জানা যায়, সেই কামবালাকে বাড়ি করে দিয়েছেন নৌপ্রতিমন্ত্রী। জরাজীর্ণ মাটির ঘরে আর থাকতে হবে না ৯২ বছর বয়সী কামবালাকে। নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর নিজস্ব অর্থায়নে তিনটি বাড়ি পাওয়ার পর উচ্ছ্বসিত কামবালা বলেন, ‘মুই খুব খুশি হইচো, মোর বেটা মোক তিনটি বাড়ি বানায় দিছে।’
ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে বলেছেন। এ জন্য আমরা আগামী ৯ তারিখে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সভা করে সব মন্ত্রণালয়ের ক্ষয়ক্ষতির তালিকা চূড়ান্ত করবো। এরপর এটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে দেওয়া হবে।’
বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী অর্থবছর থেকে স্থায়ী দোকানের মাধ্যমে পণ্য দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। যাতে সুবিধাভোগীরা যেন সময়মতো পণ্যগুলো নিতে পারে। আগামীতে বাজার নিয়ন্ত্রণে টিসিবির মাধ্যমে দোকান গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। যাতে বাজারে পণ্যের সরবরাহ ঘাঁটতি দেখা দিলে টিসিবির মাধ্যমে যাতে নিয়ন্ত্রণ করা য
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০টি জেলার খসড়া হিসাব পেয়েছি, ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে এসব জেলায় ৬ হাজার ৮৮০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে এ সংক্রান্ত চুড়ান্ত ক্ষয়ক্ষতির হিসাব আগামী ৯ জুন নির্ধারণ করা হবে বলে জানান তিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, বেনজির আহমেদের ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন তদন্ত করছে। তদন্ত, মামলা, গ্রেপ্তার-সবকিছু একটা আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে। সরকার এখানে দুদককে এড়িয়ে আগ বাড়িয়ে কেন ব্যবস্থা নেবে? সরকারের দুর্নীতিবিরোধী যেসব সংস্থা আছে তাদের কোনো ব্যর্থতা থাকলে তারও বিচার হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘কোন দেশের সঙ্গে কার ঝগড়া তা বাংলাদেশের দেখার প্রয়োজন নাই। যারা উন্নয়নের সহযোগী হবে তাদের নিয়েই এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ। আমরা সবসময় শান্তি চাই, যুদ্ধ চাই না। সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব চাই এবং সেই বন্ধুত্ব রেখেই কিন্তু আমি এগিয়ে যাচ্ছি।’
শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক এমপি জগলুল হায়দারের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম এমপি।
তিনি বলেন, তার (বেনজীর) বিরুদ্ধে এখনও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়নি। তার আগেই তিনি দেশ ছেড়ে চলে গেছেন বলে শুনেছি। যদিও তার যাওয়ার ব্যাপারে আমি জানি না। বিস্তারিত জেনে এ বিষয়ে কথা বলবো।
মন্ত্রী হাছান বলেন, 'বিএনপি ৩০ মে জিয়াউর রহমানের মৃত্যুদিবসে নানা বক্তব্য দেয়। কিন্তু তারা ক্ষমতায় থেকেও এই হত্যার বিচার করেননি, বরং এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন আওয়ামী লীগ নেত্রী শেখ হাসিনা।'
মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত এসব রোহিঙ্গার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। আমরা আগে থেকেই বলে আসছিলাম, এদের দ্রুত সময়ের মধ্যে স্বদেশ মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো না গেলে এখানে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো না গেলে উখিয়া-টেকনাফে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসীদের হাব তৈরি হতে পারে। অস্ত্রের ঝনঝনানি হতে পারে। অনেক কিছুই
বিএনপি মানসিক অশান্তিতে ভুগছে মন্তব্য করে কাদের বলেন, তারা একরাশ ব্যর্থতার স্তূপের উপর দাঁড়িয়ে। তারা মানসিক অশান্তিতে ভুগছে। মানসিক অস্থিরতার মধ্যে সত্য কথা বলতে তারা ভুলে গেছে।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকার নির্বিকার নয়। আমি মন্ত্রী, আমি যদি কোনো দুর্নীতি করি সেটা কি বিনা বিচারে শেষ হয়ে যাবে? প্রধানমন্ত্রীর কাছে সব খবর আছে। প্রধানমন্ত্রী অফিসের কিছু লোককেও শাস্তি দিয়েছেন। খালেদা জিয়ার আমলে তারা কি কাউকে শাস্তি দিয়ে
তিনি বলেন, ‘বিএনপি তিন তিনবার ক্ষমতায় ছিল। কিন্তু জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ডের বিচারের কোনো উদ্যোগ নেয়নি। বিএনপির নেতাদের বুকে সাহস থাকলে সেটার জবাব দিয়ে প্রমাণ করুন আপনারা সত্যিই জিয়াউর রহমানকে ভালোবাসেন।’
সেতুমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে ভোটার উপস্থিতি ৩৫ শতাংশের কিছু বেশি। আগামীকাল এটি চূড়ান্ত জানা যাবে।এই নির্বাচনে দুই-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ব্যতীত উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর নেই। মোটামুটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচন কমিশনসহ নির
আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দল ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় কী অবস্থা দেখেছে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম এমপি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ও মানুষজনের খোঁজখবর সবসময় রাখছেন। আগামীকাল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় আসবেন। ম
ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সাবেক পুলিশের মহাপরিদর্শক বেনজির আহমেদ ও সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ ইস্যুতে সরকার বিব্রত নয়, বরং সরকারের বিচার করার সৎ সাহস আছে। সরকার তাদের অপরাধ অস্বীকার করে পার পেয়ে যাবার সুযোগ দেয়নি। দুর্নীতির ব্যাপারে সরকার আপোষহীন।
২০১২ সাল থেকে এমজেএফ মর্যাদায় গড়ি সমতা ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে নারীর গৃহস্থালি ও সেবামূলক কাজের মূল্যায়ন, জিডিপিতে অন্তর্ভুক্তি ও জাতীয় আয় পরিমাপের পদ্ধতি সংস্কারের জন্য দাবি জানিয়ে আসছে। এর মাধ্যমে সর্বস্তরে নারীর মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে।