চলতি বছরের ডিসেম্বর বা আগামী বছরের জুনের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন সম্পন্ন করার অঙ্গীকার অসংখ্যবার প্রকাশ করেছে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। তবে ন্যূনতম সংস্কার শেষ করে ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের রোডম্যাপ চায় বিএনপি।
বাংলাদেশে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সব ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে অন্তর্বতী সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করার পর দলটি নিয়ে সামাজিক মাধ্যম বা গণমাধ্যমে কতটা লেখা বা বলা যাবে এ নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
এক মঞ্চে দাঁড়িয়ে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে আন্দোলন করলেও দাবি আদায় হওয়ার পরপরই প্রকাশ্য দ্বন্দ্বে জড়িয়েছে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে এই দুটি দল হঠাৎ কেন এই দ্বন্দ্বে জড়াল সেই প্রশ্নও সামনে আসছে।
ভারত আর পাকিস্তানের মধ্যে ১০ মে যে যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরেই ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং তাতে পরাজিত হয়ে পাকিস্তানের আত্মসমর্পণের প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে ভারতে। বিষয়টি প্রথম সামনে আনেন কংগ্রেস, কংগ্রেসের সমর্থক এবং সামাজিক মাধ্যমের একাংশ।
বিপুলসংখ্যক জামায়াত-শিবির, ডানপন্থি ও পাকিস্তানপন্থি মাহফুজকে ‘ধুয়ে’ দিয়েছে। তারা বলেছে, দেশটা মাহফুজের বাবার না। মাহফুজের নামে গরুর নামকরণ করে গরুটিকে কুরবানি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে আরেক গ্রুপ।
শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একেবারে আচমকাই সামাজিক মাধ্যমে ঘোষণা করেন যে, ভারত ও পাকিস্তান চার দিন ধরে চলমান সীমান্ত সংঘর্ষের পর ‘সম্পূর্ণ এবং তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি’তে সম্মত হয়েছে। চলমান সংঘাতে এটা ছিল নাটকীয় একটা মোড়।
আমার সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল শ্রদ্ধা, স্নেহ ও ভালোবাসার। বেতারে তিনি অনুষ্ঠানের পর আমার কাছে আসতেন। একান্ত অনেক কথা হতো ডিউটি রুমে। আমি তার কাছে বসে বসে সেই কথাগুলো প্রাণভরে শুনতাম। গান গেয়ে বেড়ে ওঠা, পরিবারের কথা, শিল্পী জীবনের কথা।
যুদ্ধের বিভীষিকা মানব ইতিহাসের এক পুনরাবৃত্তিমূলক ট্র্যাজেডি। প্রায়ই রাজনৈতিক মতাদর্শ, আঞ্চলিক বিরোধ ও নিরাপত্তা উদ্বেগের নিরিখে একে ব্যাখ্যা করা হয়। তবে এই আখ্যানগুলোর গভীরে অর্থনৈতিক প্রণোদনা ও নির্ভরশীলতার এক জটিল জাল বিস্তৃত। আধুনিক সংঘাত ও তাদের দীর্ঘস্থায়ী পরিণতিগুলোর একটি সামগ্রিক ধারণা লা
গাছের গোড়ায় পানি না দিয়ে, মানে সমস্যা সমাধান না করে মন্ত্রী, উপদেষ্টা, সচিব, নীতিনির্ধারকরা নিজেদের ত্রুটি না দেখে মাঠে-প্রান্তরে, সভা-সমাবেশে সর্বত্র নতুন সুরে গান গেয়ে বেড়াচ্ছেন— ‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়া হয় না’, ‘প্রাথমিক শিক্ষকরা লেখাপড়া করান না’। এ যেন সেই প্রবাদের পুনরাবৃত্তি— ‘যত দোষ নন্দ ঘ
গত ৯ মাস ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী এই বাড়িতেই ছিলেন। তাকে নিয়ে রাজনীতিতে নানা জল্পনা-কল্পনা ছিল। আইভীর নেতৃত্বে নতুন দল গঠন করা হবে অথবা তিনি আওয়ামী লীগের হাল ধরবেন— এমন গুঞ্জনও ভেসে বেড়াচ্ছিল রাজনৈতিক আলোচনায়। আওয়ামী লীগের সব নেতা যখন পালিয়ে বা জেলে, তখন আইভী রহমান কীভাবে বাড়িতে থাকছেন— তা নিয়েও প্রশ্
দক্ষিণ এশিয়ার দুই পরমাণু শক্তিধর দেশের এমন টানাপোড়েন এ অঞ্চলের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশের জন্য বড় কৌশলগত চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই বাংলাদেশকে কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সতর্কতা এবং রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থাপনায় এখনই সংবেদনশীল ও দূরদর্শী ভূমিকা নিতে হবে।
কাশ্মির ইস্যু ভারত-পাকিস্তান বিরোধের মূল উৎস। উভয় দেশই সম্পূর্ণ কাশ্মিরকে নিজেদের দাবি করে থাকে। যদিও ভারত অধিকাংশ ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণে রেখেছে, পাকিস্তান নিয়ন্ত্রণ করে আজাদ কাশ্মির ও গিলগিট-বালতিস্তান অঞ্চল।
একবিংশ শতকের এই ঢাকায়, সেই ঐতিহ্যবাহী মসলিনের শহরে আবারও যেন ফিরে এলো দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণের উপাখ্যান। প্রযুক্তির কল্যাণে সেই দৃশ্য এখন ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বময়। দুঃখজনকভাবে দেখা যাচ্ছে, নারীর প্রতিকৃতিকে অবমাননার ঘটনায় অংশ নিয়েছে নারীরাও, যারা ফ্যাসিস্ট মনোভাব নিয়ে এমন ঘটনার পক্ষে জোর সুর তুলেছেন।
সোভিয়েত রাশিয়ার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী আলেক্সি কোসিগিনের মধ্যস্থতায় পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল আইয়ুব খান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী বৈঠকে বসে চুক্তি করলেন, তারা আর যুদ্ধ করবেন না। ১৭ দিন স্থায়ী যুদ্ধের পর দুদেশ যার যার আগের অবস্থানে ফিরে গেল।
আইনের শাসন বলতে বোঝায় রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিক— হোক না সে সাধারণ মানুষ বা শাসকগোষ্ঠীর কেউ— সবার জন্য একই আইন, একই বিচারপ্রক্রিয়া এবং সমান দায়বদ্ধতা থাকবে। এ ধারণা মূলত উঠে এসেছে প্রাচীন গ্রিস ও রোমান সভ্যতা থেকে। তবে আধুনিক ধারণাটি ব্রিটিশ চিন্তাবিদ এ ভি ডাইসির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
এই আন্দোলনের পেছনে যে আশা-আকাঙ্ক্ষা, যে স্বপ্নের জোয়ার তা কেবল ক্ষণস্থায়ী উত্তেজনায় সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি একটি সুদূরপ্রসারী সামাজিক, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিবর্তনের সংকেত। কিন্তু এখন প্রশ্ন হলো— এই জাগরণকে টেকসই পরিবর্তনে রূপান্তরিত করতে হলে কী করণীয়? আমরা কোন পথে হাঁটব? এবং কাদের চিন্তা-চেতনা গ্রহণয