গুলশান থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় কারাগারে আটক থাকা সিদ্দিককে গত ২০ আগস্ট গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে ২৪ আগস্ট তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার উপপরিদর্শক সামিউল ইসলাম ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য আজ দিন ধার্য করেন।
গুলশান থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় কারাগারে থাকা অবস্থায় গত ২০ আগস্ট এ মামলায় সিদ্দিককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে ২৪ আগস্ট তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক সামিউল ইসলাম তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য ৩ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন।
রাজধানীর লালবাগ থানার ইলেকট্রিশিয়ান শাওন সিকদার হত্যা মামলায় ঢাকা-৭ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হাজী সেলিম এবং নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকতকে গ্রেফতার দেখিয়েছেন আদালত।
জবানবন্দিতে সাবেক এই আইজিপি বলেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনের পর পুলিশের রাজনৈতিক প্রভাব আরও বেড়ে যায়। প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠেন কিছু কিছু কর্মকর্তা। ঊর্ধ্বতন রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে তাঁদের সরাসরি যোগাযোগ ছিল। এসব কর্মকর্তা প্রায় রাতেই সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বাসায় বৈঠকে কর
সাবেক আইজিপি জানান, সেই সময় তিনি পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে ছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে অতিরিক্ত ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ার্দার উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার বিষয়টি তাঁকে বলি। তিনি আমার রুম থেকে বের হয়ে ডিএমপি কমিশনারসহ সারা দেশে এই নির্দেশনা পৌঁছে দেন। ওইদিন থেকেই প্রধানমন্ত্রীর নির্দে
রায়ের প্রতিক্রিয়ায় শিশির মনির বলেন, “বিচারকদের বদলি, ছুটি, শৃঙ্খলাবিধি—সবকিছু সুপ্রিম কোর্টের হাতে ন্যস্ত হলো। ২০১৭ সালে অধস্তন বিচার বিভাগের জন্য করা ডিসিপ্লিনারি রুলসও অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি তিন মাসের মধ্যে পৃথক জুডিশিয়াল সেক্রেটারিয়েট গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”
জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারকাজ বর্তমানে পুরোদমে চলছে। ট্রাইব্যুনালের মূল ভবনের কাজ শেষ না হওয়ায় বিচার কার্যক্রম আপাতত টিনশেড ভবনে পরিচালিত হচ্ছে।
চেম্বার জজের আদেশের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনজীবী শিশির মনির সাংবাদিকদের বলেন, ডাকসু নির্বাচনে হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে চেম্বার আদালতে আবেদন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পরে এক আদেশে হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেন চেম্বার আদালত। ফলে ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠানে কোনো বাধা রইল না।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে সাজা দেওয়া হাইকোর্টের বিচারপতি ড. আখতারুজ্জামান পদত্যাগ করেছেন। প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। ইতিমধ্যে তার পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ হবে আগামী সপ্তাহে। আদালত সূত্রে জানা গেছে, এ মামলায় আরও বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী রয়েছেন, যাদের জবানবন্দির অপেক্ষায় রয়েছে ট্রাইব্যুনাল। শহীদ আবু সাঈদের পরিবারের দাবি, এই বিচার যেন দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়।
এর আগে ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স নিয়ে আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদনের শুনানি শুরু হয় গত ২৭ এপ্রিল। সেই রিভিউ শুনানি শেষ হয় গত ৩০ জুলাই।
২০১১ সালের ১০ মে আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী, অর্থাৎ তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করে রায় দেন। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল মঞ্জুর করেই এ রায় ঘোষণা করা হয়। পরে গত বছরের অক্টোবরে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর এই রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন করেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তি। অন্য চারজন হলেন- তোফায়েল আহমেদ, এম হাফিজউদ্দিন খান, জোবাইরুল হক ভূঁইয়া ও জাহরা রহমান।
সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার (বিচার) মো. মোয়াজ্জেম হোসেন ২৫ বিচারপতির শপথ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন। শপথের আগে পবিত্র কোরআন শরীফ থেকে তিলাওয়াত, গীতা পাঠ ও ত্রিপিটক পাঠ করা হয়।
হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পাওয়াদের মধ্যে মো. লুৎফর রহমান জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমের শ্বশুর। জুলাই অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিলে তিনি ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন।