ছাত্রলীগ নেতাকে পুলিশের হাত থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার মামলায় বিএনপি নেতা কারাগারে

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে পুলিশ হেফাজতে থাকা নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের উপজেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক একাধিক মামলার আসামি রিয়াজুল আলম শাহীনকে (৩০) ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বিএনপির এক নেতাসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
শনিবার দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয় দুজনকে। গ্রেপ্তার দুজন হলেন— উপজেলার সরিষা ইউনিয়ন বিএনপির ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নূর মোহাম্মদ মিলন (৫০) ও নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নয়ন মণ্ডল (২৮)।
নূর মোহাম্মদ উপজেলার সরিষা গাঙপাড় এলাকার মৃত আব্দুল আজিজের ছেলে। তিনি এ মামলার এজাহারভুক্ত ৫ নম্বর আসামি। অন্যদিকে নয়ন মণ্ডল চর হোসেনপুর এলাকার মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে।
পুলিশ জানায়, ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসানের নির্দেশনায় ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) আশরাফুল করিম ও গৌরীপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেবাশীষ কর্মকারের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়। ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ রোমানের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত অভিযানে সরিষা এলাকা থেকে নূর মোহাম্মদ মিলনকে ও আশ্রবপুর এলাকা থেকে নয়ন মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা মামলার বিবরণে জানা যায়, পুলিশের কাজে বাধা প্রদান এবং পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা ও মারধর করে আহত করা এবং পুলিশের ব্যবহৃত সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুরের অভিযোগ রয়েছে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি সাজ্জাদ রোমান জানান, গ্রেপ্তার দুজনকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অপরাধী যে দলেরই হোক না কেন, কাউকে কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না। ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশ অপরাধীদের গ্রেপ্তারে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।














