পুঁজিবাজার
বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর, বেতন কমল ৫ জনের
অর্থ মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। গত বছর বিএসইসির তৎকালীন চেয়ারম্যানকে অবরুদ্ধ করার ঘটনায় ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছিল মন্ত্রণালয়। তাদের মধ্যে ২২ জনের বিষয়ে মঙ্গলবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
শেয়ারবাজারে মার্জিন অর্থায়নে বড় পরিবর্তন, ইক্যুইটি-ঋণের অনুপাত সর্বোচ্চ ১:১
সংশোধিত বিধানে কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী গ্রাহকের ইক্যুইটির চেয়ে বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না। অর্থাৎ গ্রাহকের ইক্যুইটি ও মার্জিন অর্থায়নের অনুপাত সর্বোচ্চ ১:১ থাকবে। পাশাপাশি কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী তার প্রকৃত মূলধন বা নিট সম্পদের চারগুণের বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না।
শেয়ারবাজারে বড় দরপতন, বিক্রির চাপে সূচকের পতন
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার দেশের শেয়ারবাজারে বড় ধরনের দরপতন হয়েছে। প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। এর ফলে উভয় বাজারের প্রধান মূল্যসূচকে উল্লেখযোগ্য পতন হয়েছে। একই সঙ্গে ডিএসইতে আগের কার্যদিবসে
এআই খাতে অতিরিক্ত বিনিয়োগ নিয়ে শঙ্কা, শেয়ারে ধসে চাপে স্পেসএক্সও
বাজারের এই নেতিবাচক প্রভাব থেকে রক্ষা পায়নি সদ্য শেয়ারবাজারে আসা স্পেসএক্সও। ১২ জুন তালিকাভুক্ত হওয়ার পর থেকেই কোম্পানিটির শেয়ারদরে ব্যাপক ওঠানামা দেখা যাচ্ছে। মঙ্গলবার লেনদেনের একপর্যায়ে শেয়ারের দাম প্রাথমিক তালিকাভুক্তির মূল্য ১৫০ ডলারের নিচে নেমে গেলেও পরে কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়ে প্রায় ১৫৭ থেকে ১৬০ ড
শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারি: ২ বছরে ১২ তদন্ত, ১ হাজার ৪৯৬ কোটি টাকা জরিমানা
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর পুনর্গঠিত কমিশন ১২টি আলোচিত বিষয়ে অনুসন্ধান ও তদন্ত চালিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে।
মহামন্দার ১৫ মাস, বিনিয়োগকারীর সর্বনাশ!
উন্নয়ন ও উৎপাদন খাতে স্থবিরতার কারণে ব্যাংকগুলোতে অলস টাকার পাহাড় তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতির দ্রুত উন্নয়ন না হলে ব্যাংকের তারল্য উদ্বৃত্ত বোঝা হয়ে দাঁড়ানোর আশঙ্কা প্রকট।
ডিএসইতে সূচক বেড়েছে, লেনদেনে গতি
লেনদেনে আজ উল্লেখযোগ্য গতি লক্ষ্য করা গেছে। আজ মোট ২ লাখ ৯ হাজার ৩৭৪টি ট্রেডের মাধ্যমে মোট ২৩ কোটি ৯৪ লাখ ৫ হাজার ৫০৫টি শেয়ার ও ইউনিটের হাতবদল হয়েছে। যার আর্থিক মূল্য দাঁড়িয়েছে ৬৩৫ কোটি ৯৫ লাখ এক হাজার ১১৩ টাকা। আজ দিন শেষে মোট ৩৯১টি সিকিউরিটিজের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫৯টির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, কমেছ
পুঁজিবাজার— অসময়ে ডিজিটালাইজেশনের আওয়াজে আতঙ্ক
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পুঁজিবাজারে প্রয়োজন ছিল সাহসী নেতৃত্ব— যিনি বা যারা সময়ের চাহিদা অনুযায়ী বাজারচিত্রে আমূল পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম। বর্তমান নেতৃত্ব পুঁজিবাজারবান্ধব নয়। সরকারও পুঁজিবাজার বিষয়ে উদাসীন। অন্তর্বর্তী সরকারের নিয়োগপ্রাপ্ত বিএসইসি চেয়ারম্যানের ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ।
৫ ব্যাংক একীভূত হলে বিনিয়োগকারীদের কী হবে?
বিনিয়োগকারীদের এ বিপুল বিনিয়োগ ফেরত পাওয়ার রাস্তা কী? জবাব কে দেবে? জবাব হলো— সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ দেখার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও ডিবিএর দায়িত্ব হবে বিএসইসিকে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষার কাজ সম্পন্ন
এনবিআরের চিঠি প্রত্যাহার জরুরি
পুঁজিবাজার স্পর্শকাতর, বিশেষায়িত খাত। বিষয়জ্ঞানবিবর্জিতদের পুঁজিবাজারের ত্রিসীমানায় ঢোকা নিষিদ্ধ হওয়া উচিত। উল্লিখিত বাস্তবতায় প্রদত্ত চিঠি অবশ্যই অন্তর্ঘাত-সহায়ক ও বিনিয়োগ-বিনাশী! অবিলম্বে প্রদত্ত চিঠি প্রত্যাহার করা জরুরি।
ধনাত্মক পুঁজিবাজারকে ঋণাত্মক পরিণতি দেওয়া উদ্বেগজনক
বাজারসংশ্লিষ্টদের মতে, পুঁজিবাজার ব্যবস্থাপনায় মাফিয়া দোসরদের বহাল রেখে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরানো সম্ভব নয়। বিনিয়োগবান্ধব বাজার গঠনও অসম্ভব। এই কঠিন বাস্তবতা অনুধাবনে ব্যর্থ হয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
নতুন পুঁজি প্রবেশে আশাবাদ, শঙ্কা ‘মার্জিন ক্যাসিনো’
বাংলাদেশ ব্যাংক (বিবি) অর্থবাজারের শীর্ষ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান। বিবি গভর্নর বহুদিন থেকেই পুঁজিবাজারবিরোধী প্রকাশ্য অবস্থান নিয়েছেন। তার ব্যাংক ব্যবস্থাপনা নীতি, বিনিয়োগ ও বিনিয়োগকারী-বিকর্ষক। তিনি জনগণের টাকায় একটি বিশেষ শ্রেণিকে অতিরিক্ত সুবিধা দিয়ে যাচ্ছেন বলে মনে হয়।
ইকুইটি মার্কেটে মার্জিনকে সর্বতোভাবেই ‘না’ বলুন
গর্তের ভিতর ইঁদুর রেখে গর্ত ভরাট করে লাভ নেই-পুঁজিবাজারের ইঁদুর মার্জিন। পুঁজিবাজার ইকুইটি নির্ভর। মৌলনির্ভর ইকুইটিই এ বাজারের শক্তি। পুঁজিবাজার সুদমুক্ত লগ্নি ও টেকসই পুঁজি সরবরাহ করে। এখানে ঋণ নয়, প্রয়োজন পুঁজির নিরাপত্তা এবং দীর্ঘমেয়াদি নীতি সহায়তা।
পুঁজিবাজারের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর এখনই সময়
তবে বহু বছর পর ব্যাংক ও বীমা খাত একসঙ্গে ধনাত্মক ধারায় প্রবেশ করেছে। এর কৃতিত্ব বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর দাবি করতেই পারেন। তিনি ধারাবাহিকভাবে ব্যাংক খাতে নীতি ও আর্থিক সহায়তা দিয়ে গেছেন এবং আমানতকারীদের আস্থা ধরে রেখেছেন।
সর্বশেষ














