বসেছিলেন ঐশ্বরিয়া-অভিষেক। পাশে ছিল মেয়ে আরাধ্যও।

সম্প্রতি অভিষেকের একটি পোস্টকে ঘিরে সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে হিনা খন্ডেলওয়াল নামের এক নারী ভারতীয় দম্পতিদের মধ্যে বিচ্ছেদের প্রবণতা কীভাবে বাড়ছে, সেটি নিয়ে একটি পোস্ট করেন।

লিখেছেন, ‘ভালোবাসাই যখন কঠিন হয়ে ওঠে, দীর্ঘকাল বিবাহিত জীবন যাপন করা দম্পতিরাও তখন বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন। কী এমন ঘটে, যার জন্য এত বছরের বৈবাহিক জীবনে ইতি টানতে হয়’

কীভাবে দিন দিন বিবাহবিচ্ছেদের হার বাড়ছে, তারও বিস্তারিত বর্ণনা আছে পোস্টে। সেখানে বলা হয়েছে, বিবাহবিচ্ছেদ মোটেও সহজ বিষয় নয়।

সেই পোস্টে লাইক দিয়েছেন স্বয়ং অভিষেক বচ্চন। এরপরই নেটিজেনরা হামলে পড়েন। প্রশ্ন ওঠে, সত্যিই কি বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন অভিষেক ও ঐশ্বরিয়া?

২০০৭ সালের ২০ এপ্রিল বিয়ে করেছিলেন অভিষেক-ঐশ্বরিয়া।

ad
ad

সাত-পাঁচ থেকে আরও পড়ুন

কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার আর নেই

লিভার-সংক্রান্ত জটিলতায় গত কয়েক দিন ধরে চরম সংকটাপন্ন অবস্থায় ছিলেন কারিনা। প্রথমে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স যোগে তাকে ভারতের চেন্নাইয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

১০ দিন আগে

সেবা প্রকাশনীতে অনিয়ম-দুর্নীতি, কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা

১২ দিন আগে

নায়িকার অভিযোগ, মুক্তি পাচ্ছে না ‘কন্ট্র্যাক্ট ম্যারেজ’

নানা সমালোচনার পর মুক্তির দুই দিন আগেই স্থগিত করা হলো চিত্রনায়িকা মৌসুমী অভিনীত সিনেমা ‘কন্ট্র্যাক্ট ম্যারেজ’-এর সেন্সর সনদপত্র। অভিনেত্রী জেবা জান্নাতের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সিনেমার সেন্সর সনদপত্রটি বাতিল করা হয়।

১২ দিন আগে

যুদ্ধ-ক্ষুধা-অবিনাশী সৌন্দর্য— মারাহ খালেদের ক্যানভাসে গাজার দিনলিপি

মারাহর কাজগুলো নিয়ে আমি যখন পড়ালেখা করছিলাম, আমাকে সবচেয়ে বেশি নাড়া দিয়েছিল তার সেই ছোট্ট তাঁবুর গল্প। এক শরণার্থী শিবিরের ভেতরে, যেখানে মানুষের নিজের জন্য জায়গা নেই, সেখানে একটি তাঁবুকে গ্যালারি বানিয়ে ফেলল সে। এ যেন সেই প্রবল ধ্বংসযজ্ঞ ও অসহায়ত্বের মধ্যেও এক নীরব বিদ্রোহ।

১৩ দিন আগে