আদালত ওই দিনের আদেশে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে ক্রমানুসারে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা দেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের গণমাধ্যমের ওপর এখনো ‘অদৃশ্য চাপ’ রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন কিছু সংবাদ কর্মী। তবে সার্বিকভাবে অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে গত এক বছরে দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে।
এই ঘটনা ঘটল এমন এক সময় যখন সীমান্তে ভারতীয় বাহিনী ‘অপারেশন আখাল’ নামে এক অভিযান চালাচ্ছে
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা এই উপদেষ্টা বলেন, ‘এখনো কিছু কাজ বাকি রয়েছে। এর মধ্যে বড় মাইলফলক হলো জুলাই ঘোষণাপত্র। এ ছাড়া জুলাই সনদ, স্থানীয় সরকার সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা বাকি আছে। এই দায়িত্ব শেষ না করলে ঐতিহাসিক দায় থেকে যাবে।’
প্লট দুর্নীতির মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার দুই সন্তান সজীব ওয়াজেদ জয় ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুলও আসামি হিসেবে রয়েছেন। সব মিলিয়ে পৃথক ছয় মামলায় শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যসহ মোট আসামির সংখ্যা ২৩ জন।
হোয়াইট হাউজ বলেছে আলাস্কা বৈঠকে ট্রাম্প শুনবেন এবং একই রুমে বসে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট কিভাবে যুদ্ধ বন্ধ করা যায় তার সেরা ধারণাটা দিবেন।
এ সময় তিনি সাংবাদিকদের সামনে ক্ষমা প্রার্থণা করেন। বলেন, গুরুত্বহীন ব্যক্তি হওয়া সত্ত্বেও সমস্যা সৃষ্টি করার জন্য আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী।
বর্তমানে বৈশ্বিক হালাল পণ্যের বাজারের আকার ৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২০৩০ সালের মধ্যে এটি ৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে।
কোনো ব্যাংক হিসাব উল্লেখ না করায় অর্থের উৎস ও ব্যয়ের পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা দাবি করেছে, তারা ইসরায়েলের হাইফা বন্দর, নেগেভ, উম্ম আল-রশরাশ ও বিরসেবায় ড্রোন হামলা করেছে।
এই নিয়ে যেমন ভারতীয় গণমাধ্যমে সমালোচনা হচ্ছে তেমনই রাশিয়ান গণমাধ্যমেও এই নিয়ে ব্যাপক আলোচনা দেখা গেছে। প্রশ্ন উঠেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প কি এইভাবে চাপ তৈরি করে রাশিয়া থেকে ভারতকে দূরে রাখতে পারবে?
এ সময় তিনি স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, ডিবির গুলশান বিভাগের পরিদর্শক মো. জেহাদ হোসেন, তা রেকর্ডের আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আদেশে বলা হয়েছে, দেশের প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে বাংলাদেশ সচিবালয়ের ভেতরে প্রতিটি ভবনের নিরাপত্তার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।