
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাগেরহাটে চারটি সংসদীয় আসন পুনর্বহাল করে হাইকোর্টের দেয়া রায় বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
বুধবার (১০ ডিসেম্বর) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বিভাগ বেঞ্চ এসংক্রান্ত পৃথক চারটি লিভ টু আপিল খারিজ করে এই আদেশ দেন।
আজকের এই আদেশের ফলে বাগেরহাটে চারটি সংসদীয় আসন পুনর্বহাল হলো এবং গাজীপুরের একটি আসন কমে গেল বলে জানান আইনজীবীরা।
আদালতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, সঙ্গে ছিলেন নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী কামাল হোসেন মিয়াজী। সরকার জাবেদ আহমেদের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী এম বদরুদ্দোজা বাদল এবং সালাহ উদ্দিন সরকারের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী মুস্তাফিজুর রহমান খান শুনানি করেন। আর রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন। হাফিজুর রহমানের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গত ৩০ জুলাই নির্বাচন কমিশন প্রাথমিকভাবে বাগেরহাটের চারটি আসন থেকে একটি কমিয়ে তিনটি করার প্রস্তাব দেয়। ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলনে নামে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। তারা সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি গড়ে তোলে এবং হরতাল-অবরোধসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে। একপর্যায়ে নির্বাচন কমিশন গত ৪ সেপ্টেম্বর গেজেট প্রকাশ করে। সে গেজেটে বাগেরহাটের চারটি আসন থেকে একটি কমিয়ে গাজীপুরে একটি আসন বাড়ানো হয়। তবে নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বাগেরহাট প্রেসক্লাব, বাগেরহাট জেলা বিএনপি, জেলা জামায়াতে ইসলামী, বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতি, সেভ দ্য সুন্দরবন ফাউন্ডেশন, বাগেরহাট জেলা ট্রাক ট্যাংকলরি কাভার্ড ভ্যান মালিক সমিতি এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনে বাগেরহাট-১ আসন থেকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. শেখ মাসুদ রানা হাইকোর্টে রিট করেন।

বাগেরহাটে চারটি সংসদীয় আসন পুনর্বহাল করে হাইকোর্টের দেয়া রায় বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
বুধবার (১০ ডিসেম্বর) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বিভাগ বেঞ্চ এসংক্রান্ত পৃথক চারটি লিভ টু আপিল খারিজ করে এই আদেশ দেন।
আজকের এই আদেশের ফলে বাগেরহাটে চারটি সংসদীয় আসন পুনর্বহাল হলো এবং গাজীপুরের একটি আসন কমে গেল বলে জানান আইনজীবীরা।
আদালতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, সঙ্গে ছিলেন নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী কামাল হোসেন মিয়াজী। সরকার জাবেদ আহমেদের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী এম বদরুদ্দোজা বাদল এবং সালাহ উদ্দিন সরকারের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী মুস্তাফিজুর রহমান খান শুনানি করেন। আর রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন। হাফিজুর রহমানের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গত ৩০ জুলাই নির্বাচন কমিশন প্রাথমিকভাবে বাগেরহাটের চারটি আসন থেকে একটি কমিয়ে তিনটি করার প্রস্তাব দেয়। ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলনে নামে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। তারা সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি গড়ে তোলে এবং হরতাল-অবরোধসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে। একপর্যায়ে নির্বাচন কমিশন গত ৪ সেপ্টেম্বর গেজেট প্রকাশ করে। সে গেজেটে বাগেরহাটের চারটি আসন থেকে একটি কমিয়ে গাজীপুরে একটি আসন বাড়ানো হয়। তবে নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বাগেরহাট প্রেসক্লাব, বাগেরহাট জেলা বিএনপি, জেলা জামায়াতে ইসলামী, বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতি, সেভ দ্য সুন্দরবন ফাউন্ডেশন, বাগেরহাট জেলা ট্রাক ট্যাংকলরি কাভার্ড ভ্যান মালিক সমিতি এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনে বাগেরহাট-১ আসন থেকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. শেখ মাসুদ রানা হাইকোর্টে রিট করেন।

বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার রমজানে বাজার আরও স্থিতিশীল থাকবে। উৎপাদন, আমদানি, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেটা বিশ্লেষণ করে সামগ্রিক বিবেচনায় এমনটিই মনে হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
তিনি আরও বলেন, আমারা ওসিভি এবং আইসিপিভি নিয়ে কনসার ছিল। এ জন্য আমাদের যে সময় লেগেছে আমরা সেই সময় পর্যন্ত এটা বন্ধ রেখেছিলাম। এখন ওসিবি এবং আইসিপিভি কমপ্লিট হয়ে গেছে। আমাদের নির্বাচনের প্রার্থিতা সম্পূর্ণ হয়ে গেছে। ভোটার তালিকা এখন সম্পূর্ণ হয়েছে। এখন আমাদের স্বাভাবিক কাজে ফিরে আসতে হবে।
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে প্রবাসী ভোটারদের পাঠানো পোস্টাল ব্যালট পেপার দেশে আসতে শুরু করেছে। এসব ব্যালট গ্রহণ ও সংরক্ষণের জন্য সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়গুলোতে প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিটি সংসদীয় আসনের জন্য সর্বোচ্চ ৪০০টি পোস
৫ ঘণ্টা আগে
পবিত্র রমজান মাসের সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি নিয়ে কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যকে ‘বিভ্রান্তিকর’ ও ‘ভিত্তিহীন’ বলে জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। প্রতিষ্ঠানটি স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ঢাকার সময়ের সঙ্গে সর্বোচ্চ ৯ মিনিট যোগ বা বিয়োগ করে সাহরি ও ইফতার করার বিষয়ে তারা কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
৫ ঘণ্টা আগে