
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিশোধ হিসেবে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা ইসরায়েলের চারটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ড্রোন হামলার দাবি করেছে। যদিও ইসরায়েল এ বিষয়ে নীরব।
এদিকে, গাজায় গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৮৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ত্রাণপ্রত্যাশী ও শিশুও রয়েছে। অনাহারে মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে।
ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা দাবি করেছে, তারা ইসরায়েলের হাইফা বন্দর, নেগেভ, উম্ম আল-রশরাশ ও বিরসেবায় ড্রোন হামলা করেছে।
হুতির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেছেন, ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের নৃশংস কর্মকাণ্ডের জবাবে এ হামলা চালানো হয়েছে। হামলায় ছয়টি ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। ড্রোনগুলো সফলভাবে লক্ষবস্তুতে আঘাত হেনেছে।
গাজায় ইসরায়েলের হামলা বন্ধ না করলে ও অবরোধ তুলে না নেওয়া পর্যন্ত এ ধরনের হামলা চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে হুতি।
তবে হামলার বিষয়ে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি হামলায় গাজায় অন্তত ৮৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ৩১ জন ছিলেন ত্রাণপ্রত্যাশী। এ সময় ৫১৩ ফিলিস্তিনি আহত হয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, অনাহারের কারণে গাজায় আরও পাঁচ ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে দুটি শিশু রয়েছে। এ নিয়ে উপত্যকাটিতে অনাহারে মৃত্যুর সংখ্যা ২২৭–এ পৌঁছাল, যাদের মধ্যে ১০৩টি শিশু।

গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিশোধ হিসেবে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা ইসরায়েলের চারটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ড্রোন হামলার দাবি করেছে। যদিও ইসরায়েল এ বিষয়ে নীরব।
এদিকে, গাজায় গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৮৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ত্রাণপ্রত্যাশী ও শিশুও রয়েছে। অনাহারে মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে।
ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা দাবি করেছে, তারা ইসরায়েলের হাইফা বন্দর, নেগেভ, উম্ম আল-রশরাশ ও বিরসেবায় ড্রোন হামলা করেছে।
হুতির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেছেন, ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের নৃশংস কর্মকাণ্ডের জবাবে এ হামলা চালানো হয়েছে। হামলায় ছয়টি ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। ড্রোনগুলো সফলভাবে লক্ষবস্তুতে আঘাত হেনেছে।
গাজায় ইসরায়েলের হামলা বন্ধ না করলে ও অবরোধ তুলে না নেওয়া পর্যন্ত এ ধরনের হামলা চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে হুতি।
তবে হামলার বিষয়ে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি হামলায় গাজায় অন্তত ৮৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ৩১ জন ছিলেন ত্রাণপ্রত্যাশী। এ সময় ৫১৩ ফিলিস্তিনি আহত হয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, অনাহারের কারণে গাজায় আরও পাঁচ ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে দুটি শিশু রয়েছে। এ নিয়ে উপত্যকাটিতে অনাহারে মৃত্যুর সংখ্যা ২২৭–এ পৌঁছাল, যাদের মধ্যে ১০৩টি শিশু।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন তাদের টেলিগ্রাম বার্তায় জানিয়েছে, তেহরান, তাবরিজ ও ইসফাহানে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এ ছাড়া মধ্যাঞ্চলীয় শহর কারাজের কাছেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
৭ ঘণ্টা আগে
শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, গত ১০০ দিনে এই যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক অর্থনীতি, জ্বালানি বাজার ও আন্তর্জাতিক কূটনীতিতেও। সেই প্রভাব সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বেড়েই চলেছে।
৭ ঘণ্টা আগে
বিশ্লেষকদের মতে, এ যুদ্ধে সবচেয়ে বড় বিজয়ীদের মধ্যে রয়েছে ইরানের শাসকগোষ্ঠী, চীন ও ইউক্রেন। অন্যদিকে সবচেয়ে বড় ক্ষতির মুখে পড়েছে জ্বালানি বাজার এবং লেবানন। আর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের অবস্থান এখনো স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা কঠিন।
৮ ঘণ্টা আগে
আইআরজিসি বলছে, এই অভিযান কোনো সাময়িক বা সাধারণ ঘটনা নয়, বরং এটি টানা এক সপ্তাহের অবিরাম হামলার শুরু মাত্র। ‘শত্রুপক্ষ’ তাদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধ না করা পর্যন্ত আগামী সাত দিন ধরে চব্বিশ ঘণ্টাই ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের একের পর এক বহর উৎক্ষেপণ অব্যাহত থাকবে।
১৫ ঘণ্টা আগে