
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার স্মরণে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজন করা হয়েছে নাগরিক শোকসভা। আয়োজকরা জানিয়েছেন, কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বরং খালেদা জিয়ার প্রতি জাতীয় পর্যায়ের মর্যাদাপূর্ণ শ্রদ্ধা নিবেদনের একটি মানবিক উদ্যোগ হিসেবে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুর আড়াইটায় শুরু হবে এ শোকসভা। অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহর উদ্যোগে আয়োজিত শোকসভায় সভাপতিত্ব করবেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ জে আর মোদাচ্ছির হোসেন। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান শোকসভায় উপস্থিত থাকবেন।
এ শোকসভায় অংশ নিতে আগত সব অতিথিকে আমন্ত্রণপত্র সঙ্গে নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে এক সংবাদ সম্মেলনে অনুষ্ঠানের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে আয়োজক কমিটির পক্ষে ড. মাহবুব উল্লাহ ছাড়াও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরীসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ বলেন, গত ৩০ ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে পুরো দেশ গভীর শোকে নিমজ্জিত হয়। তার জানাজা এক বিশাল শোক সমাবেশে পরিণত হয়েছিল। নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে স্মরণ করা ও তার আদর্শ থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকেই এই আয়োজন করা হয়েছে।
ড. মাহবুব আরও বলেন, এটি কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি নয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও অনুষ্ঠানের গাম্ভীর্য ও মর্যাদা রক্ষায় তারা কোনো বক্তব্য দেবেন না; কেবল বিভিন্ন শ্রেণিপেশার বিশিষ্ট নাগরিকরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে বক্তব্য রাখবেন।
শোকসভায় খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্যরা ছাড়াও শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ অংশগ্রহণ করবেন। এ ছাড়া পাহাড়ি জনগোষ্ঠীসহ সনাতন ও খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখবেন।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, শোকসভার পবিত্রতা ও গাম্ভীর্য রক্ষায় অনুষ্ঠানস্থলে কোনো ধরনের সেলফি তোলা, হাততালি দেওয়া বা দাঁড়িয়ে থাকা যাবে না। শোকসভায় অংশগ্রহণকারী অতিথিদের সাদা-কালো পোশাক পরিধান করে আসার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জানানো হয়, দুপুর ১২টায় প্রবেশের গেট খুলে দেওয়া হবে। প্রবেশের জন্য নির্ধারিত গেট নম্বর ৬ ব্যবহার করতে হবে এবং বের হতে হবে আসাদ গেট দিয়ে। গেট নম্বর ১ ও ১২ দিয়ে আগত অতিথিদের গাড়ি বাণিজ্য মেলার মাঠে পার্কিং করা হবে। বকুলতলা গেট (গেট নম্বর ১২) দিয়ে কেবল পায়ে হেঁটে প্রবেশ করা যাবে।
আয়োজকরা জানান, আমন্ত্রণপত্র ছাড়া কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না। তবে তালিকাভুক্ত অতিথিদের জন্য প্রয়োজনে বিকল্প প্রবেশপত্রের ব্যবস্থা থাকবে। মিডিয়া কর্মীদের জন্যও আমন্ত্রণপত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। দাওয়াতপ্রাপ্ত রিপোর্টার, ক্যামেরাপারসন ও মাল্টিমিডিয়া কর্মীরা অনুষ্ঠানে প্রবেশ করতে পারবেন।
সংবাদ সম্মেলনে আয়োজক কমিটির সদস্যরা সবার সহযোগিতা কামনা করে বলেন, নাগরিক শোকসভাটি যেন মর্যাদাপূর্ণ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও ঐতিহাসিক একটি আয়োজন হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়, সে জন্য সবার আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। বাসস।

দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার স্মরণে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজন করা হয়েছে নাগরিক শোকসভা। আয়োজকরা জানিয়েছেন, কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বরং খালেদা জিয়ার প্রতি জাতীয় পর্যায়ের মর্যাদাপূর্ণ শ্রদ্ধা নিবেদনের একটি মানবিক উদ্যোগ হিসেবে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুর আড়াইটায় শুরু হবে এ শোকসভা। অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহর উদ্যোগে আয়োজিত শোকসভায় সভাপতিত্ব করবেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ জে আর মোদাচ্ছির হোসেন। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান শোকসভায় উপস্থিত থাকবেন।
এ শোকসভায় অংশ নিতে আগত সব অতিথিকে আমন্ত্রণপত্র সঙ্গে নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে এক সংবাদ সম্মেলনে অনুষ্ঠানের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে আয়োজক কমিটির পক্ষে ড. মাহবুব উল্লাহ ছাড়াও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরীসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ বলেন, গত ৩০ ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে পুরো দেশ গভীর শোকে নিমজ্জিত হয়। তার জানাজা এক বিশাল শোক সমাবেশে পরিণত হয়েছিল। নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে স্মরণ করা ও তার আদর্শ থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকেই এই আয়োজন করা হয়েছে।
ড. মাহবুব আরও বলেন, এটি কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি নয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও অনুষ্ঠানের গাম্ভীর্য ও মর্যাদা রক্ষায় তারা কোনো বক্তব্য দেবেন না; কেবল বিভিন্ন শ্রেণিপেশার বিশিষ্ট নাগরিকরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে বক্তব্য রাখবেন।
শোকসভায় খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্যরা ছাড়াও শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ অংশগ্রহণ করবেন। এ ছাড়া পাহাড়ি জনগোষ্ঠীসহ সনাতন ও খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখবেন।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, শোকসভার পবিত্রতা ও গাম্ভীর্য রক্ষায় অনুষ্ঠানস্থলে কোনো ধরনের সেলফি তোলা, হাততালি দেওয়া বা দাঁড়িয়ে থাকা যাবে না। শোকসভায় অংশগ্রহণকারী অতিথিদের সাদা-কালো পোশাক পরিধান করে আসার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জানানো হয়, দুপুর ১২টায় প্রবেশের গেট খুলে দেওয়া হবে। প্রবেশের জন্য নির্ধারিত গেট নম্বর ৬ ব্যবহার করতে হবে এবং বের হতে হবে আসাদ গেট দিয়ে। গেট নম্বর ১ ও ১২ দিয়ে আগত অতিথিদের গাড়ি বাণিজ্য মেলার মাঠে পার্কিং করা হবে। বকুলতলা গেট (গেট নম্বর ১২) দিয়ে কেবল পায়ে হেঁটে প্রবেশ করা যাবে।
আয়োজকরা জানান, আমন্ত্রণপত্র ছাড়া কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না। তবে তালিকাভুক্ত অতিথিদের জন্য প্রয়োজনে বিকল্প প্রবেশপত্রের ব্যবস্থা থাকবে। মিডিয়া কর্মীদের জন্যও আমন্ত্রণপত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। দাওয়াতপ্রাপ্ত রিপোর্টার, ক্যামেরাপারসন ও মাল্টিমিডিয়া কর্মীরা অনুষ্ঠানে প্রবেশ করতে পারবেন।
সংবাদ সম্মেলনে আয়োজক কমিটির সদস্যরা সবার সহযোগিতা কামনা করে বলেন, নাগরিক শোকসভাটি যেন মর্যাদাপূর্ণ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও ঐতিহাসিক একটি আয়োজন হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়, সে জন্য সবার আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। বাসস।

মন্ত্রী বলেন, দলীয় প্রতীক না থাকায় এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে আরও বেশি প্রতিযোগিতামূলক। গ্রামীণ জনপদের উন্নয়নে জনবান্ধব ও সত্যিকারের প্রতিনিধিদের নির্বাচিত করতে এখন থেকেই ভোটার ও নেতাকর্মীদের সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে চলমান হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৮টিতে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া, টিকার ঘাটতি এবং মৃত্যুর ক্রমবর্ধমান হারের ওপর ভিত্তি করে পরিস্থিতিকে জাতীয়ভাবে ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে মূল্যায়ন করেছে সংস্থাটি।
৪ ঘণ্টা আগে
বৈঠকে সার্ক সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করেন। সদস্য রাষ্ট্রসমূহের প্রতিনিধিদলগুলো সার্কের উন্নয়নের জন্য তাদের নিজ নিজ জাতীয় দৃষ্টিভঙ্গি ও অগ্রাধিকার তুলে ধরে।
৪ ঘণ্টা আগে
প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ৪২ জন মারা গেছেন। আর হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ১৯৮ জন।
৪ ঘণ্টা আগে