পরিবেশমন্ত্রী বলেন, ভাষা শহীদেরা বাংলা ভাষাকে কেবল অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠাই করেননি, বরং আমাদের জাতীয়তাবোধ এবং মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় অতুলনীয় অবদান রেখেছেন। তারা বাঙালি জাতির ঐক্য ও সংহতি দৃঢ় করেছেন এবং মাতৃভাষার প্রতি ভালোবাসা ও সম্মানের বীজ বপন করেছেন। তাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করতে বাংলা
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে বাংলার (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ছাত্র ও যুব সমাজসহ সর্বস্তরের মানুষ সে সময়ের শাসক গোষ্ঠীর চোখ-রাঙানি ও প্রশাসনের ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাজপথে নেমে আসে। মায়ের ভাষা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের দুর্বার গতি পাকিস্তানি শাসকদের শঙ্কিত করে
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় অমর একুশের কালজয়ী গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি…’ বাজানো হয়। এর আগে রাত ১১টা ৫১ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শহীদ মিনারে এসে পৌঁছলে তাকে অভ্যর্থনা জা
মহাপরিচালক জাহিদ উল ইসলাম জানান, তিনটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা কী কী পণ্য ঘানাতে রপ্তানি করতে পারি তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তার মধ্যে ফার্মাসিউটিক্যালস, পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি বিষয় ছিল। চুক্তিভিত্তিক চাষাবাদের জন্য ঘানা উপযুক্ত কি না এবং আমরা এ ব্যাপারে সমঝোতায় যেতে পারি কি না, তা নিয়ে বিস্তারি
মিউনিখে অবস্থানকালে শেখ হাসিনা নিরাপত্তা সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন। পাশাপাশি তিনি বেশ কয়েকজন বিশ্বনেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শুলজ, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি, নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুট, আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ, কাতারের প্রধা
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা আমাদের যে মর্যাদা দিয়ে গিয়েছিলেন সেই মর্যাদাটা ৭৫ এর পর বাঙালি জাতি হারিয়ে ফেলেছিল। কিন্তু আজকে আমি অন্তত এইটুক দাবি করতে পারি আবার বাঙালি বিশ্বের দরবারে এখন মাথা উঁচু করে চলতে পারে। সেই মর্যাদা আমরা ফিরিয়ে এনেছি। আর এই মর্যাদা আমাদের সমুন্নত রেখেই আগামীর দিনে এগিয়ে যে
শিল্পকলার বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে সংগীতে জালাল উদ্দীন খাঁর (মরণোত্তর) পক্ষে নাতি গোলাম ফারুক খান পদক গ্রহণ করেন। মরমি শিল্পী বিদিত লাল দাসের পদক গ্রহণ করেন তাঁর ছেলে বিশ্বদীপ লাল দাস। আর কণ্ঠশিল্পী এন্ড্রু কিশোরের পক্ষে একুশে পদক নেন স্ত্রী লিপিকা এন্ড্রু। স্বাধীন বাংলা বেতারের শব্দসৈনিক, বীর মুক্তিয
মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ, অতিরিক্ত সচিব মোছা. নূরজাহান খাতুন, মাসুদ আকতার খান, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ড. উত্তম কুমার দাস, মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মতিউর রহমান, প্রতিমন্ত্রীর
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, ‘বায়ুদূষণ সম্পর্কিত স্বাস্থ্য সুরক্ষামূলক পরামর্শ’ শিরোনামে প্রচারিত বার্তায় ঢাকার বায়ুদূষণ বায়ুমান সূচকে ৩০০ এর অধিক হলে ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় ঘরের বাইরে অবস্থানকারী জনসাধারণকে মাস্ক পরিধান করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি অসুস্থ ব্যক্তি, শিশু ও বৃদ্ধ ব্যক্তিদের
ভাষা আন্দোলন বিভাগে পুরস্কারের জন্য মৌ. আশরাফুদ্দীন আহমদ (মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা হাতেম আলী মিয়ার (মরণোত্তর) নাম ঘোষণা করা হয়েছে। শিল্পকলা বিভাগে সংগীত ক্যাটাগরিতে জালাল উদ্দীন খা (মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণী ঘোষ (মরণোত্তর), বিদিত লাল দাস (মরণোত্তর), এন্ড্রু কিশোর (মরণোত্তর), শুভ্রদেব, ন
মন্ত্রী জানান, বহির্বিশ্বের কারাগারে আটকদের বিষয়ে মিশনগুলো থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী পর্তুগালে একজন, মিশরে ছয়জন, ইতালিতে ৮১ জন, দক্ষিণ আফ্রিকায় ৩৮৫ জন, কোরিয়ায় ছয়জন, শ্রীলঙ্কায় তিনজন, কাতারে ৪১৫ জন, লিবিয়ায় নয়জন, স্পেনে ১৯ জন, হংকংয়ে ১২২ জন, সিঙ্গাপুরে ৬৬ জন, ব্রুনাইয়ে
১৯৫২ সালের এই দিনে মাতৃভাষার জন্য সর্বোচ্চ আত্মত্যাগকারী ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে জাতি ২১ ফেব্রুয়ারি ‘অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ পালন করবে। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পুরস্কারপ্রাপ্তদের
আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে বাণিজ্য সচিব, কৃষি সচিব, সংস্কৃতি সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সারোওয়াত সিরাজ শুক্লা
তিনি বলেন, ওয়েবসাইটে ভুল, অর্ধসত্য ও অপর্যাপ্ত তথ্যের উপর ভিত্তি করে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে বিশ্বের ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশকে ১৬৩তম দেখানো হয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে গণমাধ্যমের ক্রমবিকাশ, সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং স্বাধীন ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার জন্য বর্তমান
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ঘানার প্রতিনিধিরা দ্বিপাক্ষিক সফরে ঢাকায় এসেছেন। বাংলাদেশে অবস্থানকালে ঘানার প্রতিনিধিদল কয়েকটি বৈঠক করবে। এসব বৈঠকে অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে (এমএসসি) যোগ দিতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মিউনিখে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর সরকারপ্রধান হিসেবে এটিই তার প্রথম কোনো রাষ্ট্রীয় সফর। সম্মেলন শেষে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি নিয়মিত ফ্লাইটে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীসহ দেশে ফিরেন। মিউনিখে
সফরে প্রধানমন্ত্রী জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শোলৎজ, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি, নেদারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটে, আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ, কাতারের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল-থানি এবং ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক