মন্ত্রিসভায় সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব অনুমোদন, অফিস শুরু ২০২৯ সালে

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
বাংলাদেশ সচিবালয়ের ফটক। ছবি: উইকিপিডিয়া
বাংলাদেশ সচিবালয়ের ফটক। ছবি: উইকিপিডিয়া

রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকার আব্দুল গণি রোডে অবস্থিত সচিবালয় শেরেবাংলা নগরে স্থানান্তরের প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, শেরেবাংলা নগরে পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে স্থাপন করা হবে সচিবালয়ের নতুন ভবন। সরকারের পরিকল্পনা, ২০২৯ সালে নতুন স্থানে অফিস শুরু হবে।

রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার ২৫তম বৈঠকে এ প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের কথা জানান।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বর্তমান সচিবালয় ১৭ একর জায়গার নির্মিত। আগারগাঁওয়ের পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে প্রায় ৩১ দশমিক ৫৮ একর জায়গায় গড়ে তোলা হবে নতুন সচিবালয়। লুই আই কানের মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী সচিবালয় স্থাপনের লক্ষ্যে স্থাপত্য অধিদপ্তর ধারণাগত স্থাপত্য নকশা প্রণয়ন করেছে। পুরো প্রকল্পটি বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হবে।

নাসিমুল গনি জানান, তিনটি বেজমেন্টসহ (২০০টি ভূ-উপরিস্থ পার্কিংসহ তিন হাজার ৮০০টি গাড়ি পার্কিং) ১৪টি ১২ তলা ভবন নির্মাণ করা হবে। মোট আয়তন হবে প্রায় ৩৩ দশমিক ১৬ লাখ বর্গফুট। এতে থাকবে মসজিদ, ৩৫০ জন ধারণক্ষমতার দুটি মাল্টিপারপাস হল, একটি ক্যাফেটেরিয়া ও একটি ডাকঘর। প্রকল্প এলাকার প্রায় ৩০ শতাংশ জায়গায় সবুজায়ন ও জলাধারের সংস্থান রাখা হয়েছে।

মন্ত্রিসভায় আরও ২ সিদ্ধান্ত

সভায় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়’ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদনও দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এতে আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতা কমানোসহ বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির পরিমাণ কমবে।

অধিকতর জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের লক্ষ্যে বিদ্যুৎ বিভাগ ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র ২০২৬-২০৩০’ প্রণয়ন করেছে। আগামী গ্রীষ্মের আগে তিন থেকে চার হাজার মেগাওয়াট ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য সরকার এরই মধ্যে প্রণোদনা ঘোষণা করছে।

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement