জাতীয় নিরাপত্তা আইনে দোষী হংকংয়ের গণতন্ত্রপন্থি নেতা জিমি

বিদেশি শক্তির সঙ্গে মিলে ষড়যন্ত্র ও রাষ্ট্রদ্রোহের দায়ে হংকংয়ের গণতন্ত্রপন্থি আন্দোলন কর্মী জিমি লাইকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন আদালত। বিদেশি শক্তির সঙ্গে যোগসাজশ করে জাতীয় নিরাপত্তা বিপন্ন করার ষড়যন্ত্রের এ দুই অভিযোগে তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিচারক বলেন, লাই জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি ছিলেন। তিনি বিদেশি শক্তির সঙ্গে যোগসাজশের ষড়যন্ত্রের মূল পরিকল্পনাকারী। তবে এ অপরাধে তার সাজা কী হবে, আদালত সেটি পরে ঘোষণা করবেন।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) হংকংয়ের বিতর্কিত জাতীয় নিরাপত্তা আইনের অভিযোগে আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করেন। ২০২০ সাল থেকে কারাবন্দি লাই এসব অভিযোগের বিরুদ্ধে নিজেকে বরাবরই নির্দোষ দাবি করে আসছেন।
এ মামলার কার্যক্রম ঘিরে রোববার রাত থেকেই লাইয়ের সমর্থকরা হংকং হাইকোর্টের বাইরে অবস্থান নেন। এতে সেখানে উত্তেজনা ছড়ায়।
৭৮ বছর বয়সি লাইয়ের বিরুদ্ধে হংকংয়ের জাতীয় নিরাপত্তা আইনের অধীন বিদেশি শক্তির সঙ্গে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছিল। রাষ্ট্রবিরোধী বিষয়বস্তু প্রকাশের ষড়যন্ত্রের আলাদা একটি অভিযোগও করা হয়।
এদিকে চীন সরকারের সমালোচক লাইকে মুক্তি দেওয়ার দাবিতে আন্তর্জাতিক চাপও বাড়ছে। জিমি লাই এরই মধ্যে পাঁচ বছর কারাগারে কাটিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে আনা তিনটি অভিযোগে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। বাকি দুটি অভিযোগেই তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হলো।














