হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, আপনারা যদি আমাকে প্রয়োজনীয় সাহায্য করেন তাহলে হাসপাতালের সব সমস্যার সমাধান করার জন্য প্রয়োজনীয় চেষ্টা আমার থাকবে। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এমআরআই মেশিন, সিটি স্ক্যান নষ্ট এটা শুনতেও আমার কাছে খারাপ লাগে
দীপু মনি বলেন, সেই দলটা (বিএনপি) বাংলাদেশের স্বাধীনতাবিরোধী। কিন্তু তারা বলতে চায় তারাও স্বাধীনতার পক্ষের লোক। যদি তাই হয়, তাহলে তারা কেন স্বাধীনতার বিপক্ষের লোকজন নিয়ে ঘুরেন এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কেন বন্ধ করতে চায় তারা। বিএনপি কেন আমাদের শহীদের রক্তের বিনিময়ে পাওয়া লাল সবুজের পতাকা তাদের গাড়িতে
ভারতের সাথে কানেক্টিভিটি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর নিয়ে বিএনপির সমালোচনাকে অবান্তর বর্ণনা করে হাছান মাহমুদ বলেন, ইউরোপে কোনো সীমান্ত চৌকি নেই। সেখানে কি দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব নষ্ট হয়ে গেছে?
ঢাকা-৮ আসনের জনসাধারণের সমস্যাগুলো আস্তে আস্তে সমাধানের আশ্বাস দিয়ে আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, জনগণ আমাদের সঙ্গে আছে। কেউ আমাদের এই অগ্রগতিকে থামিয়ে দিতে পারবে না। ঢাকা-৮ হলো ঢাকার হার্ট, হবে স্মার্ট।
আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে বিএনপি কোটা নিয়ে শিক্ষার্থীদের ও সর্বজনীন পেনশন নিয়ে শিক্ষকদের আন্দোলনে ঢুকেছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর তোপখানা রোডে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
বিএনপি বারবার সন্ত্রাস ও সহিংসতার পথ বেছে নিয়েছে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আমরা দৃঢ়ভাবে বলতে চাই, যারা গণতান্ত্রিক পন্থার ব্যত্যয় ঘটাতে সন্ত্রাস-সহিংসতাকে উস্কে দেওয়ার পাঁয়তারা করবে তাদের বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলাবাহিনী কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
বিএনপির উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘নেতাদের মুখের কোনও ট্যাক্স নাই, লাগাম নাই। গাড়ি চালক বেপরোয়া হলে যে অবস্থা হয়, রাজনীতিতে তারা হলো বেপরোয়া চালক। কখন কোন দুর্ঘটনা ঘটে কেউ জানে না। কে চালায় বিএনপি? লন্ডন থেকে রিমোট কন্ট্রোল দিয়ে চালায়। সড়কপথে কিংবা নৌপথে নয়- আকাশপথে বিএনপি চলে।’
তিনি বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে মুখে মুখে নয়, ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার। যাদের নাম আসছে, সেগুলো ধামাচাপা দিচ্ছে না সরকার। এর আগেও ক্ষমতাসীন দলের অনেক এমপিকে দুদকে যেতে হয়েছে। কিন্তু বিএনপি আমলে তো দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাই নেয়া হয়নি। আওয়ামী লীগ অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয় এবং নিচ্ছে।
নানক বলেন, সোনালি ব্যাগ ও পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট যে ব্যাগ আবিষ্কার করবে, সেটার দাম কমিয়ে আনার চেষ্টা করব। কারণ আমি যখন বাজার করব, চার প্রকারের সবজি কিনব, তখন চারটি পলিথিন ব্যাগ দেওয়া হয়। যখন বলি, এগুলো একটি ব্যাগে ঢুকিয়ে দেন, তখন আরেকটি পলিথিনের ব্যাগের মধ্যে এই চারটি ব্যাগ ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। অর্থাৎ পল
সর্বজনীন পেনশন স্কিম সংক্রান্ত বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহারের দাবি ও সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালনকারী শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বৈঠক করবেন। বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) সকালে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, “এক হাজার গুণ বেশি ফি নিয়ে অনেক মিডিয়াম স্কুল কেন নিজস্ব ক্যাম্পাস তৈরি করতে পারছে না। বিদ্যালয়ের রুমগুলো কনভার্ট করে পরিচালিত হবে–সেটা সাময়িকভাবে দেওয়া যায়; কিন্তু আজীবন আমি সেখানে থেকে যাব, আর বিদ্যালয়ের যে সারপ্লাস হবে সেটা আমরা যারা উদ্যোক্তা তারা পকেটে কর
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্ব রয়েছে বলেই অনেক রকম সুবিধা আদায় করতেপেরেছে সরকার। অবিশ্বাস জন্মালে বন্ধুত্ব থাকে না।’ তিনি বলেন, আমরা মালয়েশিয়ার সঙ্গে পদ্মা সেতুর জন্য সমঝোতা স্মারক করেছি। কিন্তু পরবর্তী সময়ে পদ্মা সেতু নিজের টাকায় করেছি। আমরা যদি চুক্তি করতাম, তাহলে
বিএনপি নিজেরা নিজেদের বিশ্বাস করে না মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, তারা কেউ কাউকে পছন্দ করে না। একজন আরেক জনকে বলে সরকারের এজেন্ট। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আন্দোলন করবে কখন? তাদের আন্দোলন ভুয়া।
বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, সংবিধান অনুযায়ী আইনের দৃষ্টিতে সকলেই সমান। খালেদা জিয়া দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামি। সংবিধান ও আইনগত প্রক্রিয়ার বাইরে একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামির মুক্তি দাবি ধৃষ্টতা ছাড়া কিছু নয়। আইনগত প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে কোনো সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তির দেশ ত্যাগ করার কোনো বিধান নেই। মানবিক
তিনি বলেন, দুর্নীতিবাজরা এদেশে বেশি দুর্নীতি দুর্নীতি বলে। যারা দুর্নীতি নিয়ে কথা বলে তাদের মধ্যে কতো যে দুর্নীতিবাজ! একটু খুঁজে দেখেন পেয়ে যাবেন, আশে পাশেই আছে। দুর্নীতিবাজের ক্ষমতা নেই।
চট্টগ্রাম ৭ আসনের সংসদ সদস্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান বলেন, পাকিস্তান আমলে আইয়ুব খাঁন মার্শাল ল’ জারির পর বঙ্গবন্ধুসহ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করা হয়। ১৯৭০ সালের নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়। স্বাধীনতাযুদ্ধে আওয়ামী লীগের বহু নেতাকর্মী জীবন দিয়েছে। স্বাধীনতা