এনবিআর চেয়ারম্যানের কাছে ক্ষমা চাইলেন আন্দোলনকারীরা

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ০৮ জুলাই ২০২৫, ১৯: ১১

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারী ‘এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের’ ২০০ কর্মকর্তা-কর্মচারী সংস্থাটির চেয়ারম্যানের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। মঙ্গলবার (০৮ জুলাই) তারা চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খানের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চেয়েছেন বলে এনবিআর সূত্র জানিয়েছে।

এর আগে, গতকাল ঢাকা কাস্টমস হাউস পরিদর্শনে গিয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেছিলেন, আন্দোলনে অংশ নেয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দায়িত্বশীল আচরণ করলে ভয়ের কোনো কারণ নেই। তবে, সীমা লঙ্ঘনকারীদের ভিন্নভাবে দেখা হবে।

প্রসঙ্গত, গেল দেড় মাস ধরে এনবিআরে চলমান আন্দোলনের জেরে কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর, বরখাস্ত ও বদলির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পাশাপাশি এনবিআর কাঠামোতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধান শুরু হওয়ায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে কর্মকর্তাদের মধ্যে।

এরই মধ্যে বেশ কয়েকজনকে বাধ্যতামূলক অবসর ও বদলি দেওয়া হয়েছে। আন্দোলনে সম্পৃক্ত অনেকের পেছনে দুদক লেগেছে। যাতে পালটা আর কোনো স্টেপ নেওয়া না হয়, সেই আন্দোলনের কারণে আর যেন কোনো অ্যাকশন না হয়।

ad
ad

অর্থের রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরে বাণিজ্য-বিনিয়োগ ও শ্রমবাজার নিয়ে নতুন প্রত্যাশা

প্রধানমন্ত্রীর এ সফর ঘিরে সরকার ও ব্যবসায়ী মহলের প্রত্যাশা— দীর্ঘদিনের শ্রমবাজারকেন্দ্রিক বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্ক এবার বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, শিক্ষা, হালাল অর্থনীতি ও প্রযুক্তি সহযোগিতার মতো নতুন ক্ষেত্রে আরও বিস্তৃত হবে।

১ দিন আগে

নিম্ন আয়ে করের চাপ বেশি, উচ্চ আয়ে তুলনামূলক কম: সিপিডি

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক সতর্ক করে বলেন, সুস্পষ্ট জাতীয় কর্মসংস্থান কর্মসূচি ও প্রয়োজনীয় সংস্কার ছাড়া বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য বাস্তবায়ন কঠিন হবে এবং তা কেবল রাজনৈতিক অঙ্গীকার হিসেবেই থেকে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

২ দিন আগে

কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়ে আসছে, বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করলে ব্যবস্থা: ইসলামী ব্যাংক

সতর্কতামূলক এক বিজ্ঞপ্তিতে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বলেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের তারল্য সহায়তার ফলে ব্যাংকের আর্থিক কার্যক্রম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসছে এবং গ্রাহকদের লেনদেনও স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

২ দিন আগে

১ বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ

গত পাঁচ বছরের হিসাবে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশের নামে সবচেয়ে কম অর্থ ছিল ২০২৩ সালে। সে সময় জমার পরিমাণ নেমে এসেছিল মাত্র ১ কোটি ৭৭ লাখ সুইস ফ্রাঁতে, যার মূল্য প্রায় ২৭০ কোটি টাকা।

৪ দিন আগে