
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকার বড় সাতটি কলেজ নিয়ে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারির জন্য সরকারকে আগামী রোববার (১৮ জানুয়ারি) পর্যন্ত সময় দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। তারা জানিয়েছেন, ওই দিনের মধ্যে অধ্যাদেশ জারি করা না হলে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ফের তারা রাজধানীর সায়েন্স ল্যাবরেটরি এলাকায় সড়ক অবরোধ করবেন, গড়ে তোলা হবে ‘অবরোধ মঞ্চ’।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে এ ঘোষণা দিয়ে শিক্ষার্থীরা এ দিনের অবরোধ প্রত্যাহার করেন। এর আগে দুপুর থেকে তারা সায়েন্স ল্যাব এলাকা অবরোধ করে রেখেছিলেন। এতে প্রায় সোয়া চার ঘণ্টা ওই সড়কসহ আশপাশের সড়কগুলোতে যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল।
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশের দাবিতে চলমান আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা শিক্ষার্থীদের একজন নাঈম হাওলাদার বলেন, রোববারের মধ্যে সরকার ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ জারি না করলে সোমবার আবার সায়েন্স ল্যাব মোড় অবরোধ করব। অধ্যাদেশ জারি না হলে অধ্যাদেশ মঞ্চ তৈরি করে সেখান থেকে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
এর আগে ঢাকা কলেজ থেকে মিছিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা সায়েন্স ল্যাব এলাকায় পৌঁছান। অবরোধ চলাকালে তারা ‘উই ওয়ান্ট উই ওয়ান্ট, অর্ডিন্যান্স অর্ডিন্যান্স’, ‘রাষ্ট্র তোমার সময় শেষ, জারি করো অধ্যাদেশ’, ‘আমি কে তুমি কে, ডিসিইউ ডিসিইউ’ ইত্যাদি স্লোগান দেন। এ ছাড়া রাজধানীর টেকনিক্যাল মোড় ও তাঁতীবাজার মোড়েও অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা।
যে সাতটি কলেজ নিয়ে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি গড়ে তোলার প্রস্তাব রয়েছে সেগুলো হলো— ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, শহিদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ ও তিতুমীর কলেজ।
শিক্ষার্থীদের দাবি, গত ৭ ও ৮ ডিসেম্বর শিক্ষা ভবনের সামনে টানা অবস্থান কর্মসূচির সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকে জানুয়ারির প্রথম দিকেই অধ্যাদেশ জারির আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। তবে এখনও সে বিষয়ে কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় তারা বাধ্য হয়ে অবরোধ কর্মসূচিতে নেমেছেন।

ঢাকার বড় সাতটি কলেজ নিয়ে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারির জন্য সরকারকে আগামী রোববার (১৮ জানুয়ারি) পর্যন্ত সময় দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। তারা জানিয়েছেন, ওই দিনের মধ্যে অধ্যাদেশ জারি করা না হলে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ফের তারা রাজধানীর সায়েন্স ল্যাবরেটরি এলাকায় সড়ক অবরোধ করবেন, গড়ে তোলা হবে ‘অবরোধ মঞ্চ’।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে এ ঘোষণা দিয়ে শিক্ষার্থীরা এ দিনের অবরোধ প্রত্যাহার করেন। এর আগে দুপুর থেকে তারা সায়েন্স ল্যাব এলাকা অবরোধ করে রেখেছিলেন। এতে প্রায় সোয়া চার ঘণ্টা ওই সড়কসহ আশপাশের সড়কগুলোতে যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল।
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশের দাবিতে চলমান আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা শিক্ষার্থীদের একজন নাঈম হাওলাদার বলেন, রোববারের মধ্যে সরকার ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ জারি না করলে সোমবার আবার সায়েন্স ল্যাব মোড় অবরোধ করব। অধ্যাদেশ জারি না হলে অধ্যাদেশ মঞ্চ তৈরি করে সেখান থেকে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
এর আগে ঢাকা কলেজ থেকে মিছিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা সায়েন্স ল্যাব এলাকায় পৌঁছান। অবরোধ চলাকালে তারা ‘উই ওয়ান্ট উই ওয়ান্ট, অর্ডিন্যান্স অর্ডিন্যান্স’, ‘রাষ্ট্র তোমার সময় শেষ, জারি করো অধ্যাদেশ’, ‘আমি কে তুমি কে, ডিসিইউ ডিসিইউ’ ইত্যাদি স্লোগান দেন। এ ছাড়া রাজধানীর টেকনিক্যাল মোড় ও তাঁতীবাজার মোড়েও অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা।
যে সাতটি কলেজ নিয়ে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি গড়ে তোলার প্রস্তাব রয়েছে সেগুলো হলো— ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, শহিদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ ও তিতুমীর কলেজ।
শিক্ষার্থীদের দাবি, গত ৭ ও ৮ ডিসেম্বর শিক্ষা ভবনের সামনে টানা অবস্থান কর্মসূচির সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকে জানুয়ারির প্রথম দিকেই অধ্যাদেশ জারির আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। তবে এখনও সে বিষয়ে কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় তারা বাধ্য হয়ে অবরোধ কর্মসূচিতে নেমেছেন।

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ২১ এপ্রিল।
৫ ঘণ্টা আগে
আসিফ নজরুল বলেন, জুলাই-আগস্টে অভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা থাকলে, তা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এমনকি নতুন কোনো মামলা করা যাবে না বলেও জানান তিনি।
৬ ঘণ্টা আগে
তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, আমাদের অবস্থানটা স্পষ্ট। আমরা মানুষকে বলব, যদি পরিবর্তন চান, সংস্কার চান, তাহলে গণভোটে অংশগ্রহণ করুন এবং হ্যাঁ ভোট দিন।
৭ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী এবং গণভোট সংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, একটি মহল প্রচারণা চালাচ্ছে যে জুলাই সনদ পাস হলে সংবিধান থেকে ১৯৭১-কে মুছে ফেলা হবে, বিসমিল্লাহ থাকবে না—এসব কথা ঠিক নয়।
৮ ঘণ্টা আগে