
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান 'ইত্যাদি'-র নতুন পর্ব ধারণ করা হয়েছে কুড়িগ্রামের উলিপুরে। হানিফ সংকেতের রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনায় নির্মিত এই পর্বে উত্তরাঞ্চলের ঐতিহ্য এবং তথ্যসমৃদ্ধ নানা বিষয় তুলে ধরা হবে। এতে কুড়িগ্রামের ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের ওপর প্রতিবেদনসহ দুটি বিশেষ গান রয়েছে।
পর্বটি আগামী ৩১ অক্টোবর রাত ৮টায় বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) প্রচারিত হবে।
অনুষ্ঠানটি নির্মাণ করেছে ফাগুন অডিও ভিশন। এবারের পর্বের শুরুতেই কুড়িগ্রাম জেলার কৃষ্টি ও ইতিহাস নিয়ে মনিরুজ্জামান পলাশের কথায় একটি পরিচিতিমূলক গান পরিবেশিত হবে। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন রাজিব ও তানজিনা রুমা, সুর করেছেন হানিফ সংকেত এবং সংগীতায়োজন করেছেন মেহেদী। এই গানের সঙ্গে কোরিওগ্রাফার এস কে জাহিদের নির্দেশনায় স্থানীয় প্রায় অর্ধশত নৃত্যশিল্পী দৃষ্টিনন্দন নৃত্য পরিবেশন করেছেন।
এছাড়াও, চিলমারীর ভাওয়াইয়া সম্রাট আব্বাসউদ্দীন আহমদের গাওয়া বিখ্যাত গান 'ও কি গাড়িয়াল ভাই' পরিবেশন করেছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী সালমা আক্তার ও উত্তরাঞ্চলের ভাওয়াইয়া শিল্পী পূর্ণচদ্র রায়। সংগৃহীত কথায় গানটির মূল সুর আব্বাসউদ্দীন আহমদের হলেও, 'ইত্যাদি'-এর জন্য গানটির নতুন করে সংগীতায়োজন করেছেন মেহেদী।
বরাবরের মতোই এবারের 'ইত্যাদি'-তে কুড়িগ্রাম জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী নিয়ে একাধিক তথ্যসমৃদ্ধ প্রতিবেদন থাকছে।
বিশেষ প্রতিবেদনে উঠে আসবে মহারাণী স্বর্ণময়ী, মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, বীর প্রতীক তারামন বিবি এবং মুক্তিযুদ্ধে কুড়িগ্রামের ভূমিকা।
এছাড়া চিলমারী নদীবন্দর এবং ভাওয়াইয়া সংগীতচর্চায় অবদান রাখা শিল্পী ভূপতি ভূষণ বর্মাকে নিয়েও বিশেষ আলোকপাত করা হবে।
নিয়মিত পর্ব হিসেবে চিঠিপত্র ছাড়াও সামাজিক অসংগতি ও সমসাময়িক প্রসঙ্গনির্ভর নাট্যাংশ থাকছে। অনুষ্ঠানটি ৩১ অক্টোবর রাত ৮টায় বাংলা সংবাদের পর প্রচারিত হবে।

জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান 'ইত্যাদি'-র নতুন পর্ব ধারণ করা হয়েছে কুড়িগ্রামের উলিপুরে। হানিফ সংকেতের রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনায় নির্মিত এই পর্বে উত্তরাঞ্চলের ঐতিহ্য এবং তথ্যসমৃদ্ধ নানা বিষয় তুলে ধরা হবে। এতে কুড়িগ্রামের ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের ওপর প্রতিবেদনসহ দুটি বিশেষ গান রয়েছে।
পর্বটি আগামী ৩১ অক্টোবর রাত ৮টায় বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) প্রচারিত হবে।
অনুষ্ঠানটি নির্মাণ করেছে ফাগুন অডিও ভিশন। এবারের পর্বের শুরুতেই কুড়িগ্রাম জেলার কৃষ্টি ও ইতিহাস নিয়ে মনিরুজ্জামান পলাশের কথায় একটি পরিচিতিমূলক গান পরিবেশিত হবে। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন রাজিব ও তানজিনা রুমা, সুর করেছেন হানিফ সংকেত এবং সংগীতায়োজন করেছেন মেহেদী। এই গানের সঙ্গে কোরিওগ্রাফার এস কে জাহিদের নির্দেশনায় স্থানীয় প্রায় অর্ধশত নৃত্যশিল্পী দৃষ্টিনন্দন নৃত্য পরিবেশন করেছেন।
এছাড়াও, চিলমারীর ভাওয়াইয়া সম্রাট আব্বাসউদ্দীন আহমদের গাওয়া বিখ্যাত গান 'ও কি গাড়িয়াল ভাই' পরিবেশন করেছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী সালমা আক্তার ও উত্তরাঞ্চলের ভাওয়াইয়া শিল্পী পূর্ণচদ্র রায়। সংগৃহীত কথায় গানটির মূল সুর আব্বাসউদ্দীন আহমদের হলেও, 'ইত্যাদি'-এর জন্য গানটির নতুন করে সংগীতায়োজন করেছেন মেহেদী।
বরাবরের মতোই এবারের 'ইত্যাদি'-তে কুড়িগ্রাম জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী নিয়ে একাধিক তথ্যসমৃদ্ধ প্রতিবেদন থাকছে।
বিশেষ প্রতিবেদনে উঠে আসবে মহারাণী স্বর্ণময়ী, মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, বীর প্রতীক তারামন বিবি এবং মুক্তিযুদ্ধে কুড়িগ্রামের ভূমিকা।
এছাড়া চিলমারী নদীবন্দর এবং ভাওয়াইয়া সংগীতচর্চায় অবদান রাখা শিল্পী ভূপতি ভূষণ বর্মাকে নিয়েও বিশেষ আলোকপাত করা হবে।
নিয়মিত পর্ব হিসেবে চিঠিপত্র ছাড়াও সামাজিক অসংগতি ও সমসাময়িক প্রসঙ্গনির্ভর নাট্যাংশ থাকছে। অনুষ্ঠানটি ৩১ অক্টোবর রাত ৮টায় বাংলা সংবাদের পর প্রচারিত হবে।

বিদায় নিয়েছে ২০২৫ সাল। নানা ঘটনা আর অঘটনের মধ্যে বিদায়ী এ বছরটিতেও আমরা হারিয়েছি এমন অনেককে, যারা তাদের জীবন ও কাজের মাধ্যমে দেশ ও রাষ্ট্রের জন্য নিজেদের মহীরূহতে পরিণত করেছিলেন। তারা এমন সব ব্যক্তিত্ব, যাদের প্রয়াণ দেশ ও জাতির জন্য সত্যিকার অর্থেই অপূরণীয় ক্ষতি।
২৫ দিন আগে
‘এমন যদি হতো/ ইচ্ছে হলে আমি হতাম/ প্রজাপতির মতো...’ পঙ্ক্তির এমন যদি হতো কিংবা ‘ধন্য সবাই ধন্য/ অস্ত্র ধরে যুদ্ধ করে/ মাতৃভূমির জন্য...’ পঙ্ক্তির মুক্তিসেনার মতো কালজয়ী সব ছড়া রচনা করে সুকুমার বড়ুয়া পেয়েছিলেন ‘ছড়াসম্রাট’ খ্যাতি।
২৫ দিন আগে
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, কিছু সংবাদ মাধ্যম এবং বিভিন্ন ফেসবুক পেইজে উক্ত বিষয়টি ‘অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা’ করা হয়েছে মর্মে সংবাদ প্রকাশ করে, বিষয়টি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির দৃষ্টিগোচর হয়েছে, যা একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দুঃখজনক বলে উল্লেখ করা হয়।
২০ ডিসেম্বর ২০২৫
একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এ চলচ্চিত্রটির মুক্তির তারিখ এর আগে তিন দফা পরিবর্তন করা হয়। সবশেষ নির্ধারিত তারিখ ছিল আগামী ২৫ ডিসেম্বর।
২০ ডিসেম্বর ২০২৫