
অরুণ কুমার

পেটুক বললে কি অন্যায় হয়? আচ্ছা বাদ দিন, ভোজনরসিকই বলা যাক। বিভূতিভূষণ ছিলেন সত্যিকার ভোজনরসিক। খাওয়া নিয়ে তাঁর অসংখ্য গল্প আছে। তবে মেদনিপুরের কাকড়াকাণ্ড সবগুলোকে ছাড়িয়ে গেছে।
বিভূতির কাকড়াকাণ্ডসাহিত্যিককে পেটুক বললে কি অন্যায় হয়? আচ্ছা বাদ দিন, ভোজনরসিকই বলা যাক। বিভূতিভূষণ ছিলেন সত্যিকার ভোজনরসিক। খাওয়া নিয়ে তাঁর অসংখ্য গল্প আছে। তবে মেদনিপুরের কাকড়াকাণ্ড সবগুলোকে ছাড়িয়ে গেছে।বললে কি অন্যায় হয়? আচ্ছা বাদ দিন, ভোজনরসিকই বলা যাক। বিভূতিভূষণ ছিলেন সত্যিকার ভোজনরসিক। খাওয়া নিয়ে তাঁর অসংখ্য গল্প আছে। তবে মেদনিপুরের কাকড়াকাণ্ড সবগুলোকে ছাড়িয়ে গেছে।
এক সাহিত্যসভায় ডাক পড়েছে বিভুতিভূষণের। সঙ্গে আরও কয়েকজন তরুণ সাহিত্যিক।
একদিন আগেই তাঁরা মেদনিপুর পৌঁছে গেছেন। পরদিনের সভার কার কি দায়িত্ব বুঝিয়ে দিচ্ছেন আয়োজকেরা। বিভূতিভূষণ সেখানে গিয়ে হাজির। তরুণ সাহিত্যিকেরা ভেবেছিলেন বিভূতিভূষণ বুঝি পরদিনের সভা নিয়ে আলোচনা করবেন। কোথায় কি, তিনি বরং খাওয়া-দাওয়া নিয়ে আলোচনা শুরু করে দিলেনন:
‘শুনেছি, মেদনিপুরের কাকড়ার ঝোল দেশজুড়ে বিখ্যাত। নিশ্চয় আমাদেরও কাকড়ার ঝোল খাওয়াবেন?’
প্রধান আয়োজক বললেন, ‘আগে জানিয়ে রাখতেন মশায়, ভালো জাতের কাকড়া আনিয়ে রাখতাম। তবে বলছেন যখন, দেখি কী করা যায়।’
রাতে সাহিত্যিকদের একঘরে শুতে দেওয়া হয়েছে। হঠাৎ কীসের যেন আওয়াজ আসে ঘরের এক কোণ থেকে। খড়খড় আওয়াজ। তরুণ সাহিত্যিকেরা ভেবেছিলেন বোধহয় ইঁদুর ঘোরাঘুরি করছে। তরুণেরা আতঙ্কিত, বলা যায় না তাঁদের পোশাক-আশাক যদি কেটে দেয়!
বিভূতিভষণ তাদের বলেন, ‘থামবি তোরা, ঘুমুতে দে, ওগুলো ইঁদুর নয়, কাকড়া।’
তরুণেরা টর্চ জ্বেলে একটা মুখবাঁধা বস্তা দেখতে পেলেন, তার ভেতর থেকেই আসছে শব্দটা।
বিভূতি বললেন, ‘কাকড়ার ব্যবস্থা যে হয়েছে, আগামীকাল আমাদের কাঁকড়ার ঝোল খাওয়ানো হবে, সেটা বোঝানোর জন্যই কাকড়ার বস্তা এখানে রাখা হয়েছে।’
‘কিন্তু এত কাকড়া কে খাবে?’ বললেন এক তরুণ সাহিত্যিক।
‘আরে, আধাবস্তা কাল ঝোল খাওয়াবে, বাকিটা ফেরার পথে আমাদের সঙ্গে ট্রেনে তুলে দেবে।’
পরদিন সাহিত্যসভা শেষে শুরু হলো ভোজনপর্ব। কাকড়ার ঝোল দেওয়া হলো সবাইকে, এক বাটি করে। কিন্তু বিভূতির এক বাটিতে পেট ভরে! একটা করে বাটি শেষ করেন, আবার আরেকবাটির ফরমাশ দেন। এভাবে একের পর এক বাটি আসতে থাকল আর বিভুতি সেগুলো খালি করতে থাকলেন প্রায় একঘণ্টা ধরে। ফল যা হওয়ার তাই হলো। পরদিন আর সবার সঙ্গে তাঁর ফেরা হলো না। বিছানায় পড়ে থাকলেন পাকা তিনদিন, শুধু বাথরুমে যাওয়া আসা চলল!

পেটুক বললে কি অন্যায় হয়? আচ্ছা বাদ দিন, ভোজনরসিকই বলা যাক। বিভূতিভূষণ ছিলেন সত্যিকার ভোজনরসিক। খাওয়া নিয়ে তাঁর অসংখ্য গল্প আছে। তবে মেদনিপুরের কাকড়াকাণ্ড সবগুলোকে ছাড়িয়ে গেছে।
বিভূতির কাকড়াকাণ্ডসাহিত্যিককে পেটুক বললে কি অন্যায় হয়? আচ্ছা বাদ দিন, ভোজনরসিকই বলা যাক। বিভূতিভূষণ ছিলেন সত্যিকার ভোজনরসিক। খাওয়া নিয়ে তাঁর অসংখ্য গল্প আছে। তবে মেদনিপুরের কাকড়াকাণ্ড সবগুলোকে ছাড়িয়ে গেছে।বললে কি অন্যায় হয়? আচ্ছা বাদ দিন, ভোজনরসিকই বলা যাক। বিভূতিভূষণ ছিলেন সত্যিকার ভোজনরসিক। খাওয়া নিয়ে তাঁর অসংখ্য গল্প আছে। তবে মেদনিপুরের কাকড়াকাণ্ড সবগুলোকে ছাড়িয়ে গেছে।
এক সাহিত্যসভায় ডাক পড়েছে বিভুতিভূষণের। সঙ্গে আরও কয়েকজন তরুণ সাহিত্যিক।
একদিন আগেই তাঁরা মেদনিপুর পৌঁছে গেছেন। পরদিনের সভার কার কি দায়িত্ব বুঝিয়ে দিচ্ছেন আয়োজকেরা। বিভূতিভূষণ সেখানে গিয়ে হাজির। তরুণ সাহিত্যিকেরা ভেবেছিলেন বিভূতিভূষণ বুঝি পরদিনের সভা নিয়ে আলোচনা করবেন। কোথায় কি, তিনি বরং খাওয়া-দাওয়া নিয়ে আলোচনা শুরু করে দিলেনন:
‘শুনেছি, মেদনিপুরের কাকড়ার ঝোল দেশজুড়ে বিখ্যাত। নিশ্চয় আমাদেরও কাকড়ার ঝোল খাওয়াবেন?’
প্রধান আয়োজক বললেন, ‘আগে জানিয়ে রাখতেন মশায়, ভালো জাতের কাকড়া আনিয়ে রাখতাম। তবে বলছেন যখন, দেখি কী করা যায়।’
রাতে সাহিত্যিকদের একঘরে শুতে দেওয়া হয়েছে। হঠাৎ কীসের যেন আওয়াজ আসে ঘরের এক কোণ থেকে। খড়খড় আওয়াজ। তরুণ সাহিত্যিকেরা ভেবেছিলেন বোধহয় ইঁদুর ঘোরাঘুরি করছে। তরুণেরা আতঙ্কিত, বলা যায় না তাঁদের পোশাক-আশাক যদি কেটে দেয়!
বিভূতিভষণ তাদের বলেন, ‘থামবি তোরা, ঘুমুতে দে, ওগুলো ইঁদুর নয়, কাকড়া।’
তরুণেরা টর্চ জ্বেলে একটা মুখবাঁধা বস্তা দেখতে পেলেন, তার ভেতর থেকেই আসছে শব্দটা।
বিভূতি বললেন, ‘কাকড়ার ব্যবস্থা যে হয়েছে, আগামীকাল আমাদের কাঁকড়ার ঝোল খাওয়ানো হবে, সেটা বোঝানোর জন্যই কাকড়ার বস্তা এখানে রাখা হয়েছে।’
‘কিন্তু এত কাকড়া কে খাবে?’ বললেন এক তরুণ সাহিত্যিক।
‘আরে, আধাবস্তা কাল ঝোল খাওয়াবে, বাকিটা ফেরার পথে আমাদের সঙ্গে ট্রেনে তুলে দেবে।’
পরদিন সাহিত্যসভা শেষে শুরু হলো ভোজনপর্ব। কাকড়ার ঝোল দেওয়া হলো সবাইকে, এক বাটি করে। কিন্তু বিভূতির এক বাটিতে পেট ভরে! একটা করে বাটি শেষ করেন, আবার আরেকবাটির ফরমাশ দেন। এভাবে একের পর এক বাটি আসতে থাকল আর বিভুতি সেগুলো খালি করতে থাকলেন প্রায় একঘণ্টা ধরে। ফল যা হওয়ার তাই হলো। পরদিন আর সবার সঙ্গে তাঁর ফেরা হলো না। বিছানায় পড়ে থাকলেন পাকা তিনদিন, শুধু বাথরুমে যাওয়া আসা চলল!

‘এমন যদি হতো/ ইচ্ছে হলে আমি হতাম/ প্রজাপতির মতো...’ পঙ্ক্তির এমন যদি হতো কিংবা ‘ধন্য সবাই ধন্য/ অস্ত্র ধরে যুদ্ধ করে/ মাতৃভূমির জন্য...’ পঙ্ক্তির মুক্তিসেনার মতো কালজয়ী সব ছড়া রচনা করে সুকুমার বড়ুয়া পেয়েছিলেন ‘ছড়াসম্রাট’ খ্যাতি।
১১ দিন আগে
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, কিছু সংবাদ মাধ্যম এবং বিভিন্ন ফেসবুক পেইজে উক্ত বিষয়টি ‘অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা’ করা হয়েছে মর্মে সংবাদ প্রকাশ করে, বিষয়টি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির দৃষ্টিগোচর হয়েছে, যা একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দুঃখজনক বলে উল্লেখ করা হয়।
২৩ দিন আগে
একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এ চলচ্চিত্রটির মুক্তির তারিখ এর আগে তিন দফা পরিবর্তন করা হয়। সবশেষ নির্ধারিত তারিখ ছিল আগামী ২৫ ডিসেম্বর।
২৪ দিন আগে
১৬ ডিসেম্বর ছিল সেই দিন, যেদিন প্রমাণিত হয়েছিল— একটি নিরস্ত্র জাতি যখন স্বাধীনতার মন্ত্রে দীক্ষিত হয়, তখন পৃথিবীর কোনো পরাশক্তি বা আধুনিক সমরাস্ত্র তাদের দাবিয়ে রাখতে পারে না। মার্কিন সপ্তম নৌ বহর বঙ্গোপসাগরের নীল জলেই থমকে দাঁড়িয়েছিল। আর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সব কূটচাল ব্যর্থ হয়ে গিয়েছিল বাঙা
১৬ ডিসেম্বর ২০২৫