
মাহমুদুল হাসান উৎস

বাংলাভাষার প্রথম সংবাদপত্রটির নাম জানেন?বাংলাভাষার প্রথম সংবাদপত্রটির নাম জানেন?
সমাচার দর্পন। এটা চালু করেন শ্রীরামপুরের মিশনারিগণ। এই পত্রিকা চালু করার মধ্য দিয়ে এদেশের সাংবাদিকতাচর্চার দ্বার খুলে যায়।
এটিই প্রথম বাংলা সংবাদপত্র। প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয় ১৮১৮ সালের ২৩ মে। বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির ইতিহাসে এই পত্রিকাটি অত্যন্ত গুরুত্ববহ। সমাচার দর্পণ প্রথম প্রকাশের দিনটি ছিল শনিবার।
সম্পাদক হিসেবে মার্শম্যানের নাম ছাপা হলেও প্রকৃতপক্ষে সে সময়কার খ্যাতিমান বাঙালি পণ্ডিতরা এই পত্রিকার সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এদের মধ্যে ছিলেন জয়গোপাল তর্কালঙ্কার, তারিণীচরণ শিরোমণি প্রমুখ। পত্রিকাটি যথেষ্ট মানসম্পন্নভাবে প্রকাশে তাঁরা ছিলেন সচেষ্ট।
প্রকাশক-পরিচালকরা নানা রকম পরীক্ষা-নিরীক্ষাও করেন। যেমন: ফারসি সংস্করণ প্রকাশ, দ্বিভাষিক অর্থাৎ বাংলা ও ইংরেজি রূপে প্রকাশ, বুধ ও শনিবার সপ্তাহে দুই দিন। ফারসি সংস্করণটি বেশি দিন স্থায়ী হয়নি এবং বুধবারের সংখ্যাটিও অল্প কিছুদিনের মধ্যেই বন্ধ হয়ে যায়। সমাচার দর্পণে প্রকাশিত হতো দেশ-বিদেশের নানা খবর, ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্প, আইন, নতুন আবিষ্কার, বই-বিবরণ, ভারতবর্ষের প্রাচীন ইতিহাস ইত্যাদি নানা বিষয়।
প্রথম প্রকাশের পর প্রথম তিন সপ্তাহ পত্রিকাটি বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। পরবর্তী সময়ে মূল্য নির্ধারণ করা হয় প্রতি মাসে দেড় টাকা। প্রায় ২৩ বছর ধারাবাহিকভাবে প্রকাশের পর ১৮৪১ সালের ২৫ ডিসেম্বর সমাচার দর্পণ বন্ধ হয়ে যায়। উনবিংশ শতকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের নবজাগরণে সমাচার দর্পণের যথেষ্ট অবদান ছিল।

বাংলাভাষার প্রথম সংবাদপত্রটির নাম জানেন?বাংলাভাষার প্রথম সংবাদপত্রটির নাম জানেন?
সমাচার দর্পন। এটা চালু করেন শ্রীরামপুরের মিশনারিগণ। এই পত্রিকা চালু করার মধ্য দিয়ে এদেশের সাংবাদিকতাচর্চার দ্বার খুলে যায়।
এটিই প্রথম বাংলা সংবাদপত্র। প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয় ১৮১৮ সালের ২৩ মে। বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির ইতিহাসে এই পত্রিকাটি অত্যন্ত গুরুত্ববহ। সমাচার দর্পণ প্রথম প্রকাশের দিনটি ছিল শনিবার।
সম্পাদক হিসেবে মার্শম্যানের নাম ছাপা হলেও প্রকৃতপক্ষে সে সময়কার খ্যাতিমান বাঙালি পণ্ডিতরা এই পত্রিকার সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এদের মধ্যে ছিলেন জয়গোপাল তর্কালঙ্কার, তারিণীচরণ শিরোমণি প্রমুখ। পত্রিকাটি যথেষ্ট মানসম্পন্নভাবে প্রকাশে তাঁরা ছিলেন সচেষ্ট।
প্রকাশক-পরিচালকরা নানা রকম পরীক্ষা-নিরীক্ষাও করেন। যেমন: ফারসি সংস্করণ প্রকাশ, দ্বিভাষিক অর্থাৎ বাংলা ও ইংরেজি রূপে প্রকাশ, বুধ ও শনিবার সপ্তাহে দুই দিন। ফারসি সংস্করণটি বেশি দিন স্থায়ী হয়নি এবং বুধবারের সংখ্যাটিও অল্প কিছুদিনের মধ্যেই বন্ধ হয়ে যায়। সমাচার দর্পণে প্রকাশিত হতো দেশ-বিদেশের নানা খবর, ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্প, আইন, নতুন আবিষ্কার, বই-বিবরণ, ভারতবর্ষের প্রাচীন ইতিহাস ইত্যাদি নানা বিষয়।
প্রথম প্রকাশের পর প্রথম তিন সপ্তাহ পত্রিকাটি বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। পরবর্তী সময়ে মূল্য নির্ধারণ করা হয় প্রতি মাসে দেড় টাকা। প্রায় ২৩ বছর ধারাবাহিকভাবে প্রকাশের পর ১৮৪১ সালের ২৫ ডিসেম্বর সমাচার দর্পণ বন্ধ হয়ে যায়। উনবিংশ শতকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের নবজাগরণে সমাচার দর্পণের যথেষ্ট অবদান ছিল।

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা আইএএনএস জানিয়েছে, অভিনেতাদের পৃথক ঠিকানায় নোটিশগুলো পাঠানো হয়েছে। অজয় দেবগনের জুহুর বাসভবন ও শাহরুখ খানের বান্দ্রার বাসভবন ‘মান্নাত’-এ নোটিশ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। টাইগার শ্রফকে তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘টাইগার শ্রফ প্রোডাকশনস’-এর মাধ্যমে নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
১৪ দিন আগে
বাংলা থিয়েটারে মৌলিক নাটকের দুষ্প্রাপ্যতার প্রেক্ষাপটে প্রখ্যাত নাট্যব্যক্তিত্ব মনোজ মিত্র এই প্রতিযোগিতা চালু করেছিলেন। মনোজ মিত্র প্রকল্পিত পার্থপ্রতিম স্মরণে সুন্দরম আয়োজিত এ প্রতিযোগিতার এটি ছিল ৩৩তম আসর।
১৫ দিন আগে
গত ৬ আগস্ট রাত ১২টা থেকে দর্শকদের জন্য সিনেমাটি উন্মুক্ত করা হয়েছে। সাইফ চন্দন পরিচালিত অ্যাকশন-থ্রিলারধর্মী সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর দর্শকমহলে বেশ সাড়া ফেলেছিল।
২২ দিন আগে
তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন সহশিল্পী, অভিনয়শিল্পী ও দেশ-বিদেশের অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগী। স্বাগত দের প্রয়াণে বাংলা লোকসংগীত অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হলো বলে মন্তব্য করেছেন দেশের বিশিষ্ট শিল্পী ও সংস্কৃতিজনেরা।
২৪ দিন আগে