
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

২০২৬ সাল থেকে ২০৫০ সাল পর্যন্ত ২৫ বছরের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রণয়ন করা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ‘মহাপরিকল্পনা’র খসড়াকে ত্রুটিপূর্ণ বলে অভিহিত করেছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। গবেষণা সংস্থাটি বলছে, খসড়ায় জ্বালানি খাতের সমস্যা সমাধানের বদলে জিইয়ে রাখার প্রবণতা দেখা গেছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডিতে নিজেদের কার্যালয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের খসড়া জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মহাপরিকল্পনা ২০২৬-২০৫০ নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানাতে সংবাদ সম্মেলন করে সিপিডি।
সংবাদ সম্মেলনে রিসার্চ ডিরেক্টর খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম সিপিডির প্রতিক্রিয়া তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘খসড়ায় এলএনজি অবকাঠামোর বিপুল পরিকল্পনা উঠে এসেছে, যেখানে বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাত বিপুল দেনার মধ্যে রয়েছে। পরিকল্পনা হওয়া উচিত ছিল দেনা থেকে উত্তরণের উপায়। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি, সমাধান না করে সমস্যাগুলো জিইয়ে রাখার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।’
নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে এ পরিকল্পনায় উপেক্ষা করা হয়েছে উল্লেখ করে গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে প্রশ্ন— কেন এই মহাপরিকল্পনার মিশন ও ভিশনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির রিফ্লেকশন নেই? কেন সোলার নাম ব্যবহার করে অন্যান্য কার্বন নিঃসরণকারী জ্বালানিকে কেন এখানে সোলার না দিয়ে যুক্ত করা হয়েছে? আগের সরকার তাকে ক্লিন ফুয়েল বললেও সরকার তার ধার ধারেনি।’
পরিকল্পনার খসড়াকে ত্রুটিপূর্ণ অভিহিত করে সিপিডির রিসার্চ ডিরেক্টর বলেন, ‘আমাদের কাছে মনে হয়েছে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের মহাপরিকল্পনার যে খসড়া, তা ত্রুটিপূর্ণ। এটি অংশগ্রহণমূলক নয়, একটি বিশেষ গোষ্ঠীর স্বার্থ এখানে রক্ষা করা হচ্ছে। দীর্ঘ মেয়াদে এ পরিকল্পনা কার্বন নিঃসরণ রোধ প্রক্রিয়াকে ধ্বংস করবে এবং দেশে জীবাশ্ম জ্বালানির সম্প্রসারণ করবে ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করবে।’
অন্তর্বর্তী সরকারের এই মহাপরিকল্পনার কার্যক্রম স্থগিত করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন গোলাম মোয়াজ্জেম। তিনি বলেন, নতুন যে রাজনৈতিক দল নির্বাচিত হয়ে আসবে, তাদের পক্ষ থেকে একটি নতুন পরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া উচিত। সেটি যেন গবেষণাধর্মী, অংশগ্রহণমূলক হয়।
দেশের সব পক্ষকে সঙ্গে রেখে একটি সামঞ্জস্যপূর্ণ পরিকল্পনা তৈরির তাগিদ দিয়েছে সিপিডি। আমলাদের উপস্থিতি না রেখে নিরপেক্ষ প্যানেল দিয়ে সেটি করার কথা বলেছে প্রতিষ্ঠানটি, যেন খসড়াটি প্রভাবমুক্ত থাকে। রাজনৈতিক দলগুলো যেন এ রকম পরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ থেকে বিরত থাকতে সরকারকে অনুরোধ করে, সে আহ্বানও জানান গোলাম মোয়াজ্জেম।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সিপিডির সিনিয়র রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট হেলেন মাশিয়াত, রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট মেহেদী হাসান শামীম, আবরার আহমেদ, আতিকুজ্জামান সাজিদ, সাবিহা শারমিনসহ অন্যরা।

২০২৬ সাল থেকে ২০৫০ সাল পর্যন্ত ২৫ বছরের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রণয়ন করা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ‘মহাপরিকল্পনা’র খসড়াকে ত্রুটিপূর্ণ বলে অভিহিত করেছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। গবেষণা সংস্থাটি বলছে, খসড়ায় জ্বালানি খাতের সমস্যা সমাধানের বদলে জিইয়ে রাখার প্রবণতা দেখা গেছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডিতে নিজেদের কার্যালয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের খসড়া জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মহাপরিকল্পনা ২০২৬-২০৫০ নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানাতে সংবাদ সম্মেলন করে সিপিডি।
সংবাদ সম্মেলনে রিসার্চ ডিরেক্টর খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম সিপিডির প্রতিক্রিয়া তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘খসড়ায় এলএনজি অবকাঠামোর বিপুল পরিকল্পনা উঠে এসেছে, যেখানে বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাত বিপুল দেনার মধ্যে রয়েছে। পরিকল্পনা হওয়া উচিত ছিল দেনা থেকে উত্তরণের উপায়। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি, সমাধান না করে সমস্যাগুলো জিইয়ে রাখার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।’
নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে এ পরিকল্পনায় উপেক্ষা করা হয়েছে উল্লেখ করে গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে প্রশ্ন— কেন এই মহাপরিকল্পনার মিশন ও ভিশনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির রিফ্লেকশন নেই? কেন সোলার নাম ব্যবহার করে অন্যান্য কার্বন নিঃসরণকারী জ্বালানিকে কেন এখানে সোলার না দিয়ে যুক্ত করা হয়েছে? আগের সরকার তাকে ক্লিন ফুয়েল বললেও সরকার তার ধার ধারেনি।’
পরিকল্পনার খসড়াকে ত্রুটিপূর্ণ অভিহিত করে সিপিডির রিসার্চ ডিরেক্টর বলেন, ‘আমাদের কাছে মনে হয়েছে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের মহাপরিকল্পনার যে খসড়া, তা ত্রুটিপূর্ণ। এটি অংশগ্রহণমূলক নয়, একটি বিশেষ গোষ্ঠীর স্বার্থ এখানে রক্ষা করা হচ্ছে। দীর্ঘ মেয়াদে এ পরিকল্পনা কার্বন নিঃসরণ রোধ প্রক্রিয়াকে ধ্বংস করবে এবং দেশে জীবাশ্ম জ্বালানির সম্প্রসারণ করবে ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করবে।’
অন্তর্বর্তী সরকারের এই মহাপরিকল্পনার কার্যক্রম স্থগিত করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন গোলাম মোয়াজ্জেম। তিনি বলেন, নতুন যে রাজনৈতিক দল নির্বাচিত হয়ে আসবে, তাদের পক্ষ থেকে একটি নতুন পরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া উচিত। সেটি যেন গবেষণাধর্মী, অংশগ্রহণমূলক হয়।
দেশের সব পক্ষকে সঙ্গে রেখে একটি সামঞ্জস্যপূর্ণ পরিকল্পনা তৈরির তাগিদ দিয়েছে সিপিডি। আমলাদের উপস্থিতি না রেখে নিরপেক্ষ প্যানেল দিয়ে সেটি করার কথা বলেছে প্রতিষ্ঠানটি, যেন খসড়াটি প্রভাবমুক্ত থাকে। রাজনৈতিক দলগুলো যেন এ রকম পরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ থেকে বিরত থাকতে সরকারকে অনুরোধ করে, সে আহ্বানও জানান গোলাম মোয়াজ্জেম।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সিপিডির সিনিয়র রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট হেলেন মাশিয়াত, রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট মেহেদী হাসান শামীম, আবরার আহমেদ, আতিকুজ্জামান সাজিদ, সাবিহা শারমিনসহ অন্যরা।

মন্ত্রী বলেন, দলীয় প্রতীক না থাকায় এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে আরও বেশি প্রতিযোগিতামূলক। গ্রামীণ জনপদের উন্নয়নে জনবান্ধব ও সত্যিকারের প্রতিনিধিদের নির্বাচিত করতে এখন থেকেই ভোটার ও নেতাকর্মীদের সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে চলমান হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৮টিতে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া, টিকার ঘাটতি এবং মৃত্যুর ক্রমবর্ধমান হারের ওপর ভিত্তি করে পরিস্থিতিকে জাতীয়ভাবে ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে মূল্যায়ন করেছে সংস্থাটি।
৪ ঘণ্টা আগে
বৈঠকে সার্ক সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করেন। সদস্য রাষ্ট্রসমূহের প্রতিনিধিদলগুলো সার্কের উন্নয়নের জন্য তাদের নিজ নিজ জাতীয় দৃষ্টিভঙ্গি ও অগ্রাধিকার তুলে ধরে।
৪ ঘণ্টা আগে
প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ৪২ জন মারা গেছেন। আর হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ১৯৮ জন।
৫ ঘণ্টা আগে