ঢাকা-চট্টগ্রাম বৈদ্যুতিক ট্রেনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা-নকশা সম্পন্ন: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
বুধবার সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্যদের প্রশ্নের জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: পিএমও
বুধবার সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্যদের প্রশ্নের জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: পিএমও

ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে বৈদ্যুতিক ট্রেন চালুর উদ্যোগের পরবর্তী ধাপে অর্থায়ন নিশ্চিত করে প্রকল্প বাস্তবায়নে যেতে চায় সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, এ জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও নকশা প্রণয়নের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এই পথে ট্রেনের গতি বাড়ার পাশাপাশি যাতায়াতের সময়ও কমবে।

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত হওয়ার পর প্রকল্পের বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা ও সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে। অর্থায়ন প্রাপ্তি সাপেক্ষে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম-ঢাকা করিডোরে ইলেকট্রিক ট্রেন পরিচালনা করা সম্ভব হবে। ফলে ট্রেনের গড় গতি বৃদ্ধি পাবে এবং যাতায়াতের সময় কমবে।’

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের প্রশ্নের জবাবে সরকারপ্রধান এসব কথা জানান। এদিন বেলা সাড়ে ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। দিনের কর্মসূচি অনুযায়ী, প্রথম আধা ঘণ্টা ছিল প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তরপর্ব।

প্রধানমন্ত্রীর জন্য এ দিন ৮টি তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন নির্ধারিত ছিল। এর মধ্যে তিনি তিনটি প্রশ্ন ও সাতটি সম্পূরক প্রশ্নের জবাব দেন। সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের প্রশ্নের জবাবে ঢাকা-চট্টগ্রামের মধ্যে যাতায়াতের সময় ও দূরত্ব কমাতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

সরকারপ্রধান বলেন, ‘সরকার ঢাকা হতে চট্টগ্রাম পর্যন্ত রেলপথকে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে রূপান্তরের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে টঙ্গী- আখাউড়া এবং লাকসাম-চট্টগ্রাম পর্যন্ত ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন নির্মাণের জন্য ইতোমধ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ শেষ হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এর মধ্যে লাকসাম-চট্টগ্রাম ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া টঙ্গী-আখাউড়া ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়ন শেষ পর্যায়ে। আশা করি, এই প্রকল্প দুটি বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম-ঢাকা করিডরে বাংলাদেশ রেলওয়ের যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা এবং ট্রেনের গতি বৃদ্ধি পাবে।’

ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডোরের দূরত্ব আরও কমানোর জন্য ঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত কর্ডলাইন নির্মাণের উদ্যোগের কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডোরের দূরত্ব হ্রাস করার লক্ষ্যে ঢাকা হতে কুমিল্লা পর্যন্ত কর্ডলাইন নির্মাণের উদ্দেশ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ চলমান আছে। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে ঢাকা-চট্টগ্রামের মধ্যে দূরত্ব হ্রাস পাবে এবং গড় গতি বৃদ্ধি পাবে। অল্প সময়ের মধ্যে যাতায়াত করা যাবে।’

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement