
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলায় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) দেওয়া অভিযোগপত্রে বাদীপক্ষের আপত্তি শুনে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) মামলাটি পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে অভিযোগপত্রের (চার্জশিট) বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন দাখিল করেন মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। এদিন বাদীপক্ষের আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল নারাজি আবেদনের শুনানি করেন।
তিনি বলেন, চার্জশিটে মামলার মূল রহস্য উদঘাটিত হয়নি। ঘটনার পর মূল আসামিদের সেফ এক্সিট (নিরাপদ প্রস্থান) দেওয়া হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত মূল আসামিদের কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। দায়সারা ভাবে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, হাদি সবসময় ইনসাফ চেয়েছেন। আমরা চাই, হত্যাকাণ্ডে জড়িত মূল অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা হোক। আর নিরপরাধ কেউ থাকলে সে যেন সাজা না পায়।
তাই ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন ও পেছনে কারা জড়িত তা বের করতে মামলাটি পুনরায় তদন্ত করা প্রয়োজন। শুনানি শেষে আদালত আদেশের বিষয়টি অপেক্ষমাণ রাখেন।
গত ১২ জানুয়ারি এ মামলার চার্জশিটের গ্রহণযোগ্যতার বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য ছিল। সেদিন মামলায় রাষ্ট্রপক্ষকে সহযোগিতার জন্য বাদীপক্ষে তিনজন আইনজীবী নিয়োগের আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত। এ সময় বাদীপক্ষের আইনজীবীরা চার্জশিট পর্যালোচনার জন্য দুই দিন সময় চান। সেদিনের শুনানি শেষে চার্জশিটের গ্রহণযোগ্যতার বিষয়ে শুনানির জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।
এর আগে গত ৬ জানুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।
উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজের পর রাজধানীর পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় হামলার শিকার হন শরীফ ওসমান হাদি। মোটরসাইকেলে করে আসা দুই আততায়ীর একজন চলন্ত রিকশায় থাকা হাদির মাথায় গুলি করে পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। গত ১৫ ডিসেম্বর হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর পাঠানো হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়। গত ২০ ডিসেম্বর দুপুরে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় বৃহৎ জানাজা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে তাকে সমাহিত করা হয়।

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলায় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) দেওয়া অভিযোগপত্রে বাদীপক্ষের আপত্তি শুনে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) মামলাটি পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে অভিযোগপত্রের (চার্জশিট) বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন দাখিল করেন মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। এদিন বাদীপক্ষের আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল নারাজি আবেদনের শুনানি করেন।
তিনি বলেন, চার্জশিটে মামলার মূল রহস্য উদঘাটিত হয়নি। ঘটনার পর মূল আসামিদের সেফ এক্সিট (নিরাপদ প্রস্থান) দেওয়া হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত মূল আসামিদের কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। দায়সারা ভাবে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, হাদি সবসময় ইনসাফ চেয়েছেন। আমরা চাই, হত্যাকাণ্ডে জড়িত মূল অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা হোক। আর নিরপরাধ কেউ থাকলে সে যেন সাজা না পায়।
তাই ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন ও পেছনে কারা জড়িত তা বের করতে মামলাটি পুনরায় তদন্ত করা প্রয়োজন। শুনানি শেষে আদালত আদেশের বিষয়টি অপেক্ষমাণ রাখেন।
গত ১২ জানুয়ারি এ মামলার চার্জশিটের গ্রহণযোগ্যতার বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য ছিল। সেদিন মামলায় রাষ্ট্রপক্ষকে সহযোগিতার জন্য বাদীপক্ষে তিনজন আইনজীবী নিয়োগের আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত। এ সময় বাদীপক্ষের আইনজীবীরা চার্জশিট পর্যালোচনার জন্য দুই দিন সময় চান। সেদিনের শুনানি শেষে চার্জশিটের গ্রহণযোগ্যতার বিষয়ে শুনানির জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।
এর আগে গত ৬ জানুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।
উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজের পর রাজধানীর পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় হামলার শিকার হন শরীফ ওসমান হাদি। মোটরসাইকেলে করে আসা দুই আততায়ীর একজন চলন্ত রিকশায় থাকা হাদির মাথায় গুলি করে পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। গত ১৫ ডিসেম্বর হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর পাঠানো হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়। গত ২০ ডিসেম্বর দুপুরে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় বৃহৎ জানাজা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে তাকে সমাহিত করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে বাসা থেকে বের হয়ে একসঙ্গে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন ওই পাঁচজন। পথেই তাদের বহনকারী গাড়িটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান তারা।
৭ ঘণ্টা আগে
রোববার (২১ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি ঘটনার নিরপেক্ষ বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছে। আসক বলেছে, রাষ্ট্রীয় হেফাজতে থাকা অবস্থায় একজন তরুণের মৃত্যু জনমনে গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দেয়। তাই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।
৭ ঘণ্টা আগে
রোববার (২১ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
৮ ঘণ্টা আগে
রোববার (২১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাকে প্রত্যাহারের বিষয়টি জানানো হয়।
৯ ঘণ্টা আগে