
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

গাজায় ইসরায়েলের হামলাকে ‘গণহত্যা’ আখ্যা দিয়ে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি ফ্রানচেসকা আলবানিজ বলেন, ইসরায়েলের অর্থনীতি দখলদারিত্ব ও নিপীড়নের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। তাই প্রতিটি দেশকে এখনই ইসরায়েলের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক পর্যালোচনা করে তা স্থগিত করা উচিত। এছাড়া বিশ্বকে এখনই এর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেছেন, ইসরায়েলের অর্থনীতি দখলদারিত্ব ও নিপীড়নের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। তাই প্রতিটি দেশকে এখনই ইসরায়েলের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক পর্যালোচনা করে তা স্থগিত করা উচিত। বেসরকারি খাতের ক্ষেত্রেও একই সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য হওয়া দরকার।
কলম্বিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সম্মেলনে বিশ্বের ৩০টি দেশের প্রতিনিধি অংশ নেন। এতে কূটনৈতিক ও আইনি পদক্ষেপের মাধ্যমে গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসন ঠেকানোর উপায় নিয়ে আলোচনা হয়।
এই সম্মেলনে স্পেন, আয়ারল্যান্ড, চীন, কাতার ও তুরস্কের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন। দক্ষিণ আফ্রিকার শাসক দল বহুদিন ধরেই ইসরায়েলের নীতিকে বর্ণবাদী শাসনের সঙ্গে তুলনা করে আসছে।
সম্মেলনে অংশ নেওয়া দেশগুলোর অনেকেই গাজায় ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডকে গণহত্যা বলে উল্লেখ করেছেন।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত ইসরায়েলের হামলায় ৫৮ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। বহুবার গাজার ওপর সম্পূর্ণ অবরোধ দিয়েছে ইসরায়েল, যা ২৩ লাখ মানুষকে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের চরম সীমায় ঠেলে দিয়েছে।
সম্মেলনের উদ্দেশ্য শুধু ফিলিস্তিনের পক্ষে অবস্থান নেওয়া নয়, বরং আন্তর্জাতিক আইন ও স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার অধিকার রক্ষা করা, বলেছেন কলম্বিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাউরিসিও জারামিলো।
এছাড়া আলবানিজ ইউরোপীয় ইউনিয়নে কাছেও একই ধরনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ইইউ আইনগতভাবে বাধ্য—ইসরায়েলের সঙ্গে তাদের চুক্তি স্থগিত করতে। কারণ ইসরায়েল অবরোধ, বর্ণবাদ ও গণহত্যা সংঘটিত করছে।
বর্তমানে ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অংশীদার ইউরোপীয় ইউনিয়ন। জোটটি এমন এক অর্থনীতিকে সমর্থন দিচ্ছে—যেটি গণহত্যার সঙ্গে জড়িত।

গাজায় ইসরায়েলের হামলাকে ‘গণহত্যা’ আখ্যা দিয়ে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি ফ্রানচেসকা আলবানিজ বলেন, ইসরায়েলের অর্থনীতি দখলদারিত্ব ও নিপীড়নের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। তাই প্রতিটি দেশকে এখনই ইসরায়েলের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক পর্যালোচনা করে তা স্থগিত করা উচিত। এছাড়া বিশ্বকে এখনই এর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেছেন, ইসরায়েলের অর্থনীতি দখলদারিত্ব ও নিপীড়নের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। তাই প্রতিটি দেশকে এখনই ইসরায়েলের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক পর্যালোচনা করে তা স্থগিত করা উচিত। বেসরকারি খাতের ক্ষেত্রেও একই সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য হওয়া দরকার।
কলম্বিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সম্মেলনে বিশ্বের ৩০টি দেশের প্রতিনিধি অংশ নেন। এতে কূটনৈতিক ও আইনি পদক্ষেপের মাধ্যমে গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসন ঠেকানোর উপায় নিয়ে আলোচনা হয়।
এই সম্মেলনে স্পেন, আয়ারল্যান্ড, চীন, কাতার ও তুরস্কের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন। দক্ষিণ আফ্রিকার শাসক দল বহুদিন ধরেই ইসরায়েলের নীতিকে বর্ণবাদী শাসনের সঙ্গে তুলনা করে আসছে।
সম্মেলনে অংশ নেওয়া দেশগুলোর অনেকেই গাজায় ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডকে গণহত্যা বলে উল্লেখ করেছেন।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত ইসরায়েলের হামলায় ৫৮ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। বহুবার গাজার ওপর সম্পূর্ণ অবরোধ দিয়েছে ইসরায়েল, যা ২৩ লাখ মানুষকে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের চরম সীমায় ঠেলে দিয়েছে।
সম্মেলনের উদ্দেশ্য শুধু ফিলিস্তিনের পক্ষে অবস্থান নেওয়া নয়, বরং আন্তর্জাতিক আইন ও স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার অধিকার রক্ষা করা, বলেছেন কলম্বিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাউরিসিও জারামিলো।
এছাড়া আলবানিজ ইউরোপীয় ইউনিয়নে কাছেও একই ধরনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ইইউ আইনগতভাবে বাধ্য—ইসরায়েলের সঙ্গে তাদের চুক্তি স্থগিত করতে। কারণ ইসরায়েল অবরোধ, বর্ণবাদ ও গণহত্যা সংঘটিত করছে।
বর্তমানে ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অংশীদার ইউরোপীয় ইউনিয়ন। জোটটি এমন এক অর্থনীতিকে সমর্থন দিচ্ছে—যেটি গণহত্যার সঙ্গে জড়িত।

ট্রাম্পের প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স ফ্রেডরিক নিয়েলসেন। তিনি বলেছেন, ‘লাগবে না, ধন্যবাদ— গ্রিনল্যান্ডে নাগরিকদের জন্য ইতোমধ্যে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা রয়েছে।’
১ দিন আগে
গত দুই বছর ধরে কিশতওয়ার এলাকায় সক্রিয় থাকা সাইফুল্লাহ অন্তত ২০ বার অভিযানের মুখে নিরাপত্তা বাহিনীর চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিলেন। তার মাথার দাম ঘোষণা করা হয়েছিল পাঁচ লাখ টাকা। এবার নিরাপত্তা বাহিনীর ২১ বারের চেষ্টায় তিনি এনকাউন্টারে নিহত হলেন।
১ দিন আগে
পাম বিচে অবস্থিত বাসভবনটি মূলত ট্রাম্পের অবকাশযাপন কেন্দ্র। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সন্দেহভাজন ওই শ্বেতাঙ্গ ব্যক্তি সেখানকার ফটকের আশপাশে সন্দেহজনভাবে ঘোরাফেরা করছিলেন। তাকে থামিয়ে তল্লাশি করা হলে তার হাতে একটি শটগান ও জ্বালানির ক্যান পাওয়া যায়।
২ দিন আগে