ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়ার ১৭ সাংবাদিক পেলেন বসুন্ধরার সম্মাননা
-4572aa-480x270.webp)
ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের ছয়টি সংবাদমাধ্যমের ১৭ সাংবাদিককে ‘জুন-২০২৬ সেরা সাংবাদিক’ সম্মাননা দিয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপ। অনন্যসাধারণ সাংবাদিকতার স্বীকৃতি হিসেবে শনিবার দুপুরে ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে সার্টিফিকেট ও অর্থ তুলে দেওয়া হয়।
বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান এবং এবিজি চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীরের পক্ষে পুরস্কার দেন গ্রুপের মিডিয়া অ্যাডভাইজার আব্দুল বারী ও ডিএমডি ফাইন্যান্স ইমরুল হাসান। অনুষ্ঠানে কালের কণ্ঠের সম্পাদক মেহেদী হাসান তালুকদার, নির্বাহী সম্পাদক হায়দার আলী, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক একরামুল হক ভূঁঞা (লোটন একরাম), নির্বাহী সম্পাদক আফাজ উদ্দিন বিপ্লব, বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক এ কে এম মঞ্জুরুল হক, ডেইলি সানের সম্পাদক মো. রেজাউল করিম লোটাস এবং নিউজ২৪ টিভির হেড অব নিউজ শরিফুল ইসলাম খানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কালের কণ্ঠ থেকে সম্মাননা পেয়েছেন শিমুল মাহমুদ, সজীব আহমেদ ও চট্টগ্রামের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার অনিক আখন্দ। শিমুল মাহমুদের প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল ‘চরম দুরবস্থায় সরকারি মেডিক্যাল কলেজ : শিখন ঘাটতিতে ডাক্তারি ডিগ্রি’। সজীব আহমেদের প্রতিবেদন ‘এক রিচার্জে ১৮০-২০০ ডিজিট, বিপাকে গ্রাহক’ এবং অনিক আখন্দের প্রতিবেদন ‘কর্তার দাপটে পূর্বাঞ্চল রেলওয়ের অফিস হয়ে গেল রেস্ট হাউজ, কেনাকাটায় অনিয়ম’।
বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের ইলিয়াস সরকার, ইকরাম-উদ-দৌলা, আবির রহমান, জিএম মুজিবুর ও চট্টগ্রাম ব্যুরোর মিজানুর রহমানও সম্মাননা পেয়েছেন। তাঁদের প্রতিবেদনের শিরোনাম যথাক্রমে ‘মৃত্যুদণ্ড নিয়ে কনডেম সেলে এক দশক : শিউলির পর এবার মুক্তি পাচ্ছেন মাশকুরা’, ‘১৫ বছর পর পর এনআইডি নবায়ন করতে হবে’, ‘কেপ ভার্দে-কুরাসাও পারলে বাংলাদেশ কেন পেছনে’, ‘ইট-পাথরের নগরে হারিয়ে যাচ্ছে পাখির আবাস, সংকটে বাস্তুতন্ত্র’ এবং ‘পাহাড় হারাচ্ছে চট্টগ্রাম, বাড়ছে ঝুঁকি’।
বাংলাদেশ প্রতিদিনের শামীম আহমেদ, মাহবুব মমতাজী ও ইমরান রহমানের প্রতিবেদনের জন্যও সম্মাননা দেওয়া হয়। তাঁদের প্রতিবেদন ছিল ‘কোটি টাকার কাগুজে গাছ দিচ্ছে না ছায়া!’, ‘অপরাধের কারখানা সোশ্যাল মিডিয়া’ এবং ‘ভয়ংকর জম্বি এখন বাংলাদেশে’। ডেইলি সানের এহসানুল হক জসিম ও আসাদুল ইসলামের যৌথ প্রতিবেদন ‘Environmental justice turns into a wild goose chase’, রফিকুল ইসলামের ‘SDG deadlines loom, PWD workforce still untapped’ এবং মৌসুমী ইসলামের ‘Can high rates revive investment?’-ও পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়।
নিউজ২৪ ও টি-স্পোর্টসের সংবাদকর্মী সাজ্জাদ হোসেন এবং মোমিন রোহনও সম্মাননা পেয়েছেন। সাজ্জাদ হোসেনের প্রতিবেদনের শিরোনাম ‘ঘুষের ফাঁদে প্রবাসীর স্ত্রী, তাৎক্ষণিক অ্যাকশনে প্রতিমন্ত্রী’। টি-স্পোর্টসের মোমিন রোহনের প্রতিবেদন ছিল ‘বাবা হাসপাতালের প্রহরী, ছেলে জাকির বাংলার উসাইন বোল্ট, নতুন কুঁড়ির সেরা বালক স্প্রিন্টার’।
অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান বলেন, গ্রুপের সাংবাদিকদের মধ্যে যারা লেখনীর মাধ্যমে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করবেন, তাঁদের মধ্য থেকে প্রতি মাসে ১২ জনকে মাস সেরা সাংবাদিক হিসেবে পুরস্কৃত করা হবে। এই আয়োজনের প্রথম ধাপ হিসেবে জুনের সেরা সাংবাদিকদের সম্মাননা দেওয়া হলো।
মিডিয়া অ্যাডভাইজার আব্দুল বারী বলেন, প্রতি মাসেই এ সম্মাননা দেওয়া হবে এবং দেশ ও মানুষের কল্যাণে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার চর্চা আরও জোরদার করতে হবে। তিনি চেয়ারম্যানের ঘোষণা তুলে ধরে বলেন, মানসম্পন্ন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সাংবাদিকদের এ বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হবে।
বসুন্ধরা গ্রুপের ডিএমডি ইমরুল হাসান বলেন, প্রতিটি সংবাদমাধ্যম থেকে সমানসংখ্যক মানসম্মত প্রতিবেদন বাছাইয়ের ক্ষেত্রে মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট ও নির্ধারিত কমিটি নিরপেক্ষ ভূমিকা রাখবে। এতে বিভিন্ন বিটের প্রতিবেদন সঠিকভাবে মূল্যায়নের সুযোগ তৈরি হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সম্পাদকরাও সংবাদকর্মীদের অনুসন্ধানী কাজে উৎসাহ দিতে এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আশাবাদ জানান।










-0aa2e0-256x144.webp)




