দায়রা আদালতেও জামিন পেলেন না সাবেক মেজর আখতারুজ্জামান

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১৫: ২৫
আদালত প্রাঙ্গণে প্রিজন ভ্যান থেকে নামার সময় মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান। ছবি: সংগৃহীত
আদালত প্রাঙ্গণে প্রিজন ভ্যান থেকে নামার সময় মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান। ছবি: সংগৃহীত

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক নিরাপত্তাকর্মীকে মারধর, সরকারি কাজে বাধা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে করা মামলায় জামিন পাননি জামায়াতে ইসলামীর নেতা অবসরপ্রাপ্ত মেজর মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান রঞ্জন। ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-৫-এর বিচারক সাদেকীন হাবীব বাপ্পী এ আদেশ দেন।

আখতারুজ্জামানের পক্ষে আইনজীবী শিশির মনির, আব্দুর রাজ্জাকসহ কয়েকজন জামিনের আবেদন জানিয়ে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত জামিন আবেদন খারিজ করেন।

এর আগে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতও তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছিলেন। গত ৪ অক্টোবর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজিব বাদী হয়ে গত ২ অক্টোবর বিমানবন্দর থানায় মামলাটি করেন। ওই দিনই বাসা থেকে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরদিন তাকে এক দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।

মামলার এজাহারে যা বলা হয়েছে

এজাহার অনুযায়ী, গত ১ অক্টোবর মদিনা থেকে জামায়াতে ইসলামীর ৩৪ সদস্যের একটি দল পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঢাকায় ফেরেন। বিমানবন্দরে লাগেজ সংগ্রহের সময় যাত্রীর চাপ বেশি থাকায় ট্রলি পেতে ভোগান্তি হয়। এ নিয়ে কয়েকজনের সঙ্গে বিমানবন্দরের কর্মীদের কথা-কাটাকাটি হয়। লাগেজ পেতে দেরি এবং জমজমের পানি না পাওয়া নিয়েও উত্তেজনা দেখা দেয়।

পরিস্থিতির কথা জানতে পেরে ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেন বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদকে ঘটনাস্থলে যেতে বলেন। নির্বাহী পরিচালক সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করলে আখতারুজ্জামানের সঙ্গে তার উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। এ সময় আখতারুজ্জামান হুমকিসূচক ও অশালীন ভাষা ব্যবহার করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সংসদ সদস্য নির্বাহী পরিচালককে সেখান থেকে সরিয়ে নেন।

এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, ঘটনার পর আখতারুজ্জামান বিমানবন্দরের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে হুমকি দেন। তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েকজন প্রটোকল সহকারী ঘটনার ভিডিও ধারণ করছিলেন এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার কথা বলছিলেন।

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad