
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

কাউকে সামনাসামনি প্রশংসা করাতে বাঙালির জুড়ি মেলা ভার। আর কোনো সংবর্ধা অনুষ্ঠান হলে তো কথাই নেই। মানপত্রে সংবর্ধিত ব্যক্তি ওপরে ওঠাতে ওঠাতে একেবারে মগডালে তুলে দেওয়া হয়। কিন্তু গাছে তুললেই তো সবাই উঠতে চান না। রাজনীতিবিদের্ কথা আলাদা। সাহিত্যিকরা এমন তেলবাজি সইতে নাও পারেন। কাজী নজরুল ইসলামের ক্ষেত্রে এমন ঘটনা ঘটেছিল একবার।
নজরুল ইসলাম ছিলেন সত্যিকারের সব্যসাচী। তিনি কবিতা, গান, নাটক, উপন্যাস সহ সাহিত্যের সকল শাখায়ই দক্ষতা দেখিয়েছিলেন।
একদিন তিনি একটি সাহিত্য সভায় যোগদান করলেন। সভায় সভাপতি বক্তৃতা দিচ্ছিলেন।
বক্তৃতায় তিনি নজরুলের প্রশংসা করতে করতে বললেন, ‘কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তিনি একজন অসাধারণ প্রতিভা।’
নজরুল এই প্রশংসা শুনে লজ্জা পেলেন। তিনি উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘সভাপতি মহাশয়, আমি উজ্জ্বল নক্ষত্র নই। আমি বরং উজ্জ্বল নক্ষত্রের আগুনে পোড়া একটা পতঙ্গ।’

কাউকে সামনাসামনি প্রশংসা করাতে বাঙালির জুড়ি মেলা ভার। আর কোনো সংবর্ধা অনুষ্ঠান হলে তো কথাই নেই। মানপত্রে সংবর্ধিত ব্যক্তি ওপরে ওঠাতে ওঠাতে একেবারে মগডালে তুলে দেওয়া হয়। কিন্তু গাছে তুললেই তো সবাই উঠতে চান না। রাজনীতিবিদের্ কথা আলাদা। সাহিত্যিকরা এমন তেলবাজি সইতে নাও পারেন। কাজী নজরুল ইসলামের ক্ষেত্রে এমন ঘটনা ঘটেছিল একবার।
নজরুল ইসলাম ছিলেন সত্যিকারের সব্যসাচী। তিনি কবিতা, গান, নাটক, উপন্যাস সহ সাহিত্যের সকল শাখায়ই দক্ষতা দেখিয়েছিলেন।
একদিন তিনি একটি সাহিত্য সভায় যোগদান করলেন। সভায় সভাপতি বক্তৃতা দিচ্ছিলেন।
বক্তৃতায় তিনি নজরুলের প্রশংসা করতে করতে বললেন, ‘কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তিনি একজন অসাধারণ প্রতিভা।’
নজরুল এই প্রশংসা শুনে লজ্জা পেলেন। তিনি উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘সভাপতি মহাশয়, আমি উজ্জ্বল নক্ষত্র নই। আমি বরং উজ্জ্বল নক্ষত্রের আগুনে পোড়া একটা পতঙ্গ।’

‘এমন যদি হতো/ ইচ্ছে হলে আমি হতাম/ প্রজাপতির মতো...’ পঙ্ক্তির এমন যদি হতো কিংবা ‘ধন্য সবাই ধন্য/ অস্ত্র ধরে যুদ্ধ করে/ মাতৃভূমির জন্য...’ পঙ্ক্তির মুক্তিসেনার মতো কালজয়ী সব ছড়া রচনা করে সুকুমার বড়ুয়া পেয়েছিলেন ‘ছড়াসম্রাট’ খ্যাতি।
১০ দিন আগে
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, কিছু সংবাদ মাধ্যম এবং বিভিন্ন ফেসবুক পেইজে উক্ত বিষয়টি ‘অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা’ করা হয়েছে মর্মে সংবাদ প্রকাশ করে, বিষয়টি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির দৃষ্টিগোচর হয়েছে, যা একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দুঃখজনক বলে উল্লেখ করা হয়।
২৩ দিন আগে
একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এ চলচ্চিত্রটির মুক্তির তারিখ এর আগে তিন দফা পরিবর্তন করা হয়। সবশেষ নির্ধারিত তারিখ ছিল আগামী ২৫ ডিসেম্বর।
২৩ দিন আগে
১৬ ডিসেম্বর ছিল সেই দিন, যেদিন প্রমাণিত হয়েছিল— একটি নিরস্ত্র জাতি যখন স্বাধীনতার মন্ত্রে দীক্ষিত হয়, তখন পৃথিবীর কোনো পরাশক্তি বা আধুনিক সমরাস্ত্র তাদের দাবিয়ে রাখতে পারে না। মার্কিন সপ্তম নৌ বহর বঙ্গোপসাগরের নীল জলেই থমকে দাঁড়িয়েছিল। আর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সব কূটচাল ব্যর্থ হয়ে গিয়েছিল বাঙা
১৬ ডিসেম্বর ২০২৫