গেন্ডারিয়ার ঘুণ্টিঘরে মাদকের আড্ডার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করছে পুলিশ

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
সিটি করপোরেশনের হুইল লোডার দিয়ে ছোট ছোট ঘরের মতো তৈরি স্থাপনাগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত
সিটি করপোরেশনের হুইল লোডার দিয়ে ছোট ছোট ঘরের মতো তৈরি স্থাপনাগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর গেন্ডারিয়ার ঘুণ্টিঘর রেললাইন এলাকায় মাদক সেবন ও আড্ডার জন্য তৈরি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে শুরু হওয়া এ অভিযানে সিটি করপোরেশনের হুইল লোডার দিয়ে ছোট ছোট ঘরের মতো তৈরি স্থাপনাগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।

গেন্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান মনির বলেন, রেললাইনের পাশের অবৈধ স্থাপনাগুলো সরিয়ে এলাকাটি পরিষ্কার করা হচ্ছে, যাতে সেখানে যানবাহন চলাচল করতে পারে।

তিনি বলেন, “রাস্তা-ঘাট সব পরিষ্কার করে এলাকাটি যানবাহন চলাচলের উপযোগী করা হচ্ছে। রেললাইনের পাশে মাদকের যে আড্ডা ছিল, তা উচ্ছেদ করা হচ্ছে। এলাকাটি পরিষ্কার করে রাখা হবে, যাতে সব সময় যানবাহন চলাচল করতে পারে।”

ওসি জানান, উচ্ছেদ অভিযানে সিটি করপোরেশনের যন্ত্রপাতির পাশাপাশি সাবেক কাউন্সিলর, পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা অংশ নিয়েছেন। এ কাজে স্থানীয়দের সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে।

গত ১৯ অক্টোবর ঘুণ্টিঘর রেললাইন, মুন্সিরটেকসহ আশপাশের এলাকায় অভিযান চালায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) ও এসআরবি-১০। ওই অভিযানে অন্তত ১৪ জনকে আটক করা হয়।

এর আগে ঘুণ্টিঘর রেললাইন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনায় আলোচনায় আসেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। এ নিয়ে সমালোচনার মুখে প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে তাকে সরে যেতে হয়।

ঘুণ্টিঘর রেললাইন এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরে মাদক কেনাবেচা ও সেবনের স্থান হিসেবে পরিচিত। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়মিত অভিযান চালালেও কিছুদিন পর সেখানে আবারও মাদকসেবী ও কারবারিদের উপস্থিতি দেখা যায়।

কয়েক মাস আগে ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালানোর সময় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক পরিদর্শককে গুলি করা হয়। ওই ঘটনার পর এলাকাটিতে একাধিক অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad