মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী জামায়াতে ইসলামীকে সঙ্গে নিয়ে সরকার পতনের এক দফা দাবিতে ‘জাতীয় ঐক্যে’র ডাক দিয়েছে বিএনপি। শুক্রবার (২৬ জুলাই) বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই ঐক্যের ডাক দেওয়া হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, সরকারি চাকরিতে কোটা নিয়ে আন্দোলনে নামা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন সমন্বয়কে আটক করা হয়নি। তাদের নিরাপত্তার জন্যই পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।
এই তিন সংগঠক হলেন; নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ ও আবু বাকের মজুমদার। সবাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এদের মধ্যে নাহিদ ও আসিফ সম্প্রতি নিখোঁজ হন। আহত অবস্থায় উদ্ধার হওয়ার পর ঢাকার ধানমন্ডি এলাকায় গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতাল চিকিৎসাধীন ছিলেন তারা।
এর আগে সকালে রাজধানীর রামপুরায় নাশকতাকারীদের হামলা ও অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ভবন পরিদর্শন করেন সরকারপ্রধান।
ফখরুল বলেন, গ্রেফতার নেতাদের গুম করে রেখে নির্যাতন চালিয়ে তিন/চার কিংবা পাঁচ দিন পর আদালতে হাজির করা হচ্ছে যা আইন ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। দেশের নাগরিকদের গুম করে রাখার ভয়াবহ সংস্কৃতি চালু রেখে মানুষের মনে ভীতির সঞ্চার করা হচ্ছে। সরকারকে এ ধরনের লোমহর্ষক কর্মকাণ্ড পরিহারের আহ্বান জানাচ্ছি।
মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেসব স্থাপনা তৈরি করেছেন, সেগুলোর ওপর হামলা করছে দুষ্কৃতিকারীরা। তারা বাংলাদেশকে একটি অকার্যকর রাষ্ট্র হিসেবে পরিণত করতে চেয়েছে। যেন তাদের প্রভুকে দেখাতে পারে। তারা চেষ্টা করছে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে সরাতে।
কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে হামলা ও আগুনে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত রাষ্ট্রীয় বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ভবনের ধ্বংসযজ্ঞ ঘুরে দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুক্রবার (২৬ জুলাই) সকালে বিটিভি ভবন পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, আজকে রাষ্ট্র আক্রান্ত। তারেক রহমানের নির্দেশে রাষ্ট্রের ওপর এই হামলা হয়েছে। গতকাল তিনি টেলিভিশনের স্বীকারোক্তি দিয়েছেন, ছাত্রলীগ মারলে পাঁচ হাজার টাকা, পুলিশ মারলে দশ হাজার টাকা। আমির খসরু মাহমুদ নির্দেশ দিয়েছেন তাদের তরুণ নেতাকর্মীদের আন্দোলনে যোগ দেওয়ার জন্য। এইসব অড
কোটা সংস্কার আন্দোলনে সহিংসতায় প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ডের সম্পূর্ণ দায় বিএনপি-জামায়াত ও তাদের দোসরদের। এ দায় থেকে মুক্তি পেতে তারা আন্তর্জাতিক তদন্ত চাইছে। দেশ ও দেশের মানুষের ওপর তার
ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দেশের আনাচ-কানাচ থেকে খুঁজে বের করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুক্রবার (২৬ জুলাই) সকালে রাজধানীর রামপুরায় সম্প্রতি হামলা ও অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ভবন পরিদর্শন শেষে তিনি এ আহ্বান জানান।
ছয় অতিরিক্ত সচিবকে বদলি করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থী আন্দোলন শুরু হয় ১ জুলাই। ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনকারীদের কর্মসূচি ঘিরে সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনা ঘটে। এরপর সারা দেশে বিক্ষোভ ছড়াতে থাকে। ১৮ থেকে ২০ জুলাই—এই তিন দিনে সবচেয়ে বেশি হতাহত হয়। ফায়ার সার্ভিসের তথ্য বলছে, এই তিন দিনে ‘উত্তেজিত জনতা’ কর্তৃক ৮৯টি অগ্নি
বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলা ও অগ্নিসংযোগ মামলায় আসামি করা হয়েছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা, সদ্য পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে। এ ছাড়া আসামি করা হয়েছে জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে এবং দুটি বেসরকারি পলিটেকনিকের অধ্যক্ষ ও পরিচালকসহ অনেককেই এ মামলায় আসামি করা হয়েছে
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শিক্ষার্থীদের আমি রাজাকার বলিনি, আমার বক্তব্যকে বিকৃত করা হয়েছে। তারা নিজেরাই নিজেদের রাজাকার বলে স্নোগান দিয়েছে। আজ (শুক্রবার) সকালে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ভবন পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় ঢাকা-১৩ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ ফজলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক রানা, স্থানীয় কাউন্সিলর, থানা ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকরা উপস্থিত ছিলেন।
কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াতের সহিংসতার কারণে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে আওয়ামী লীগ।
এ ছাড়া আরো গ্রেপ্তার হয়েছেন বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি রফিকুল আলম মজনু, ঢাকা উত্তর বিএনপির সভাপতি সাইফুল আলম নিরব, বিএনপির নির্বাহী পরিষদের সদস্য তারিকুল আলম তেনজিং এবং বিএনপির কোষাধ্যক্ষ রাশেদু্জ্জামান মিল্লাত।