কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে সহজেই বিভিন্ন বিষয়ের ছবি বা ভিডিও তৈরি করা যায়। কিন্তু এর মাধ্যমে অনেকেই ভুয়া ছবি বা ভিডিও তৈরি করছেন। এরই মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি বা টুলের কারণে শিশু পর্নোগ্রাফির বিস্তার ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে।
তুতেনখামেনের নামটা তিনি পেয়েছেন বেশ কয়েকটি হায়ারোগ্লিফিক লিপিতে।
ইনস্টাগ্রামে অনেকেই নিয়মিত ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেন। ইনস্টাগ্রামে ছবি বা ভিডিও প্রকাশ করলেই পোস্টের নিচে ইউজার নেম দেখা যায়। ফলে ইউজার নেমের মাধ্যমে পোস্টকারী ব্যক্তির পরিচয় জানতে পারেন অন্য ব্যবহারকারীরা।
এ দুজন জীন গবেষণার দিকপল বিজ্ঞানী। ক্রিক ছিলেন ওয়াটসনের ১২ বছরের বড়। তবু তাঁদের নাম উচ্চারণ করতে গেলেই আগে ওয়াটসনের নাম চলে আসে।
সূর্য আর চাঁদের মাঝখানে পৃথিবী এসে পড়ে বলেই চন্দ্রগ্রহণ হয়। চন্দ্রগ্রহণের সময় পৃথিবীর যে ছায়া পড়ে চাঁদের ওপর, সেই ছায়া সব সময় গোলাকার।
শুধু থিসিস পেপার নয়, সঙ্গে নিয়ে যান থমসনের লেখা একটা বইও। বইটার কোথাও একটা ভুল ছিল।
এর মধ্যে সবচেয়ে আলাদা হলো রেড জায়ান্ট বা লাল দানব। কেউ কেউ লোহিত দানব বলেন, কেউবা আবার আদর করে ডাকেন রক্তিম দানব নামে।
সেই যুগে সত্যজিতের মতো পরিচালকদের কালঘাম ছুটিয়ে দিয়েছে অভিনেতা প্রাণীগুলো।
রবিন গ্যাস্ট্রিক রোগীদের নমুনায় ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি পাওয়ার পর মার্শাল আরও কয়েকজন গ্যাস্ট্রিক আলসারে আক্রান্ত রোগীর পাকস্থলি পরীক্ষা করেন। দেখেন, সবগুলোতে মিলছে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া।
পুড়ে ভস্ম হওয়ার আগমুহূর্তেও ছিলেন নিজের বক্তব্যে অটল। তিনিই বিজ্ঞানের প্রথম শহীদ —জিওর্দানো ব্রুনো।
হোয়াটসঅ্যাপে চ্যাট ফিল্টার সুবিধা চালুর ফলে অন্যদের পাঠানো সর্বশেষ বার্তাগুলো বর্তমানের তুলনায় দ্রুত পড়া যায়।
সেই হিসাব থেকই বেরিয়ে আসে মহাবিশ্বের সংকোচন প্রসারণের ব্যাপারটা। তিনি স্থিতিশীল একটা মহাবিশ্বের কথা কল্পনা করেন সবসময়।
বিজ্ঞানীরাও সবকিছু আবিষ্কার করেন না। কিছু কিছু আবিষ্কার হয় নেহাত সাধারণ মানুষের হাতে। সেই আবিষ্কার ছোটখাটো নাও হতে পারে। এমনই একটা উদাহরণ আছে। বিশ্বজুড়ে কুখ্যাত রোগের এক জনপ্রিয় ওষুধ আবিষ্কার হয়েছিল খুব সাধারণ এক আদীবাসীর হাতে। সেটাও বিস্ময়করভাবে। ষোড়শ শতাব্দীর পেরু। একজন আদীবাসী লোক জঙ্গলে পথ হারিয়
রোজ দুজন আড্ডা দেন। অথচ এতগুলো বছরে বন্ধুর কাজের খবর বিন্দুমাত্র আঁচ করতে পারেননি!