
অরুণ কুমার

লুই পাস্তুরের সময় ইউরোপে বিশেষ করে ফ্রান্সে মিয়াজমা নামে একটা ভুল ধারণা চালু ছিল। সাধারণ মানুষ তো বটেই, চিকিৎসাবিজ্ঞানীরাও মনে করত অশুভ বাতাস মানুষের রোগ বালাইয়ের জন্য দায়ী। আরও একটা ভুল ধারণা চালু ছিল, সেটা এই মিয়াজমার কারণেই। মানুষ মনে করত রোগ-জীবাণু বা কীট পতঙ্গ নাকি এমনিতেই জন্ম নেয়। এ ধারণা আসলে আমাদের বাংলাদেশেও চালু ছিল ১৯৯০ দশক পর্যন্তও।
যেমন ধরা যাক, একটা সুন্দর পাকা পেয়ারা। কিন্তু কাটার পর দেখা গেল তার ভেতরে পোকা গিজ গিজ করছে। পেয়ারার ভেতর পোকা কোথা থেকে এলো? সাধারণ মানুষ মনে করত এমনিতেই এর ভেতর পোকা জন্ম নেয়। কোথাও খাবার রেখে দিলে কয়েকদিন পর দেখা যায়, তার ভেতর পোকা জন্মেছে। এখানেও সেই আপনা থেকে পোকা জন্মনো তত্ত্বে বিশ্বাসী ছিল মানুষের। এখন আমরা জানি এগুলোর বেশিরভাগই মাছির বাচ্চা। আর মাছি বা কোনো ধরনের পোকা, এমনকী খুদে জীবাণুরাও আপনা থেকে জন্মায় না। কোথাও কোনো খাবার রেখে দিলে সেখানে মাছি বসে। সেই মাছি ডিম পেড়ে যায় খাবারের ভেতর। কয়েকদিনের ভেতরে ডিম ফুটে শুঁয়োপোকা জন্ম নেয়।
ফলের ভেতরেও পোকা এমনিতে জন্মায় না। বোলতা জাতীয় পতঙ্গরা হুলের সাহায্যে ফলের গায়ে ছিদ্র করে তার ভেতরে ডিম পেড়ে যায়। ফল পাকার সময় যতদিনে হয়, বোলতার ডিম ফুটে শুঁয়োপোকারও জন্ম হয় ততদিনে।
লুই পাস্তরের সময় এতকিছু জানা সম্ভব ছিল না। কিন্তু পাস্তুর ঠিকই বুঝতে পেরেছিলেন, এমনি এমনি কোনো প্রাণের জন্ম হয় না।
সে সময় ফরাসী বিজ্ঞান একাডেমি এই বিষয়টার নিষ্পতি করতে চাইলেন। এ জন্য আলহামবার্ট পুরস্কার ঘোষণা করল সরকারি এই প্রতিষ্ঠানটি। যার মূল ছিল আড়াই হাজার ফ্রাঁ। সে সময় আড়াই হাজার ফ্রাঁ মানে অনেক টাকা। আর কেউ এই চ্যালেঞ্জে নেমেছিলেন কিনা যায় না। তবে পাস্তুর কোমর বেঁধে নেমে পড়লেন।
এজন্য তিনি মুরগির মাংস বেছে নিলেন। মুরগির মাংস রান্না করে সেটাকে পাস্তুরিত করে রেখে দিলেন একটা কাচের পাত্রে। তাপপর ছিপি এঁটে পাত্রটির মুখ বন্ধ করে দিলেন। যদি রোগজীবাণু কিংবা মাছি বা পোকার লার্ভা এমনিতেই জন্মাই তাহলে পাত্রের ভেতরেই জন্মাবে। কিন্তু বেশ কয়েকদিন রাখার পরেও মুরগির ঝোলে কোনো পরিবর্তন হলো না। একদম তাজা রইল।
পোকামাকড়, জীবাণুর আক্রমণ হলে এতদিনে তা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু হয়নি। এবার পাস্তুর পাত্রের মুখ খুলে দিলেন। দেখা গেল কয়েক দিনের মধ্যেই তার ভেতরে পচে গেছে মুরগির ঝোল।

লুই পাস্তুরের সময় ইউরোপে বিশেষ করে ফ্রান্সে মিয়াজমা নামে একটা ভুল ধারণা চালু ছিল। সাধারণ মানুষ তো বটেই, চিকিৎসাবিজ্ঞানীরাও মনে করত অশুভ বাতাস মানুষের রোগ বালাইয়ের জন্য দায়ী। আরও একটা ভুল ধারণা চালু ছিল, সেটা এই মিয়াজমার কারণেই। মানুষ মনে করত রোগ-জীবাণু বা কীট পতঙ্গ নাকি এমনিতেই জন্ম নেয়। এ ধারণা আসলে আমাদের বাংলাদেশেও চালু ছিল ১৯৯০ দশক পর্যন্তও।
যেমন ধরা যাক, একটা সুন্দর পাকা পেয়ারা। কিন্তু কাটার পর দেখা গেল তার ভেতরে পোকা গিজ গিজ করছে। পেয়ারার ভেতর পোকা কোথা থেকে এলো? সাধারণ মানুষ মনে করত এমনিতেই এর ভেতর পোকা জন্ম নেয়। কোথাও খাবার রেখে দিলে কয়েকদিন পর দেখা যায়, তার ভেতর পোকা জন্মেছে। এখানেও সেই আপনা থেকে পোকা জন্মনো তত্ত্বে বিশ্বাসী ছিল মানুষের। এখন আমরা জানি এগুলোর বেশিরভাগই মাছির বাচ্চা। আর মাছি বা কোনো ধরনের পোকা, এমনকী খুদে জীবাণুরাও আপনা থেকে জন্মায় না। কোথাও কোনো খাবার রেখে দিলে সেখানে মাছি বসে। সেই মাছি ডিম পেড়ে যায় খাবারের ভেতর। কয়েকদিনের ভেতরে ডিম ফুটে শুঁয়োপোকা জন্ম নেয়।
ফলের ভেতরেও পোকা এমনিতে জন্মায় না। বোলতা জাতীয় পতঙ্গরা হুলের সাহায্যে ফলের গায়ে ছিদ্র করে তার ভেতরে ডিম পেড়ে যায়। ফল পাকার সময় যতদিনে হয়, বোলতার ডিম ফুটে শুঁয়োপোকারও জন্ম হয় ততদিনে।
লুই পাস্তরের সময় এতকিছু জানা সম্ভব ছিল না। কিন্তু পাস্তুর ঠিকই বুঝতে পেরেছিলেন, এমনি এমনি কোনো প্রাণের জন্ম হয় না।
সে সময় ফরাসী বিজ্ঞান একাডেমি এই বিষয়টার নিষ্পতি করতে চাইলেন। এ জন্য আলহামবার্ট পুরস্কার ঘোষণা করল সরকারি এই প্রতিষ্ঠানটি। যার মূল ছিল আড়াই হাজার ফ্রাঁ। সে সময় আড়াই হাজার ফ্রাঁ মানে অনেক টাকা। আর কেউ এই চ্যালেঞ্জে নেমেছিলেন কিনা যায় না। তবে পাস্তুর কোমর বেঁধে নেমে পড়লেন।
এজন্য তিনি মুরগির মাংস বেছে নিলেন। মুরগির মাংস রান্না করে সেটাকে পাস্তুরিত করে রেখে দিলেন একটা কাচের পাত্রে। তাপপর ছিপি এঁটে পাত্রটির মুখ বন্ধ করে দিলেন। যদি রোগজীবাণু কিংবা মাছি বা পোকার লার্ভা এমনিতেই জন্মাই তাহলে পাত্রের ভেতরেই জন্মাবে। কিন্তু বেশ কয়েকদিন রাখার পরেও মুরগির ঝোলে কোনো পরিবর্তন হলো না। একদম তাজা রইল।
পোকামাকড়, জীবাণুর আক্রমণ হলে এতদিনে তা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু হয়নি। এবার পাস্তুর পাত্রের মুখ খুলে দিলেন। দেখা গেল কয়েক দিনের মধ্যেই তার ভেতরে পচে গেছে মুরগির ঝোল।

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা। আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
১৮ ঘণ্টা আগে
দেশ গঠনে সার্বিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ ২০ জনকে ২০২৬ সালের ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিসভা বৈঠকে পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা চূড়ান্ত হয়। সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপ
১৯ ঘণ্টা আগে
সভায় বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি প্রসঙ্গে আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘এই চুক্তির আওতায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পছন্দ করে না কিংবা তাদের স্বার্থের সঙ্গে অসঙ্গতি হয় এরকম কোনো দেশের সঙ্গে বাংলাদেশ কোনো ধরনের চুক্তি করতে পারবে না।’
১৯ ঘণ্টা আগে
শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন ঢাকায় সফররত যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর।
১৯ ঘণ্টা আগে